হরিণ কড়চা

@ 1
4.5
(10)

হরিণ হল তৃণভোজী, নিরীহ, স্তন্যপায়ী প্রাণী। অত্যন্ত লাজুক প্রকৃতির এই প্রাণীটি পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় উপরের দিকে থাকে l পৌরাণিক কাহিনিতে এদের বর্ণনা পাওয়া যায় যেমন কৃষ্ণসার হরিণ। মনে করা হয় যে, এরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রথ টানত বা রামায়ণে সীতার অপহরণের সময় মারিচ হরিণের বেশে আসে l
জনশ্রুতি রয়েছে, হরিণের নাভি কস্তুরী মৃগনাভি নাকি পানের সাথে খাওয়ার প্রচলন ছিল l

হরিণ জঙ্গলের অন্যতম প্রধান প্রাথমিক খাদক হওয়ায় খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে l বস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্য রক্ষায় এদের গুরুত্ব অপরিসীম l

ভারতীয় উপমহাদেশে এদের প্রচুর সংখ্যায় পাওয়া যেত, প্রায় ভারতের সব জঙ্গলে এদের দেখা যায় কিন্তু সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে বেশ ভালো পরিমাণেই, মূলত কারণ হল শিকার l পরিবেশের নিয়মে এরা গৌণখাদকদের সরাসরি খাদ্য, সংখ্যায় বেশ ও স্বভাবে নিরীহ এবং সহজলভ্য হাওয়ার ফলে এরা খুবই   পোচার বা চোরাশিকারির শিকার  হয়েছে গত শতাব্দীতেl পূর্বে রাজা, মহারাজাদের মধ্যে শিকারের যাওয়ার একটা প্রবণতা দেখা যেত, এদেরও শিকারের মধ্যে প্রথম দিকে থাকত হরিণl বর্তমানে ভারতের বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন ১৯৭২ এর মাধ্যমে হরিণ সংরক্ষিত এবং সরকারের তরফে উদ্যোগ নিয়ে সংরক্ষনে সাফল্য এসেছে, কিছু ভারতীয় হরিণদের নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলেও এছাড়া আরো অনেক প্রকার হরিণ এই উপমহাদেশে দেখা যায় l

12.jpg

▪বার্কিং ডিয়ার :
সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা সিরিজের ‘রয়াল বেঙ্গল রহস্য’ গল্পটি যাদের পড়া এবং দেখা আছে, তারা  কাকর হরিণের সাথে পরিচিত l কাকর হরিণ বার্কিং ডিয়ার নামেও পরিচিত l
কাকর হরিণ, হরিণ প্রজাতির অন্যতম খর্বকায় ও লাজুক সদস্য। ছোট আকারে লালচে বাদামি পিংগল রং এর ফোঁটা বিহীন এ হরিণের চলাফেরা ও জীবনধারণ খুবই চমৎকার। একে মায়া হরিণ বলা হয়ে থাকে। এরা ভয় পেলে বা শিকারি প্রাণী, বাঘ দেখতে পেলে কুকুরের মত ঘেউ ঘেউ করে বলে এদের বার্কিং ডিয়ার বলে। মায়া হরিণের ১৫টি উপ-প্ৰজাতি বিশ্বজুড়ে দেখা যায় l পূর্ব ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, চিনের দক্ষিণাঞ্চল, ইন্দোনেশিয়া ও এর দ্বীপসমূহে মায়া হরিণের বসবাসl এরা সাধারণত জলের আশেপাশে বসবাস করেl জীবাশ্মবিজ্ঞানীদের মতে, বার হাজার বছর পূর্বে প্লেইস্টোসিন যুগের শেষের দিক থেকে মায়া হরিণের অস্তিত্ব ছিল। তাই মনে করা হয় যে ভারতীয় হরিণদের প্রাচীনতম প্রজাতি হল মায়া হরিণ l

একটা পরিণত মায়া হরিণের গড় ওজন 17 কেজি ও উচ্চতা 2-2.5 ফুট পর্যন্ত হয়। খাটো লালচে বাদামি লোম দ্বারা এরা আবৃত। স্থান ও ঋতুভেদে লোমের রং পরিবর্তিত হয়। পুরুষ হরিণের উপরের চোয়ালের ছেদন দন্ত খুব বড় এবং দূর থেকে তা স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়। আত্মরক্ষার্থে এরা এটি ব্যবহার করে। পুরুষ হরিণের এক জোড়া এক থেকে দুই ইঞ্চি লম্বা শিং থাকে। শিংএ দুই থেকে তিনটি শাখা থাকে। এরা মূলত একলা চলাফেরা করে ও খাদ্যাভ্যাসে সর্বভূক। ঘাস-লতাপাতা ছাড়াও পাখির ডিম এমনকি ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী প্রাণীও মায়া হরিণের খাদ্য। এরা সাধারণত 15-16  বছর বাঁচে l

কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে এই প্রজাতিটি একটি উল্লেখযোগ্য প্রাণী। এরা ভারতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন,১৯৭২ দ্বারা এখানে সুরক্ষিত।

photo-1544339125-c8d41e6a6670.jpg

▪সম্বর হরিণ :

বড় শিংঘা বা সম্বর হরিণ ভারতীয় হরিণপ্রজাতিসমূহের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘ সদস্য। এর সাতটি উপপ্রজাতি রয়েছে।
ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় সম্বর হরিণ দেখতে পাওয়া যায় ভারত ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় উদ্যান ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলগুলোতে বড় বড় পালে সম্বর হরিণের দেখা মেলে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, লাওস, মালয় উপদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপ সম্বর হরিণের আবাসস্থল। চিনের দক্ষিণাঞ্চল, হাইনান দ্বীপ ও তাইওয়ানেও এদের দেখতে পাওয়া যায়।
এদের শিঙের জন্য তাইওয়ানে বিভিন্ন খামারে সম্বর হরিণ বাণিজ্যিকভাবে পালন করা হয়। এদের শিং ছোরার বাট আর আগ্নেয়াস্ত্রের হাতল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে এদের স্থানান্তর ঘটানো হয়েছে।
অঞ্চলভেদে সম্বর হরিণের আকার ও ওজনের বিভিন্নতা দেখা যায়। পূর্বাঞ্চলীয় উপপ্রজাতিগুলোর তুলনায় পশ্চিমাঞ্চলীয় উপপ্রজাতিগুলো অপেক্ষাকৃত বৃহদাকৃতির। একটি পূর্ণবয়স্ক হরিণের উচ্চতা কাঁধ পর্যন্ত ৪০ থেকে ৬৩ ইঞ্চি ও ওজন ১৫০ থেকে ৩২০ কেজি পর্যন্ত হয়। এদের দেহ ছোট ছোট মেটে বা হলদে মেটে বর্ণের লোম দ্বারা আবৃত থাকে। পুরুষ হরিণের শাখাযুক্ত বৃহৎ শিং থাকে।এদের আয়ু ৩০ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে l

A_chital_stag_1.JPG
▪ চিতল :

চিত্রা হরিণ, চিত্রল হরিণ, চিত্র মৃগ, চিতল, সম্ভবত উপমহাদেশীয় হরিণপ্রজাতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন। এর দুটি উপপ্রজাতি রয়েছে – ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানে দেখা যায় এছাড়াও শ্রীলঙ্কান চিত্রা হরিণ, কেবল শ্রীলঙ্কায় দেখা যায়। ঘাস, গুল্ম আর গাছের পাতা চিত্রা হরিণের প্রধান খাদ্য। গাছের বাকল ও মূলও এরা খায়। এরা পেছনের দুপায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ায় আর গাছের নিম্নবর্তী ডালগুলো থেকে কচি পাতা ছিঁড়ে খায়। পুরুষ হরিণের ক্ষেত্রে এ অভ্যাস দেখা যায় । সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ মূলত কেওড়া, বাইন, গেওয়া, ওড়া, গরান, এবং কাঁকড়া গাছের ছোট চারা ও কচি পাতা, বাকল খেয়ে থাকে। চিত্রা হরিণের দেহ লালচে বাদামি লোমযুক্ত চামড়া দ্বারা আবৃত যাতে সাদা সাদা ফোঁটা দেখা যায়। গলার নীচে, পেট, লেজের নিচে ও চার পায়ের ভেতরের চামড়ার বর্ণ সাদা। হাঁটু থেকে পায়ের খুর অবধি হাল্কা সাদা বা ধুসর রং রয়েছে।এদের কাঁধ বরাবর একটি গাঢ় রেখা পিঠ দিয়ে লেজ পর্যন্ত চলে গিয়েছে। পুরুষ হরিণের রেখাটি অধিক দৃশ্যমান আর গাঢ় হয়। কেবলমাত্র পুরুষ হরিণের শিং থাকে। সাধারণ শিঙের দৈর্ঘ্য ২ থেকে ২.৫ ফুট হলেও কোন কোন ক্ষেত্রে ৬ ফুট পর্যন্তও হয়। শিং শাখা-প্রশাখা যুক্ত, সর্বমোট তিনটি শাখা দেখা যায়। হরিণের শিং অনেকসময় পড়ে যায় আর আবার গজায়। শিং গজানো এবং শিং পড়ে যাবার সময়সীমা এক অঞ্চলে একেক রকম। বয়স এবং খাদ্যের উপরও শিং বেশি দিন থাকা বা পড়ে যাওয়া বা লম্বা হওয়া নির্ভর করে l
পুরুষ হরিণের ঘাড় সরু ও বুক তুলনামূলক স্ফীত থাকে। পুরুষ হরিণের মুখে গাঢ় চিহ্ন থাকে যা দ্বারা এদের বয়সও নির্ধারণ করা যায়।চিত্রা হরিণের প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে চিত্রা হরিণ বংশবৃদ্ধি করে। তবে বর্ষার পূর্বে যখন সবুজ ঘাসের সমারোহ ঘটে এবং গাছের চারা ও লতা-পাতায় বন ছেয়ে যায় তখনই বাচ্চা প্রসবের প্রকৃষ্ট সময়। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ চিত্রা হরিণ উত্তেজিত হয় ও দলে একাধিক পুরুষ হরিণ থাকলে তারা একের সাথে অপরের শিং ঠেকিয়ে দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। প্রচন্ড লড়াইয়ের সময় অনেক সময় শিং ভেঙে যায় বা খসে পড়ে। চিত্রা হরিণী ২১০-২২৫ দিন গর্ভধারণের পর একটিমাত্র বাচ্চা প্রসব করে। শিশু হরিণ ৬ মাস পর্যন্ত স্তন্য পান করে।স্ত্রী হরিণ ১৪-১৭ মাস  বয়সে বয়ঃপ্রাপ্ত হয়। অপরদিকে পুরুষ হরিণ ১৪ মাসে বয়ঃপ্রাপ্ত হয়।

12192598873_764e01f6d8_b.jpg
▪বারশিঙ্গা  :

বারশিঙ্গা একধরনের ভারতীয় উপমহাদেশীয় জলা জঙ্গলের হরিণ l উত্তর এবং মধ্য ভারত ও দক্ষিণ নেপালের কয়েকটি ছোট ছোট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে জীবিত এরা এখনো কিছু সংখ্যায় জীবিত আছে এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অবলুপ্ত হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় বারটি শাখাযুক্ত শিং(আসলে দশ থেকে চোদ্দটা) থাকার জন্য এর নাম বারশিঙ্গা।

Hog-Deer.jpg
▪পারা হরিণ :

নাত্রিণী হরিণ, প্যারা হরিণ, পারা হরিণ বা বরা হরিণ এশিয়ার  বিভিন্ন দেশ জুড়ে বিস্তৃত পটভূমিতে থাকা একটি তুলনামূলকভাবে ছোট প্রজাতির হরিণ। তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলে এদের দেখা যায় l

Blackbuck_2.jpg
▪কৃষ্ণসার হরিণ  :

কৃষ্ণসার বা কৃষ্ণশার এন্টিলোপ গণের অন্তর্ভুক্ত এক প্রকার হরিণবিশেষ। প্রধানত ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে এদের আবাসস্থল। এদেরকে কৃষ্ণমৃগ ও সারঙ্গ বলে l
পুরুষ ও স্ত্রীজাতীয় কৃষ্ণসারের দেহকাঠামোর মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। পুরুষ কৃষ্ণসার ঘন বাদামি, কালো এবং সাদা রঙের হয়ে থাকে। এদের পেঁচানো শিং রয়েছে। অন্যদিকে স্ত্রীজাতীয় কৃষ্ণসারের কোন শিং নেই l
পূর্বে উত্তর-পূর্বাংশ ছাড়া ভারতের সর্বত্র কৃষ্ণসার ব্যাপক সংখ্যায় বাস করত। কিন্তু বর্তমানে এদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাওয়ায় শুধুমাত্র মহারাষ্ট্র, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানা, গুজরাট, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটকে দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও মধ্য ভারতে খুব কম সংখ্যায় কৃষ্ণসার রয়েছে।
সাধারণত উন্মুক্ত সমান্তরাল স্থানে দলবদ্ধ হয়ে থাকে এবং এরা খুবই দ্রুত চলে। তাদের গতিবেগ ঘন্টায় ৮০ কিমি l

কৃষ্ণসার প্রধানত ঘাস খেয়ে জীবনধারণ করে। এছাড়াও, বিভিন্ন ধরনের বীজ, ফুল এবং ফল সহায়ক খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। তাদের সর্বোচ্চ জীবনকাল ১৬ বছর এবং গড় আয়ু ১২ বছর।

bandicam 2019-11-29 11-53-55-490.jpg

 

▪ চিঙ্কারা :

ভারতের মরুভূমি অঞ্চলের হরিণ হলো চিঙ্কারা বা চিঙ্কার l এরা ৩ থেকে ৪ জনের দলে থাকে এবং মূলত তৃণভোজী l ভারতের থর মরুভূমিতে এদের দেখা যায় l এদের ৬ টি উপপ্রজাতি পাওয়া যায় l বর্তমানে এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি l

1375086020FRAmaleCI.jpg
▪চৌরশিঙ্ঘা :

নাম শুনলেই অনেকটা আন্দাজ করা যায়, এরা মূলত চারটি শিং যুক্ত এক প্রকার হরিণ, আকার ও আকৃতিতে ছোটো l উচ্চতায় ২ থেকে ২.৫ ফুট এবং ওজনে ১৭-২২ কিলোগ্রাম হয় l বর্ণ লালচে ধূসর এবং স্ত্রী হরিণ ও পুরুষ হরিণের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় না l ভারতে এবং নেপালে এদের দেখতে পাওয়া যায় এবং এরা  ছোটো গুল্ম, ঘাস ইত্যাদি খায় l বর্তমানে এরা বিপন্ন প্রজাতির মধ্যে একটি l

Cervus_eldii4.jpg

▪সাংহাই ফেস্টিভ্যাল ও সাংহাই হরিণ :

ভারতের উত্তর-পূর্বের প্রান্তিক রাজ্য হল মণিপুর, তাদের খাদ্যাভ্যাস পোষাক সব কিছু আলাদাl এই মণিপুরে এক হরিণ পাওয়া যায়, যা সাংহাই ডিয়ার নামে পরিচিতl এই বিশেষ প্রকার হরিণদের কেবলমাত্র মণিপুরে লোকটাক হ্রদ ও সেই সংলগ্ন অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় l কেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যানে,(একমাত্র ভাসমান জাতীয় উদ্যান) এদের এখনও দেখা যায় l এই হরিণগুলি অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের এবং স্বল্প দীর্ঘ শিং বিশিষ্ট হয় l

মনিপুর সরকারের পর্যটন দপ্তর তাদের পর্যটন উৎসবের নাম রাখেন, তাদের রাজ্য পশুর নাম অর্থাৎ সাংহাই ফেস্টিভ্যাল l ২০১০ থেকে এটি প্রতি বছর হয়ে আসছে l উৎসব চলে প্রতিবছর ২১ থেকে ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত দশ দিন ব্যাপী l

এই উৎসবের মাধ্যমে পর্যটকদের কাছে মণিপুরের ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সাংস্কৃতি বন্যপ্রাণ,অরণ্য,প্রকৃতি ইত্যাদি তুলে ধরা হয় l

লেখকঃ সৌভিক রায়

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.5 / 5. Vote count: 10

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

One thought on “হরিণ কড়চা

Leave a Reply

Next Post

ম্যান্ডেভিল

4.5 (10) ১৭০৭ সালে ঔরঙ্গজেব যখন মারা গেলেন, ভারতবর্ষের রাজকোষ তখন প্রায় শূন্য। সেনাদলের মাইনেও দেওয়া যায় না। কেন্দ্রের দুর্বলতার সুযোগে রাজ্যে রাজ্যে শুরু হয়েছে বিদ্রোহ, আগ্রাসী বিদেশি বণিক ক্রমাগত সম্প্রসারিত করে চলেছে তার হাত। সেসব দমন করার জন্য ঔরঙ্গজেব-পরবর্তী সম্রাটদের না ছিল সামরিক শক্তি, না প্রশাসনিক দক্ষতা। একমাত্র ফারুকশায়ার […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: