অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

5
(4)

গতকাল সকালে বাড়ি ফিরেছি। গিয়েছিলাম উড়িষ্যার দারিংবাড়ি।আমরা চারজন। গৌতম, গৌতমের স্ত্রী দীপা, আমি ও সুমিতা আমার উনি। গত ১২ই ডিসেম্বর রাতের অমরাবতী এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে ছিলাম প্রায় মাঝরাতে। পরদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ পৌঁছালাম উড়িষ্যার প্রান্তিক রেল স্টেশন বেহরমপুর বা ব্রহ্মপুরে। পরের বড় স্টেশন অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম। বেহরমপুর থেকেই আমরা সড়ক পথে যাব দারিংবাড়ি । আগে থেকেই আমাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা ছিল। আমরা সময় নষ্ট না করে রওয়ানা দিলাম দারিংবাড়ির পথে। যতে হবে ১৪০ কিলোমিটার পথ। সুন্দর পিচ ঢালা উচু নিচু প্রশস্ত রাস্তা। অনেক জায়াগায় রাস্তা বড় করার কাজ চলছে। রাস্তার দুপাশে কোথাও ছোট ছোট কৃষি জমি। কোথাও ছোট ছোট শাল মহুয়ার জঙ্গল। একটি নাম না জানা নদী কিছুটা দূর পর্যন্ত ছিল আমাদের সাথে। কাছে দূরে পাহাড়ের রেখা। ঐ পাহাড় ঘেরা কোনো একটি জায়গা হল আমাদের গন্তব্য দারিংবাড়ি। গাড়ি চলছে হুহু করে। পথে আমরা একবার দাঁড়িয়ে ছিলাম একটি জলাধার দেখতে। তিন দিকে পাহাড়। একটা দিকে বাঁধ দিয়ে পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ঝর্ণার জল ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উড়িষ্যার রূপকার বিজু পট্টনায়কের নামে হালে একটি পিকনিক স্পট তৈরি করা হয়েছে । এখনো সে ভাবে চালু হয়নি। কাজ চলছে। জলাধারটিকে ঐ এলাকার মাছের যোগান দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়। একপাশে বেশ বড় বাঁধানো চত্বর রয়েছে। আমাদের সারথি সুরজ আমাদের ঐ বাঁধানো চত্ত্বরেই নিয়ে এসেছে। ডিসেম্বর মাস হলেও সকাল ১১টার রোদ বেশ কড়া। খুব বেশি সময় এখানে থাকা গেলনা। আমরা চললাম আমাদের গন্তব্যের দিকে। খানিকটা এগিয়ে শুরু হল চমৎকার পাহাড়ি পথ যার স্থানীয় নাম ঘাটি। পাহাড় জুড়ে শালের জঙ্গল। এখানেও রাস্তা চওড়া করার কাজ চলছে। এক সময় বন্য জন্তুর অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র ছিল এই জঙ্গল আর পাহাড়। এখন আর সেই ভয় নেই। তবে মাঝে মাঝে হাতির দল নেমে আসে পাহাড় বেয়ে। আধঘন্টা মতো চলার পর আমরা ঘাটি থেকে প্রায় সমতল জায়গায় চলে এলাম। একটু পরেই একটা ছোটো শহরের মধ্যে ঢুকে পড়লাম। আমরা দারিংবাড়ি চলে এসেছি।

উড়িষ্যা, প্রাচীন কলিঙ্গ রাজ্য। সম্রাট অশোকের সময় থেকে শুরু করে ইতিহাসের নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা উত্তর ভারতের একটি অঙ্গ রাজ্য। তারই একটি জেলা কান্দামল। ১৯৯৪ সালের ১লা জানুয়ারি কান্দামল আলাদা জেলার মর্যাদা পেয়েছে। জেলা সদর ফুলবানি। সমুদ্র উপকূল থেকে অনেকটা দূরে পূর্বঘাট পর্বতশ্রেণির মধ্যে কান্দামল জেলার অবস্থান। কান্দামল জেলার একটি ছোটো জনপদ হল দারিংবাড়ি।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

জনসংখ্যা মেরে কেটে মাত্র ছয় থেকে সাত হাজার। সমুদ্র তল থেকে ৩০০০ ফুট উঁচু। গভীর শীতের রাতে বাতাসের তাপমাত্রা কখনো কখনো শূন্য ডিগ্রি হয়ে গেলে শিশির জমে বরফ হয়ে যায়। তাই দারিংবাড়ি উড়িষ্যার কাশ্মীর নামে পরিচিত। ব্রিটিশ শাসনের সময় দারিং নামে একজন ইংরেজ আধিকারিক এই অঞ্চলের বাড়ি অর্থাৎ গ্রামের দায়িত্বে ছিলেন। বলা হয়, দারিংবাড়ি নামের উৎপত্তি সেখান থেকেই। প্রাগার্য যুগের কোল, ভিল, সাঁওতাল, মারিয়া, মোরিয়া, বোন্ডা, গোন্ডা প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর মতই কান্দা একটি জনগোষ্ঠী। কান্দা জনগোষ্ঠীর বাসভূমি হল উড়িষ্যার কান্দামল জেলা।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

এরা মূলত প্রাচীন ব্যাধ বা শিকারি জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। তাদের নিজস্ব ভাষা আছে কুই ও কুভি যা প্রাগার্য দ্রাবিড় ভাষার অন্তর্গত। লেখার জন্য ওড়িয়া বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে ওড়িয়া হল এখানকার স্থানীয় ভাষা । এক সময় শিকার করা কন্দা জনগোষ্ঠীর জীবিকা হলেও এখন তারা চাষ আবাদ ও অন্যান্য কাজ জীবিকা হিসেবে নিয়েছে। বলা উচিত নিতে বাধ্য হয়েছে। চাষের জন্য তারা স্ল্যাশ এন্ড বার্ণ বা কাটা ও পোড়ানো পদ্ধতি ব্যবহার করে। বর্ষার আগে কোন একটি জায়গায় গাছ কেটে পুড়িয়ে ফেলে রাখে। বর্ষার জলে ভিজে ছাই মাটিতে মিশে মাটিকে উর্বর করে। সেই মাটিতে ধান, সর্ষে ও শীত ও গ্রীষ্মের শাক সব্জি চাষ করে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা প্রভৃতি সুযোগ সুবিধা পেতে কান্দা জনগোষ্ঠীর মানুষ তাদের নিজস্ব জীবন শৈলী ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। তবে এখনো অনেক কান্দা রমনী দেখা যায় যাদের গায়ে মুখে উল্কি আঁকা। নাক ও কান ভর্তি সোনা রূপোর বালার আকারের গয়না। তাদের নিজস্ব পরিচয়। আমাদের বেড়ানোর কথা বলতে গিয়ে অন্য গল্পে ঢুকে পড়েছি। এবার আমাদের কথা বলি। পুরনো পাহাড় জঙ্গলের খোলস ছেড়ে দারিংবাড়ি এখন নব্য শহরের রূপ নিচ্ছে। বছর দশেক ধরে বেশ কয়েকটি নুতন হোটেল তৈরি হয়েছে। আমরা যে হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়েছি সেটি নুতন ও সবচেয়ে উঁচু। নাম হোটেল হিল টপ।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

আমরা ঘর নিয়েছি তিনতলায় যাতে চারপাশটা ভালোভাবে দেখা যায়। তবে হোটেলে লিফটের ব্যবস্থা নেই। সিঁড়ি ভেঙে ওঠা নামা বেশ কষ্টের। যাই হোক প্রায় একটা নাগাদ আমরা হোটেলের ঘরে এসে স্নান করে ফ্রেশ হয়ে খেতে গেলাম। খাওয়ার ঘর দোতলায়। দারিংবাড়িতে সবচেয়ে ভালো খাবার এখানেই পাওয়া যায়। তাই প্রচুর লোক এখানে খেতে আসেন। ১২০ টাকায় গোটা আষ্টেক পদের নিরামিষ থালি পাওয়া যায়। অবশ্য ৮০ টাকার থালিও আছে। আমরা ১২০ টাকার থালিই নিলাম। শুক্তো থেকে টম্যাটোর চাটনি প্রতিটি পদই খেতে বেশ ভালো লেগেছে। খাওয়ার পর সামান্য বিশ্রাম নিয়ে চারটে নাগাদ আবার আমরা বেরিয়ে পড়লাম। হোটেল থেকে কিছুটা দূরে রয়েছে দুটি পার্ক। একটি নেচার পার্ক অন্যটি হিল ভিউ।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি দশ টাকা। ছোট ছোট টিলার উপর সাজানো গোছানো জায়গা। নাতিউচ্চ ওয়াচ টাওয়ারে উঠে চারপাশের পাহাড় জঙ্গল দেখতে বেশ ভালো লাগে। পার্কের ভেতর বাচ্চাদের জন্য দোলনা আছে। আমাদের বয়স বাড়ার সাথে ছেলেমানুষিও যেন পেয়ে বসে। সুমিতা দোলনা দেখে কিছু সময়ের জন্য ছেলেবেলায় চলে গেল। দোলনায় বসে খানিকটা দোল খেয়ে নিল(ছবি তুলে রেখেছি)। হিল ভিউ থেকে বেরিয়ে চলে এলাম নেচার পার্কে।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

এখানেও দর্শনী জন প্রতি ১০টাকা। পার্কের ভেতর কান্দা জনগোষ্ঠীর জীবনশৈলী, ঘর বাড়ি ইত্যাদি মডেলের সাহায্যে দেখানো হয়েছে। একটা বাগান আছে বিভিন্ন রকমের ঔষধি গাছের। তাছাড়া আর বিশেষ কিছু নেই। নেচার পার্ক থেকে বেরিয়ে গেলাম পাহাড়ের উপর তৈরি উড়িষ্যা সরকারের কিছু কটেজ দেখতে। হোটেলের বারান্দা থেকে পাহাড়ের উপর হলুদ রং এর বাড়িগুলো দেখতে বেশ লাগছিল। কাছ থেকে দেখে আরো ভালো লাগলো। আলোর ব্যবস্থা সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে। তবে ভাড়া একটু বেশি। এক একটি কটেজ ভাড়া ৭০০০টাকা প্রতিদিন। আমাদের সেদিনের শেষ প্রোগ্রাম ছিল পাহাড়ের ওপারে সূর্যাস্ত দেখা। সেখানেও বেশ ভিড়। তবে দারিংবাড়ি ঠান্ডা জায়গা হলেও আকাশে মেঘ থাকায় বেশ গরম লাগছিল। মেঘের জন্য সূর্যাস্ত খুব ভালো দেখা গেল না। তবে খাদের ধারে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দর্শন অনেকটা দার্জিলিং দার্জিলিং মনে হচ্ছিল। যদিও ঠান্ডা ছিল না। সূর্যাস্ত হল। পাখিরা কুলায় ফিরে গেলে আমরাও হোটেলের ঘরে ফিরে এলাম।

হোটেলে ফিরে অল্প আড্ডা, কিছু আলোচনা, রাতের খাওয়া এবং অবশেষে ঘুম। পরদিন ১৪ তারিখ, ভোরে ঘুম থেকে উঠে হোটেলের বারান্দায় এসে দেখি চারপাশে এখানে ওখানে কুয়াশা জমে আছে। গতকাল উড়িষ্যা সরকারের হলুদ রঙের না ঠিক হলুদ নয় ডিমের কুসুম রঙের যে ইকো ভিলেজ দেখতে গেছিলাম সেগুলি কুয়াশায় ঢেকে আছে। আবার কিছু কিছু জায়গা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি। এমন কুয়াশাকে আবহাওয়া বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ভ্যালি ফগ।

 

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ঠান্ডা বাতাসের সাথে নিচের গরম আর আর্দ্র বাতাস মিশে এই কুয়াশা তৈরি হয়। কিছু সময় পর কুয়াশা কেটে গেল। তবে একটা হেজি ভাব থেকেই গেল। ঘরে এসে তাকে ডেকে তুললাম। চা বানালাম, চা খেলাম (চায়ের সরঞ্জাম সব সময় সঙ্গে নিয়ে যাই কোথাও বেড়াতে গেলে)। সাতটার পর বাথরুমে গরম জল পাওয়া গেল। স্নান সেরে তৈরি হলাম বেরোবার জন্য।

আজ যাব মান্দাসারু। একটি প্রায় ভার্জিন এলাকা, পাহাড়ের গায়েই বলা যায়। দারিংবাড়ি থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

আমাদের হোটেলে দুপুর আর রাতের খাবার ভালো পাওয়া যায় তবে সকালের খাবার যোগানের ব্যাপারে তাদের প্রবল অনীহা। যাইহোক কোনরকমে ব্রেড ওমলেটের ব্যবস্থা করে খেয়ে বের হতে সাড়ে নটা হয়ে গেল। উচুঁ নিচু পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা রাস্তা। অনেক জয়গাতেই রাস্তা খোয়া ওঠা। রাস্তা ঠিক করার কাজ চলছে। তবে ফুলবানি থেকে যে রাস্তাটি এসেছে সেই রাস্তা বেশ ভালো। আমাদের সারথির নাম ভুল করে সুরজ লিখেছিলাম। ওর নাম সুরেশ। প্রায় নির্জন পথ। দুপাশে ঝোপঝাড়। এক একটি জায়গা সাদা বুনো ফুলে ছেয়ে আছে। বেশ দূরে দূরে এক আধটি আদিবাসী গ্রাম। প্রাথমিক স্কুল বাড়ি। প্রাইমারি হেলথ সেন্টার। বন বিভাগের অফিস। তবে খুবই করুণ অবস্থা। গ্রামের বাড়িগুলোতে মেয়ে- বৌরা নিত্য ঘর কন্নার কাজে ব্যস্ত। মাঝে মাঝে রাস্তার পাশে চায়ের বা নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটায় তেমন জিনিসের দোকানপাট। কোথাও এক টুকরো সর্ষে বা অন্যান্য সব্জির খেত। এক সময় এলাকাটি মাওবাদী অধ্যুষিত ছিল এখন তা নেই। কোথাও বেড়াতে গেলে নিয়ম মেনে ব্যায়াম টেয়াম করা যায়না। তার উপর এবড়ো খেবড়ো রাস্তা। আমার কোমর প্রচন্ড ব্যথায় কনকন করছিল। সুরেশ ভাঙা পথে খুব সাবধানে গাড়ি চালাচ্ছিল। তবুও এক জায়গায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে নেমে একটু হাঁটা চলা করে কোমর টান করে কিছুটা আরাম পাওয়া গেল। সোনার কেল্লার উটের পিঠ থেকে নামা জটায়ুর মতো। জটায়ুর ব্যাপার অভিনয় ছিল। আমারটা হার্ড রিয়েলিটি। যাই হোক শেষ পর্যন্ত আমরা মান্দাসারু এসে পৌঁছালাম। একটা টিলার উপর কিছু একতলা কটেজ তৈরি করা হয়েছে। কটেজ গুলিকে একটা গ্রামের বাড়ির লুক দেওয়া হয়েছে। থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। টিলার শেষে গভীর খাদ। খাদের ধারে ওয়াচ টাওয়ার। উপরে উঠলে খাদের ওপারের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণা আর পাহাড়ের খাজের মধ্যদিয়ে সেই ঝর্ণার নদি হয়ে বয়ে যাওয়া দেখা যায়। অবশ্য সেটা হয় বর্ষাকালে। আমরা কটেজ এলাকায় ঢুকে চার পাশটা দেখতে দেখতে খাদের কিনারের ওয়াচ টাওয়ারে উঠে এলাম। দূরে পাহাড় থেকে নেমে আসা জলের ধারার শুকিয়ে যাওয়া খাতটি দেখতে পেলাম। কিছু ছবি তোলা, চার পাশের এখনো মানুষের পায়ের চিহ্ন নাপড়া পাহাড় জঙ্গল দেখা হলে টাওয়ার থেকে নেমে এলাম। নুতন তৈরি হওয়া কটেজের বাইরে উনুন জ্বালিয়ে দুপুরের খাবার তৈরি হচ্ছে। উনুনের ধোঁয়া উপরে উঠছে। কাঠের আগুনের রান্না যে খেতে খুব ভলো আর অন্য রকম লাগবে সেটা বলাই বাহুল্য। আমাদের আর কিছু দেখার ছিল না। আমরা কটেজ এলাকা থেকে বেরিয়ে এলাম। বাইরে কার পার্কিংএর কাছে কিছু অস্থায়ী দোকান পাট হয়েছে। চা, কফি, বিস্কুট, তেলেভাজা এই সব পাওয়া যায়। আমরা বাইরে এসে চায়ের দোকানে বসে চা, বিস্কুট আর তেলে ভাজা (বেগুনি) খেলাম। এবার ফিরে যাওয়া।

 

গাড়ি ফিরে চলেছে দারিংবাড়ির পথে। মান্দাসারু এখনো একটু নিরিবিলি আছে। প্রকৃতি ও পরিবেশ এখনো ততটা বিপন্ন নয়। তবে আর কতদিন? একবার যখন এই কুমারী বনভূমি আর নির্জন পরিবেশের সন্ধান আমরা পেয়েছি তখন কি আর তাকে কুমারী থাকতে দেব? পর্যটনের নামে তার দফা রফা করে দেব অদূর ভবিষ্যতে। আমাদের পরের গন্তব্য লাভার্স পয়েন্ট।

অজয় নাথের কক্ষপথে অষ্টম দিন : দারিংবাড়ি

 

IMG-20191110-WA0025.jpg

 

 

লেখক – অজয় নাথ

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 4

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

বৈচিত্রময় প্রাণীজগৎ

5 (4) পর্ব – ২ আমরা এই পর্বে কিছু জীবের কথা জানব, যারা সৃষ্টি করেছে বিস্ময়!! আমি এমন একজনের কথা বলব যে ভারতের স্বাধীনতা দেখেছে, মহাবিদ্রোহ দেখছে আবার কলকাতা থেকে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তর এমনকি সত্যজিতের অস্কার বা অমর্ত্যের নোবেল পর্যন্ত, সে চাক্ষুস দেখেছে। ভাবছেন কোনো স্থাপত্যের কথা বলছি! আজ্ঞে না, […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: