প্রাচীন চিকিৎসা বনাম বিজ্ঞান

4.7
(3)

মন্ত্রতন্ত্রে চিকিৎসা।

  প্রচলিত বিশ্বাস ও বিজ্ঞানপ্রাচীনকাল থেকেই মানুষ রােগ সারানাের জন্য বিভিন্ন গাছ-গাছড়া,
খনিজপদার্থ, পশু পাখির শরীরের অংশ, বিভিন্ন দেবদেবীর আরাধনা, মন্ত্রতন্ত্র, রত্ন, মাদুলি
ইত্যাদির আশ্রয় নিয়েছে। জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার জন্য মানুষ মনে করত রােগের কারণ ভূত,
পিশাচ বা বিভিন্ন দেবদেবীর প্রকোপ ৷ অথর্ববেদে বিভিন্ন রােগের জন্য বব্রিবাসস, যতুবান, কিমিদিন,
পলিজক, আশ্ৰীষ, প্রমালিন ইত্যাদি ভূত ও পিশাচ কে দায়ী করেছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের
কেউ দুরারােগ্য ব্যাধিতে ভুগলে “বােংগা” নামক দেবীর কারসাজি বলে মনে করে।প্রাচীন চীনের
ধারণা ছিল ‘ শা ’ (Sha) নামক অপদেবতা নানা অমঙ্গল ও রােগ সৃষ্টি করে। এই দেবতা
সােজা পথ ছাড়া চলতে পারে না তাই চীনের প্রাচীন ঘড়বাড়ি, স্থাপত্যশিল্পে আঁকা বাঁকা পথ
দেখা যায়। এমনই ভাবে প্রাচীন গ্রীসের অ্যাসক্লেপিয়াস (Asclepius) [রােমান নাম ইসকুলাপিয়াস Aesculapius] ছিলেন চিকিৎসাবিদ্যার দেবতা। তাকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তার ও তার প্রতীককে পূজা করা হত।  তন্ত্র মন্ত্র - YouTube

এভাবেই আমরা বসন্ত হলে শীতলাপূজা, কলেরা হলে কালীপূজা করে দেবদেবীকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করি।মানুষের অজ্ঞতার ফলেই রােগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন তুকতাক, মন্ত্রতন্ত্র, তাবিজ,
কবচ, পাথর, লতাপাতার চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। মানুষ ভাবত এই মন্ত্রতন্ত্রের ফলেই রােগের
হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন আদিবাসীর বিশ্বাস যে বন্ধ্যা নারী কোলে কাঠের পুতুল  বসিয়ে আদর করা কালীন  ওঝা বিভিন্ন বন্ধ্যাত্বের মন্ত্রতন্ত্র পড়লে ঐ নারীর সন্তান লাভ হয়। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক চিকিতসায় জানা গেছে বন্ধ্যাত্বের কারন।একই ভাবে গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয় মন্ত্র তন্ত্রের সাহায্যে।যেমন চোখওঠা ,বাত ,জন্ডিস,হাপানী, এমনকি সাপে কাটা রােগীর চিকিৎসা করা  হয়  মন্ত্রতন্ত্রের সাহায্যে । যা একদিকে অবৈজ্ঞানিক অন্যদিকে জীবন হানিকর।সাপে কামড়ালে রােগীকে মন্ত্র দিয়ে ঝাড়া হয়।ওঝা বলে ঐ মন্ত্রগুণে সাপের  বিষ নামে।এই সব  মন্ত্রতন্ত্রের ঐ কোন  মানে নেই ।মন্ত্র কতগুলি  শব্দের  সমষ্টি। শব্দের সমষ্টি দ্বারা কোন রােগ সারানাে সম্ভব নয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ আর্থিক অনটন ওচিকিৎসার
অপ্রতুলতার জন্য ছুটে যায় সেই ওঝা বা গুনিনদের কাছে।

যদি এই লতা চোখে পরে তাহলে হাতে করে ...

কোথাও কোথাও হাড় ভেঙ্গে গেলে লতাপাতা দিয়ে চিকিৎসার প্রচলন এখনও রয়েছে।
ভাঙ্গা অংশে লতাপাতা (দুধকর্ণি Equomia bonalex) জড়িয়ে শক্ত করে বাঁধা হয়। ১৫ দিন
পরে লতাপাতা ভাঙ্গা অংশ থেকে খুলে নেওয়া হয়। এর ফলে ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগলেও
বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই হাড় স্বাভাবিক গঠনে আসে না, ছােট বড় হয়ে যায়। চলাফেরা করতে
অসুবিধা হয়, পঙ্গুত্বের স্বীকার হয়। সুতরাং হাড় ভেঙ্গে গেলে হাসপাতালে চিকিৎসা করানাে
প্রয়ােজন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

রত্নে রােগ চিকিৎসা!

   প্রচলিত বিশ্বাস ঃ    জ্যোতিষীরা দাবী করে মানুষের নানা রকম রােগ হয় বিভিন্ন গ্রহের প্রভাবে। যেমন শকুনী গ্রহের প্রভাবে জলবসন্ত, পুতনা গ্রহের জন্য পাতলা পায়খানা, অন্ধপুতনা গ্রহের জন্য হাম, শীতপুতনার জন্য কলেরা হয়। এই সব গ্রহের কোন অস্তিত্ব নেই। গ্রহগুলি কোটি কোটি মাইল দূরে থাকায় এরা মানুষের শরীরে ভবিষ্যতে কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। মানুষের দেহে রােগ ব্যাধি হয় বিভিন্ন শরীরবৃত্তীয় কার্যকারণের জন্য, কোন গ্রহের ফেরে নয়।গ্রহ প্রতিকারে রত্নের প্রভাব | Astrology ...

       রত্ন ব্যবসায়ীরা বলে থাকে রােগ সৃষ্টিকারী ঐ গ্রহগুলিকে শান্ত করলে রােগ দূর হবে।তাই তারা পরামর্শ দেয় গ্রহরত্ন ধারণ করতে, যা গ্রহগুলিকে শান্ত করতে পারে। যেমন মৃগীতে নীলা, অর্শ্বরােগে পলা, হৃদরােগে নীলা, একই ভাবে চুনী, পান্না, চন্দ্রকান্তমনি, সূর্যকান্তমনি, ধারন করতে। কিন্তু রােগ চিকিৎসায় এই রত্নের কোন ভূমিকা নেই। এই গ্রহরত্ন গুলি আসলে সমুদ্রজ খনিজ বা রাসায়নিক পদার্থ যেমন — নীলা-অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড, পলা-ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ইত্যাদি। এই সকল রাসায়নিক পদার্থ বাইরে থেকে দেহে স্পর্শ করলে কখনই রােগ সারতে পারে।

বিজ্ঞান ঃ          প্রকৃতপক্ষে রােগ যন্ত্রনায় কাতর মানুষ চিকিৎসার অভাবে সরল বিশ্বাসে বিভিন্ন সহজ পথ তথা গ্রহরত্ন ধারন করে। জ্যোতিষীরা এই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজেরা ব্যবসা করে ফুলে ফেপে উঠছে কিন্তু সাধারণ মানুষকে আরাে জটিলতর রােগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।সর্বোপরি বলা প্রয়ােজন কোন জ্যোতিষ গ্রহরত্নে রােগ সারে বলে বিজ্ঞাপন বা প্রচার করতে পারে না। এই ধরনের প্রচার করলে ভারতীয় দন্ডবিধি অনুসারে ঐ ব্যক্তির জেল পর্যন্ত হতে পারে।

সাধারণত জ্যোতিষীরা রত্ন হিসাবে যেগুলি ব্যবহার করেন সেগুলির বিজ্ঞানসম্মত নাম ও উপাদান নিচে দেওয়া হল।

রত্ন বৈজ্ঞানিক নাম মূল উপাদান
হীরা কার্বন কার্বন
চুনী করান্দাম অ্যালুমিনিয়াম, অক্সিজেন
নীলা অ্যালুমিনিয়াম অকসাইড অ্যালুমিনিয়াম, অক্সিজেন
পান্না  বেরিল বেরিলিয়াম,অ্যালুমিনিয়াম, অক্সিজেন
গােমেদ (ভারতীয়) গারনেট  ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,অক্সিজেন
প্রবাল/ পলা ক্যালসিয়াম কার্বনেট ক্যালসিয়াম, কার্বন ,অক্সিজেন
পোখরাজ ট্রোপাজ অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন,অক্সিজেন
বৈদুৰ্য্যমনি  ক্রাইসোবেরিল। রিলিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ,অক্সিজেন

আমাদের দেশে এখনও গােত্র ঠিকুজী কোষ্ঠী বিচার করে পাত্র পাত্রী নির্বাচন হয়ে
আসছে। অথচ রক্তের বিভাগ(Blood Group) জানা সবচেয়ে জরুরী।

ক্যারিয়ার স্টাডি টেস্ট করে থ্যলাসিমিয়ার মত ভয়াবহ রােগ প্রতিহত করা যায়। উন্নত দেশগুলিতে রক্তের শ্রেনী মিলনকে সবচেয়ে বেশী।গুরুত্ব দেওয়া হয়। অথচ আমাদের দেশে এই ধরনের বিজ্ঞানসম্মত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি অবহেলিত থেকে যায়। ফলে সামাজিক জীবনে বন্ধ্যাত্ব, শিশু মৃত্যু, রক্তাপ্লতা ও গর্ভপাত প্রভৃতি সমস্যাগুলি পারিবারিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোেল। রক্তের মােট ৪ টি গ্রুপ যথা A, B, AB ও O

বাণমার

প্রচলিত বিশ্বাস ঃ    কোন বিশেষ ব্যক্তির নখ, চুল রক্ত, থুথু বা কাপড়ের টুকরাে নিয়ে মন্ত্র পড়ে
ঐ বিশেষ ব্যক্তিকে অসুস্থ করা বা মেরে ফেলার চেষ্টাকে বাণ মারা বলে। সাধারণভাবে ওঝা,
গুনিন, ডাইনী, ভানুমতি ইত্যাদিরা বাণমারে বলে ধারনা করা হয়। বাণ শুধু মানুষকে অসুস্থ
করেনা, গাছকেও মেরে ফেলে। গৃহপালিত পশুকে অসুস্থ করে দেয় এমনকি গরুর বাটের দুধ
শুকিয়ে দেয়। বাণমেরে কাউকে অন্ধ করতে হলে পুতুল নিয়ে মন্ত্র পড়ে তার চোখে সূচ ফোটালে
ঐ বিশেষ লােক অন্ধ হয়ে যায়। এই ভাবে কোন ব্যক্তি বা ওঝা বাণ মেরেছে এই ধারণায় সাধারণ
মানুষকে বা বৃদ্ধাকে ডাইনী অপবাদ দিয়ে মেরে ফেলা হয়।

Ban mara montro - YouTube

 

বিজ্ঞান ঃ     আসলে মন্ত্র পড়ে কোন লােক, গাছ বা গৃহপালিত পশুকে অসুস্থ করা যায়
না। সাধারণতঃ দেখা গেছে যে ব্যক্তিকে বাণ মেরেছে বলে ধরা হয় সেই ব্যক্তি আসলে অন্য  কোন
জটিল দুরারােগ্য রােগে আক্রান্ত। মৃগী, ফিট, ঘা, যক্ষ্মা, রিকেট ইত্যাদি হলে বাণ মেরেছে ধরা হয়। আসলে দরিদ্র মানুষ সঠিক শিক্ষা ও অর্থের অভাবে রােগীকে ভালাে চিকিৎসা করাতে পারে না। তাই আশ্রয় নেয় অলৌকিক চিকিৎসায়। তারা ওঝা গুনিনদের কাছে যেতে বাধ্য হয়।ওঝারা ঐ অসুখ না সারাতে পারলে বাণ মেরেছে বলে নিজের দায় থেকে মুক্ত হয় এবং বাণমারা থেকে মুক্ত করেছে এই ভাব দেখিয়ে পয়সা উপার্জন করে।

কখনই গাছকে বাণমেরে মেরে ফেলা যায় না। কিছু লােক হিংসা বা নিজের স্বার্থের জন্য অন্যের গাছ কৌশলে মেরে ফেলে। গাছের গােড়ায় কুঁতে পুতে দিলে কিংবা গাছের গােড়ায় বেশী লবন পুতে দিলে গাছ মারা যায় অথবা এই গাছের গােড়ায় দীর্ঘদিন গরম জল ঢাললে গাছটি মারা যেতে পারে।

গরুর দুধ বন্ধ হয়ে বাট থেকে রক্ত পড়ে গরুর বিশেষ রােগ হয়। এই রােগকে স্তন প্রদাহ বা Mastitis রােগ বলে। এ জন্য দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।সুতরাং বাণমেরে কোন মানুষ, গাছ বা গরুর ক্ষতিসাধন করা যায় না। হঠাৎ কেউ অস্বাভাবিক অসুস্থ হলে আমরা আধুনিক চিকিৎসার সুযােগ নেব। কখনই বাণ মেরেছে ধরে নিয়ে ওঝার কাছে যাব না। বাণমারা কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষেরই মস্তিষ্ক প্রসূত আবিস্কার। যে সমস্ত গােষ্ঠীর মানুষ শিক্ষাদীক্ষায় যত পিছিয়ে, সেই সমস্ত গােষ্ঠীতে এসব অবৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা তত বেশী বিদ্যমান।

জন্ডিস বা ন্যাবা

লক্ষণ ঃ  চোখের সাদা অংশ, দেহের ত্বক, নখ, জিভ ও মূত্র হলুদ হয়।জন্ডিস ছোঁয়াচে রোগ, ভুল বিশ্বাসে ...

কারণঃ আমাদের যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস ১৫-৩০ বিলিরুবিন নামক হলুদ রঞ্জক পদার্থ থাকে। রক্তে এর স্বাভাবিক পরিমাণ প্রতি ১০০ ঘন সেমিতে ০.১-১ মিগ্রা। রক্তে এর থেকে বেশীবিলিরুবিন থাকলে দেহের বিভিন্ন অংশ হলুদ হতে থাকে। যকৃতে প্রদাহের ফলে বিলিরুবিন বাড়ে।কিছু ক্ষেত্রে শরীরে স্বাভাবিক প্রতিরােধ ক্ষমতার ফলেই ১ সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়।
চিকিৎসাঃ

চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
কমপক্ষে ২ সপ্তাহ বিশ্রাম নিতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য তেল, ঘি কম খেতে হবে।
সেদ্ধ সজি, চিনির জল খেতে হবে ।

জন্ডিস সারানাের প্রচলিত বিশ্বাস ঃ 
        

      ১) জন্ডিসে হাত ধােয়া ঃ অনেকের ধারনা জন্ডিসের উৎপন্ন হলুদ রং বের করতে পারলে জন্ডিস সেরে যায়। কিন্তু আসল ঘটনা তা নয়। কিছু কিছু ওঝা এই জন্ডিসের রােগীর হাত ধুয়ে হলুদ রঙ বের করে দাবী করে যে দেহ থেকে রঙ বেরিয়ে গেছে তাই জন্ডিস সেরে যাবে। হাত ধােয়ানাের জন্য তারা একটি পাত্রে গঙ্গার জল নেয়, ঐ জলের মধ্যে রােগীর হাত ডুবিয়ে ওঝা হাত দিয়ে ডলতে থাকে এবং মন্ত্র পড়ে। কিছুক্ষন পরে দেখা যায় ঐ জল হলুদ হয়ে গেছে।

আসলে জল হলুদ হয় কৌশলে। ওঝা যে জলটি গঙ্গার জল বলে সেটি হল চুন জল আর ওঝা আগে থেকেই তার নিজের হাতে আমগাছের ছালের রস মেখে রাখে। এই রসের সঙ্গে চুন জল মেশালে আপনা থেকেই জল হলুদ হয়। সুতরাং গায়ের রঙ বের হয় বলে জল হলুদ হয় না, জল হলুদ হয় কৌশলে।
     

         ২) ন্যাবার মালা ঃ বামুনহাটির শিকড় দিয়ে একটি মালা তৈরী করে গলায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। এটি আপনা আপনি বড় হয়ে শরীর দিয়ে নেবে গেলে ওঝারা বলে মালায় জন্ডিস সেরে গেছে।

মালা বড় হয়ে ্নেমে যাবার কৌশল টা কি? মালাটি তৈরি হয় বামনহাটির শিকড় দিয়ে।বামনহাটির শিকড় ফাপা। এর উপর সুতোর ফাস গিট দিয়ে মালা তৈরী করা হয়। একদিকে ওই শিকড় শুকিয়ে ছােট হয়ে যায় আর ওই গিট ও ছােট হতে থাকে। ফলে মালা বাড়ে।

জলাতঙ্ক রােগের আতঙ্ক
  কি এই জলাতঙ্ক রােগ জলাতঙ্ক একটি রােগ। এই রােগের কারণ রেবিস নামক
ভাইরাস। এই ভাইরাস কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে, ফলে জিভ দিয়ে লালা পড়ে ও স্বরযন্ত্র
অসাড় হয়ে যায়। গলা দিয়ে অদ্ভুত বিকৃত স্বর বের হয়। রােগী জল গিলতে পারে না, তাই জলের
আতঙ্কে ভােগে। বিষক্রিয়া শুরু হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই রােগীর মৃত্যু হয়।জলাতঙ্ক | 912084 | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

   কি ভাবে ছড়ায় জলাতঙ্ক রোগ ঃ বানর, বেজী, শিয়াল, বিড়াল, ইঁদুর ও বিশেষত কুকুর (উষ্ণ রক্তের প্রাণী) এই রােগ ছড়ায়। কুকুর,বানর,বেজী,শিয়াল,বিরাল,ইঁদুর মুখের লালায় অবস্থিত রেবিস ভাইরাস কামড়ানাের ক্ষতের মধ্য দিয়ে আক্রান্তের শরীরে প্রবেশ করে।
 

    জলাতঙ্কের চিকিৎসা ঃও জলাতঙ্কের একমাত্র চিকিৎসা অ্যান্টি রেবিস ভ্যাক্সিন Anti
Rabies Vaccine (ARV) ইনজেকশান নেওয়া। জলাতঙ্ক রােগের জীবাণু রেবিস একবার দেহে আক্রান্ত করলে অ্যান্টিরেবিস ভ্যাক্সিন Anti Rabies Vaccine (ARV) না নিলে কোন ভাবেই রােগিকে বাঁচানাে সম্ভব নয়।

জলাতঙ্কের প্রাথমিক চিকিৎসা 
১) কুকুর,বানর,বেজী,শিয়াল,বিরাল,ইঁদুর কামড়ালে ক্ষতস্থান প্রচুর পরিমান সাবান ও জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
২) কোনও এ্যান্টিসেপ্টিক এমনকি অ্যালকোহলও লাগানাে যেতে পারে।

৩) ক্ষতস্থান ঢেকে রাখতে হবে। সম্ভব হলে কুকুরটিকে খেয়াল রাখতে হবে।ভারতে ৩০ লক্ষেরও বেশী সংখ্যক ব্যক্তি কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ রেবিসে মারা যান। যথাযথ প্রতিষেধক ব্যবস্থার অভাবে এই মৃত্যু ঘটছে।প্রতিটি হাসপাতালে বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই রেবিসের প্রতিষেধক টীকা অ্যান্টিরেবিস ভ্যাক্সিন Anti Rabis Vaccine (ARV) থাকা জরুরী। যাতে কুকুরের কামড়ের রােগীরা এই টীকা পেতে পারে।ময়মনসিংহের সকল কুকুরকে জলাতঙ্ক ...

জলাতঙ্ক প্রতিরােধের ব্যবস্থা।
১) রাস্তার কুকুর বা বেওয়ারিশ (Street dog) কুকুর নিয়ন্ত্রিত করা।
২) বাড়ীতে সরকারী নিয়মে টীকা দিয়ে কুকুর পােষা উচিত।
৩) কুকুরের কামড়ের সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য কুকুরকে ধরে খােয়াড়ে রেখে কয়েকটি নির্বিষ ও নির্বিজকরণ করা উচিত।
৪) হাসপাতালে সর্বত্র এই রােগের টীকা সরবরাহ করা উচিত।

জলাতঙ্কের চিকিৎসায় সংস্কার বা প্রচলিত বিশ্বাস ঃ    

থালাপড়া ও ঝাড়ফুক ঃ

কুকুরে কামড়ালে রােগীকে ওঝার কাছে নিয়ে গেলে ওঝা মন্ত্রপুত থালা পিঠে আটকে
দেয়। ওঝা বলে ঐ থালা যতক্ষণ বিষ টানবে ততক্ষণ থালাটি পিঠে আটকে থাকবে, থালার বিষ
টানা হয়ে গেলে থালাটি পড়ে যাবে। আসলে থালা বা ধাতু কখনই বিষ এর মতাে তরল পদার্থ
শােষন করতে পারে না। সামান্য জোরে চাপ দিলে পিঠ ও থালার মাঝখান থেকে বায়ু বাইরে
বেরিয়ে যায় এবং বাইরের বায়ু থালাকে প্রচন্ড চাপ দেয় তাই থালাটি পিঠে আটকে থাকে। আবার
কোথাও জলাতঙ্কের চিকিৎসায় ওঝারা বিভিন্ন মন্ত্র পড়ে, কোথাও বা গঙ্গার জল ও হুকোর জল
খাওয়ায়। কোথাও আদা পড়া দেয়। এইসব মন্ত্রতন্ত্র দিয়ে কখনই জলাতঙ্ক সারে না।

সাপ ও সাপের কামড়ের চিকিৎসা

পশ্চিমবঙ্গের নির্বিষ সাপ ঃ হেলে, জলঢোঁড়া, দাঁড়াস, পুঁয়ে, বেতআছরা, গাংকেড়েলি, ঘরচিতি,
ময়াল বা অজগর, বালিবােড়া, তুতুর। এরা কামড়ালে ভয়ের কোন কারন নেই।দাঁড়াশ সাপ পরিচিতি (Indian Rat Snake) - YouTube

ক্ষীণ বিষ সাপ ঃ মেটে বা মেটেলি, লাউডগা, কালনাগিনী, নােনাবােড়া। এদের কামড়ে মানুষের
মৃত্যু ঘটা আদৌ সম্ভব নয়। ভয়ের কোন কারন নেই।প্রিয় | ইন্টারনেট লাইফ

উগ্র বিষ সাপ  বিপজ্জনক মাত্রা (লেথালডোজ)
(ফণাধর)  মানুষের মৃত্যু হতে পারে
শঙ্খচূড় ১২.০ মিলিগ্রাম
কেউটে  ১৫.০মিলিগ্রাম
গোখরো  ১৫.০মিলিগ্রাম
(ফণাহীন)
কালাচ ১.০ মিলিগ্রাম
চন্দ্রবাড়া ৪২ মিলিগ্রাম
গেছাবোড়া। ১০০ মিলিগ্রাম

বিষধর সাপে কামড়ালে যা ঘটেঃ       বিষধর সাপেরা কামড়ালে ১ ইঞ্চি (২ সেমি) দূরত্বের
মধ্যে কেবল দুটি দাঁতের দাগ থাকবে, একটি দাগও কখনাে কখনাে দেখা যায়। আক্রান্ত স্থান
জ্বালা সহ ফুলতে থাকে এবং পরে নীলাভ হবে। কেউটে, গােখরাে, শঙ্খচূড় (কোবড়া গ্রুপ)
কামড়ালে চোখের পাতা পড়ে আসবে, ঘুম ঘুম এবং বমি বমি ভাব আসবে, যন্ত্রণা হবে। শ্বাস নিতে
কষ্ট হবে।

চন্দ্রবােড়ার কামড়ে (পুড়ে যাওয়ার মতাে) প্রচন্ড যন্ত্রণা হবে। এছাড়া চোখ-নাক-মুখ প্রস্রাব-পায়খানা থেকে রক্তপাত হবে। এমনকি ২/৩ দিন পরেও রক্তপাত হতে পারে। রক্তচাপ  কমে যায়। কালাচ সাপে কামড়ালে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সাপ এবং সাপের কামড় বিষয়ক সচেতনতা

নির্বিষ সাপে কামড়ালে যা  ঘটেঃ     স্পষ্ট ২ টো  বা ১ হয় টা, দাগ থাকে না। অনেক গুলাে ছােট ছােটআঁচড়ের দাগ থাকে, বৃত্তাকার বা অর্ধবৃত্তাকারও হতে পারে। কোন রক্ত চুয়ে পড়ে না, তাজা লাল রক্ত  বার  হবে।  খুব যন্ত্রণা হয় না,ফুলে উঠতে পারে।কখনাে রােগী আতঙ্কে কিছু অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারে। হার্টফেল করে মারাও  যেতে  পারে। ।

সাপে ভয় কামড়ালে প্রথমেই যা করা দরকার ঃ     রােগীর কাছে ভিড় করতে দেওয়া চলবে না। এতে রােগী ভয় পেতে পারে। রােগীকে আশ্বস্ত করতে হবে।মনােবল বাড়াতে হবে । হাঁটা ‘-চলা না করিয়ে শােয়াতে হবে। হাঁটাচলা করলে রক্ত সংবহণ দ্রুত হয়ে বিষ তাড়াতাড়ি রক্তের সঙ্গে মিশে যায়।
সাপে কাটার পর কীভাবে বোঝা যায় বিষধর ...
নির্বিষ না বিষধর সাপ কামড়েছে সেটা খুব ভালােভাবে বুঝতে হবে। বিষধর সাপের কামড় হলে
ক্ষতস্থানটি সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জল দিয়ে পরিষ্কার করে মুছে, ক্ষতস্থান থেকে ৬/৮ ইঞ্চি দূরে পর পর
দুটো বাঁধন দিতে হবে। বাঁধন এমন হাল্কাভাবে দিতে হবে যার মধ্য দিয়ে একটা আঙ্গুল ঢােকানাে
যায়। নরম কাপড় বা রুমাল দিয়ে হাল্কা বাঁধন দেওয়াই ভালাে। শক্ত দড়ি দিয়ে কষে বাঁধন দিলে
গ্যাংরিন (পচন) হয়ে যেতে পারে। রােগীকে শান্তভাবে শুইয়ে যত শীঘ্র সম্ভব সরকারী হাসপাতালে
বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতেই হবে যেখানে অ্যান্টিভেনােম সিরাম (Anti Venom Serum বা
AVS) সহ চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে।

যা করলে বিপদ বাড়ে বা বিপজ্জনক সংস্কার বা প্রচলিত বিশ্বাস ঃ    রােগীকে হাঁটা চলা করানাে ঠিক না। ক্ষতস্থানেকাটা- চেরা করাও বিপজ্জনক। গরম জলের সেক করলে বিষ ছড়িয়ে পড়তে পারে। বরফের গুঁড়াে ক্ষতের পাশে লাগালে ঐ স্থানে এ. ভি. এস. পৌঁছাবে না। রােগীকে ধুমপান বা কোন উত্তেজক পানীয় দেওয়া উচিত নয়। মুরগীর পায়ু, বিষপাথর লাগিয়ে বিষ তােলার চেষ্টা করে সময় নষ্ট করা একেবারেই উচিত নয়। গাছ-গাছরা, আদার রস, গােলমরিচ, কলার সঙ্গে মধু খাওয়ানাের মত ঝাড়-ফুক-তুকতাক, সাপের বিষকে নিস্ক্রিয় করে বলে আদৌ প্রমাণিত নয়। মুখ দিয়ে বিষ টেনে বের করার চেষ্টা ফলপ্রসূ নয়, বরং মুখে বা মাড়িতে ঘা থাকলে বিপদ ঘটতে বাধ্য।

গােটা ভারতে সাপের কামড়ে বছরে ৩০ হাজারেরও বেশী মানুষ মারা যায়। বেশীর
ভাগ অঞ্চলে কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থাকার জন্য সাপে কাটা রােগী হাসপাতালে আসেই না,
ঝাড়-ফুঁক করার ফলে ঐ অঞ্চলেই রােগী মারা যায়। কাজেই সাপে কাটা রােগীর সংখ্যাটা নিশ্চয়ই
উপরের সংখ্যার চেয়ে বেশ কয়েক গুন বেশী হবে। সাপও সাপের কামড়ের বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা
সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা এবং প্রতিটি সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা চালু থাকলে মৃত্যুর হার অনেক
কমানাে যায় এবং পাশাপাশি অসংখ্য মানুষের বহু রকম ভ্রান্ত বিশ্বাসের জঞ্জাল সরিয়ে বিজ্ঞান
ভাবনা পৌঁছে দেওয়াও জরুরী।

হাম ও বসন্ত রােগ

প্রচলিত বিশ্বাস  ঃ  হাম, জলবসন্ত, গুটিবসন্ত রােগগুলি আসলে মায়ের দয়া ’। শীতলা পূজা
করলেই সেরে যাবে। ঝাড়ফুঁক- তুকতাক  দোয়া পড়লেই  মায়ের দয়া সেরে যায়।
        চিকেন পক্স বা জল বসন্ত এর কারণ, লক্ষন ...

        বিজ্ঞানঃহাম, জলবসন্ত, গুটিবসন্ত-রােগগুলি ভাইরাস জনিত অসুখ। গুটিবসন্ত সব চেয়ে মারাত্মক। ডঃ জেনার গুটিবসন্তের টীকা আবিস্কার করেন। হামের জীবাণু রুবেলা ভাইরাস, জলবসন্তের জীবানু ভ্যারিসেলা ও গুটিবসন্তের জীবাণু ভ্যারিওলা। জন্মাবার পর সাধারণ নিয়মে রােগ
প্রতিরােধের জন্য একদিন বয়স থেকে মানুষের টীকা নেওয়া বাধ্যতামূলক।উক্ত রােগের জীবাণুগুলি দেহে প্রবেশ করলে দ্রুত গতিতে বংশ বিস্তার করে এবং শরীরের প্রতিরােধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এই সময়ে প্রতিরােধ ক্ষমতা যাতে বৃদ্ধি পায় তার জন্য প্রােটিন জাতীয় খাবার (ডিম, মাছ) খাওয়া উচিত। শরীরে ক্ষতস্থান পরিস্কার রাখা দরকার।চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে জরুরী। গুটিবসন্তের খােসাগুলির মধ্যে জীবাণুর অস্তিত্ব থাকলেও জলবসন্তের খােসায় কোন রকম সংক্রমণযােগ্য জীবাণু থাকে না।

দাঁতে পােকা!

দাঁতে পােকা বিজ্ঞান ঃ অধিকাংশ বাচ্চাদেরই দাঁতে কালাে গর্ত থাকে যাকে বলে ঐ দাঁতে পােকা লেগেছে।ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তারবাবু বলে পােকা লাগা দাঁতটি তুলে দিলে ঠিক হয়ে যাবে। এটাইসবচেয়ে বড় সত্যি কথা যে দাঁতে পােকা লাগে না, দাঁত ক্ষয়ে যায় এবং ক্ষয়ে যাওয়া দাঁতটাকেই
বলা হয় পােকা লাগা। দাঁতের সাদা অংশটি অথাৎ এনামেল শরীরের সবচেয়ে শক্ত অংশ।যে কোন খাদ্য বিশেষ করে শর্করা (ভাত। রুটি) জাতীয় খাদ্য খাওয়ার পর ঐ খাদ্যের টুকরাে দাঁতে লেগে থাকে তখন মুখের ভেতরে আগে থেকেই থাকা জীবাণুরা (Lactobacillus Streptococci) বংশবৃদ্ধির উপযুক্ত মাধ্যম খুঁজে পায় এবং এই জীবাণুগুলি শর্করা জাতীয় খাদ্যের টুকরােগুলির সাহায্যে বিভিন্ন অ্যাসিড তৈরী করে, ল্যাকটিক, পাইভিক, বুটারিক,অ্যাসিটিক ইত্যাদি অ্যাসিড তৈরী হয়ে এনামেলে থাকা পদার্থগুলির (যথা ক্যালসিয়াম, ফসফরাস,অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ও হাইড্রোক্সি অ্যানাটাইট এর সাথে বিক্রিয়া করে এনামেলকে ধীরে ধীরে ক্ষয়ে দিতে থাকে। এনামেলের উপর হলুদ ছােপ থাকলে তা অ্যাসিড তৈরীর উপযােগী। এভাবেই দাঁতের ক্ষয় গভীর পর্যন্ত চলে গেলে দাঁতের কেন্দ্রস্থলে যেসৰ স্নায়ুগুলি আছে সেগুলি অ্যাসিডের প্রভাবে উত্তেজিত হয় এবং তখনই শুরু হয় দাঁতে যন্ত্রনা।দাঁতে কি আসলেই পোকা হয়?

প্রচলিত বিশ্বাস ঃ  অনেক সময় হাটে বাজারে কিছু অসাধু লােকের দেখা মেলে, যারা দাবী করে যে দাঁত
থেকে পােকা বের করে দেবে। আসলে এদের সঙ্গে পােকা থাকে অথবা এক ধরনের ছােট শিকড়
থাকে সেটাই লােকসমক্ষে দেখিয়ে মানুষকে ঠকায়।
ঠিক মতাে দাঁত পরিস্কার না করলে দাঁতে জীবাণু সংক্রমণ হয়ে প্রদাহের সৃষ্টি হতে
পারে। এতে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয় এবং অনেক সময় পেটের অসুখ হয়, মাড়ি থেকে রক্তপাত
হতে পারে, যেগুলি গুরুতর অসুখের ইঙ্গিতবহ। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সকালে
একবার এবং আরেকবার রাতে শােবার আগে দাঁত ব্রাশ করা জরুরী। তাহলে খাবারের টুকরাে
দাঁতের ফাক থেকে বেরিয়ে আসে। জীবাণু সংক্রমণের ভয় থাকেনা। দাঁতের দাগ ওঠাতে বা
অন্যকোন কারণে দাঁতে এনামেলে অ্যাসিড প্রয়ােগ করা উচিত নয়। এতে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত
হয়। অনেক সময় ট্রেনে বাসে দাঁত মাজার একধরনের লাল ওষুধ (দাঁতের কালাে ছাপ তােলার
জন্য) বিক্রি হয়। এতে লঘু হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) এবং লাল রং মেশানাে হয়। এগুলি
ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এতে দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি হয়।
অনেকে গুড়াকু বা পােড়া কয়লার ছাই দিয়ে দাঁত মাজে। এটা অনুচিত কারণ এতে
মাড়ির অসুখ হয়। বরং নিম গাছের ডাল দিয়ে দাঁত মাজা ভাল। নিমের রস মাড়ির পক্ষে খুবই
উপকারী।

এখনো বেশীরভাগ জায়গায় হাসপাতালের সুযোগ নেই ।বা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওসুধ, ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী নেই।ফলে রগীরা বাধ্য হয়ে অবৈজ্ঞানিক অলৌকিক চিকিৎসা ব্যাবস্থ্যার দিকে ছুটে যায়।ব্যক্তিগত ভাবে নিজেরা সংস্কার ছুরে ফেলে বিজ্ঞানমনস্ক স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া জরুরী ।

জয়দেব দে

সুজয় বিশ্বাস-

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.7 / 5. Vote count: 3

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

খাবার নিয়ে সংস্কার

4.7 (3) বেবি ফুড/ শিশু খাদ্য   বর্তমানে মায়েদের বিশ্বাস বেবিফুডের কৌটো ভরা সব পুষ্টি। তাই মায়েরা শিশুদেরকে মাতৃ দুগ্ধ না খাইয়ে বেশী করে খাওয়াচ্ছে কৌটোর দুধ। কৌটোর গায়ে ঝলমল শিশুর মুখগুলি দেখে আর টিভি, রেডিও-এর বিজ্ঞাপনের দৈলতে বেবিফুড হয়ে উঠেছে শিশুদের একান্ত প্রয়ােজনীয় খাদ্য। কিন্তু বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরী বেবিফুডের […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: