মৌসুমী বাতাস ঢুকেছে কলকাতা সহ পশ্চিম বঙ্গে

poribes news
0
(0)

আজ থেকে মৌসুমী বাতাস ঢুকেছে কলকাতা সহ পশ্চিম বঙ্গের অধিকাংশ জায়গায় এবং সিকিমে। আবহাওয়া দপ্তর তাই জানিয়েছে আজ দুপুরের বুলেটিনে। আমার চার জুনের পোস্টে লিখেছিলাম ১১/১২ তারিখ নাগাদ কলকাতায় বর্ষা শুরু হতে পারে। সৌজন্যে এবারের বর্ষার প্রথম নিম্নচাপ বা মনসুন লো (Low) । নিম্নচাপ এখন উড়িষ্যা অন্ধ্র উপকূলে রয়েছে। আজ দুপুর থেকে পুরো বর্ষার আমেজ ও বৃষ্টি পাওয়া গেছে। বহু বছর পর কলকাতায় জুন মাসের ১২ তারিখ বর্ষা শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালে বর্ষা শুরু হয়েছে জুন মাসের ২১ তারিখ। ২০২০ সাল থেকে ভারতে বর্ষা শুরু হওয়ার নুতন নির্ঘন্ট তৈরি হয়েছে। নির্ঘন্ট অনুসারে কলকাতায় ১১জুন বর্ষা শুরু হবে। বলতে গেলে এবার নির্ঘন্ট মেনেই কলকাতায় বর্ষা শুরু হয়েছে। কম বেশি যাই হোক গতকাল পশ্চিম বঙ্গের প্রায় সব জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। নিম্নচাপ ও তৎসংলগ্ন ঘুর্ণাবর্ত সক্রিয় থাকবে ও পশ্চিম উত্তর পশ্চিম দিকে সরে যাবে। তাই আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে দক্ষিণ বঙ্গের অনেক জায়গায়।তাছাড়া আরব সাগরের উপর জোরালো মৌসুমী বাতাস বইছে। আগামী দুদিনে বর্ষা কঙ্কোন উপকূল ছাড়িয়ে গুজরাট পর্যন্ত চলে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে আগামী ১৬ইজুন আষাঢ় মাসের প্রথম দিন কালিদাসের উজ্জয়িনী শহরে বর্ষা শুরু হবে তো? আমাদের এক প্রিয় বন্ধু থাকে মধ্য প্রদেশে। অবশ্য উজ্জয়িনী থেকে অনেকটা দূরে ইন্দোরে। সে বিরহী যক্ষ নয় তার প্রিয়া অলকা নয় ইন্দোরে তার সাথেই থাকে। সে মেঘদূতের অপেক্ষায় নয় বসে বসে প্রহর গুনছে কবে বৃষ্টি হবে। মধ্য প্রদেশ ড্রাই ফার্মিং ল্যান্ড বা অল্প বৃষ্টিপাত অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। বছরে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০০০ মিলিমিটারের কম। বর্ষায় ভালো বৃষ্টিপাত না হলে প্রচন্ড জলের কষ্ট হয়। গত বছর গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় প্রবল জল কষ্ট হয়েছিল। তবে বর্ষায় অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছিল বলে পুষিয়ে গেছে। এবারও আবহাওয়া দপ্তর স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে পশ্চিম ও মধ্য ভারতের জন্য। আমাদের বন্ধুর আশা পূর্ণ হোক। ইন্দোরে ১৪/১৫ তারিখ নাগাদ বৃষ্টি হবে বলেছি বন্ধুকে। আশা করি ঠিক সময়ে বৃষ্টি হবে ইন্দোরে।

অজয় নাথ।

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

বাংলার বিষধর সাপেরা

0 (0)   সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৫০০ প্রজাতির বিভিন্ন সাপ পাওয়া যায় যার মাত্র শতকরা ১৫ ভাগ সাপই কেবলমাত্র বিষধর, বাকি ৮৫ শতাংশই নির্বিষ। প্রতিবছর গড়ে ৫০-৬০ হাজার মানুষ মারা যান সাপে কাঁটার প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষ কারণে আমাদের দেশে। একইভাবে, পশ্চিমবঙ্গে বহু মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পেড়ন কুসংস্কার, ভীতি-সাপ সম্বন্ধে […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: