বাংলার বিষধর সাপেরা

2
3.4
(5)

 

সুন্দরবনে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে ...

সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৫০০ প্রজাতির বিভিন্ন সাপ পাওয়া যায় যার মাত্র শতকরা ১৫ ভাগ সাপই কেবলমাত্র বিষধর, বাকি ৮৫ শতাংশই নির্বিষ। প্রতিবছর গড়ে ৫০-৬০ হাজার মানুষ মারা যান সাপে কাঁটার
প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষ কারণে আমাদের দেশে। একইভাবে, পশ্চিমবঙ্গে বহু মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পেড়ন কুসংস্কার, ভীতি-সাপ সম্বন্ধে সঠিক ধ্যান ধারনার অভাবে এবং সর্বোপরি, সুষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার সরকারি অবহেলা এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে দায়বদ্ধতার অভাব প্রভৃতি কারণে। পৃথিবীতে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশেই সবচেয়ে বেশি। বিষাক্ত সাপ ও অন্যান্য বিষাক্ত প্রাণীদের বসবাস অথচ সবচেয়ে বেশি
মানুষ মারা যায় আমাদের দেশেই। পৃথিবীর অন্যতম প্রথম তিনটি উগ্রবিষযুক্ত সাপের বাসও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশেই।

বিষধর সাপেরা প্রধানত চারটি পরিবারের সদস্য যথা-Elapidae, Viperidae, Hydropidae এবং Colubridae | ঘটনাচক্রে উপরোক্ত চারটি পরিবারের প্রথম তিনটি আমাদের বাংলার বাসিন্দা।

  এক ঝলকে বাংলার বিষধর সাপেরা

 

         সাপের চলতি নাম সাধারণ ইংরাজি নাম (বিজ্ঞান মারণ মাত্রা
            সম্মত নাম সহ) (মানুষের ক্ষেত্রে )
১. কেউটে/পদ্ম কেউটে Indian Cobra (Monocellate) ১৫ মিঃগ্রাঃ
    আল কেউটে/গেঁড়ি কেউটে cobra (Bengal Cobra)
    দুধরাজ/কলি কেউটে/ (Naja kaouthia)
     ভাঙা তপঃ/ফনাক
     কেউটিয়া প্রভৃতি
২. গোখরো/   গোক্ষুর/ Common Cobra/Spectacled ১৫ মিঃগ্রাঃ
     খড়িশ/ গোমা/কালি/ Cobra/Binocellate Cobra
     তপ নাগ (Naja naja)
৩. শখ্খচূড়/নাগরাজ King Cobra ১৫ মিঃগ্রাঃ
(Ophiophagus hannah)
৪. কালাচ/  ডোমনা চিতি/ Common Krait ১ মিঃগ্রাঃ
      কাল চিতি (Bungarus caeruleus)
৫. শাঁখা মুটি/শঙ্খিনী Banded Krait ১৫ মিঃগ্রাঃ
    রাজসাপ/মামা ভাগ্নে (Bungarus fasciatus)
   সাকাতি/রাণা সাপ/
    সাগিনী/বত্রিশ মুঠি, জলটোড়া,
   পানচিতি/ পানি চিতি প্রভৃতি
৬. চন্দ্রবোড়া/উলুখাড়া/ Russel’s Viper ১৫ মিঃগ্রাঃ
       রক্তছুটে/ কান্দের {Daboia = (Vipera russelii}
৭. গেছোবোড়া/সবুজ বোড়া Green Pit Viper/Pit Viper ১৫ মিঃগ্রাঃ
(Trimevesurus erythrurus)
৮. সামুদ্রিক সাপ/চঞ্চু Common Sea Snake/ ১৫ মিঃগ্রাঃ
   সামুদ্রিক সাপ/হুক নাকওয়ালা Beaked Sea Snake/Hook
     সামুদ্রিক সাপ Nosed Sea Snake
(Enhydrina schistosa)

মন্তব্য : উপরিউক্ত ক্রমিক সংখ্যা ১ থেকে ৫ ইলাপিডি, ৬-৭ ভাইপেরিডি এবং ৮ নং হাইড্রোপিডি গােত্রের অধীনে পরে।

সাপের বিষ

সাপ মাত্রই বিষাক্ত বা ‘ক্ষতিকারক এই ধারণা যেমন ভুল, আবার সাম্প্রপ্তিক কালে এও প্রমাণিত হয়েছে যে বিষ বা Venom’ কমবেশী সমস্ত সাপেরই থাকে। তথাকথিত ‘বিষাক্ত’ সাপে অধিক মাত্রায় বিষের এবং বিষদাঁত (Fang)-এর উপস্থিতি এদেরকে ভয়ঙ্কর করে তুলেছে।বিষে-বিষক্ষয়: ক্যান্সার সারাবে ...

সাপের ‘বিষ’ আদতে উৎসেচক সহ দুই বা ততােধিক প্রােটিনের মিশ্রণ। অন্নধর্মী এই বিষে ভারী আনবিক গুরুত্বের উৎসেচক ও প্রােটিন অনুর সাথে কিছু পরিমাণে তামা, গন্ধক, দস্তা, অ্যান্টিমনি, আর্সেনিক
প্রভৃতি মৌল উপস্থিত। উৎসেচক হিসেবে প্রধানতঃ প্রােটিয়েজ, হায়ালুরােনিডেজ, ট্রান্স অ্যামিনেজ, অ্যাসিড ফসফাটেজ প্রভৃতি উপস্থিত।

এছাড়া এর মধ্যে কিছু অধিবিষ (toxin) উপস্থিত যথা নিউরােটক্সিন, হিমাটক্সিন, সাইটোটক্সিন বা মায়ােটক্সিন প্রভৃতি। নিউরোটক্সিন সাধারণতঃ স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব বিস্তার করেস্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। কেউটে, গােখরাে, কালাচ, শাঁখামুটি প্রভৃতি সাপের ক্ষেত্রে এইরূপ বিষ’ দেখা যায়।সাপ - উইকিপিডিয়া

হিমাটক্সিন প্রকৃতির বিষ মূলত রক্ত সংবহনতন্ত্রকে নষ্ট করে দেয় ফলে লোহিত রক্ত কণিকাগুলাে বিনষ্ট
হয় -শ্বাসকষ্ট হয় এবং শরীরের তুলনামূলকভাবে নরম জালক/শিরা/ধমনী ফেটে বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়-কাটা অংশ বাদেও।চন্দ্রবোড়া কিংবা গেছ বোড়ার ক্ষেত্রে এটি দেখা যায়।‘মায়োটক্সিন’  মূলতঃ পেশীতন্ত্রকে ব্যাঘাত ঘটিয়ে অকেজো করে তোলে-সামুদ্রিক সাপের ক্ষেত্রে এটি অধিক দেখা যায়।

সাধারণভাবে সাপের বিষ সাপের খাদ্য পাঁচনে এবং আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত হয়। কতুভেদে বিষের সান্্রতা (viscocity) হ্রাসবৃদ্ধির ফল এর তীব্রতারও হেরফের হয়। আবার, প্রাণীভেদে সাপের এই বিষের।
করে তােলে-সামুদ্রিক সাপের ক্ষত্রে এটি অধিক দেখা যায় সহনমাত্রাও বিভিন্ন।

বস্ততঃপক্ষে, সাপের গালের ভিতরে এক জোড়া লালাগ্রন্থি বিষগ্রন্থি তে রূপান্তরিত হয়। দেখতে সচ্ছ, চটচটে হাল্কা-হলুদাভ বর্ণের তরল পদার্থ। যার শতকরা ৬৫-৭০ শতাংশই জল। এতে ১৫ ভাগ প্রােটিনের সাথে রয়েছে কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড, নিউক্লিওটাইড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং সােডিয়াম ক্লোরাইড জাতীয় লবণ। ভাইপার জাতীয় সাপের বিষে থাকে ভ্যাসপুলাে টক্সিন যা রক্তকে জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয়।

           বিষদাত (Fang)

বিবধর সাপের উপরের চোয়ালের (Maxilla) বাইরের সারিতে দুটি বেশ বড় দাঁত থাকে। এই দুটি দাঁতের ঠিক পেছনে আরও কয়েকটি ছােট ছােট সারিবদ্ধ বিষ দাঁত থাকে। সাধারণভাবে ঐ বড় দাঁত দুটিকেই
বিষদাত বা ‘Fang’ বলে। সক্রিয় বড় দাঁতটি কোন কারণে ভেঙ্গে গেলে, তার পাশে অবস্থিত এই ক্ষুদ্র অথচ নিষ্ক্রিয় বিব্দাত বড় ও সক্রিয় হয়ে ওঠে। সময় নেয় ২০ থেকে ৪০ দিন। এই বিষদাঁত সন্মুখদন্তী সাপ ও পশ্চাৎদস্তী সাপের জন্ম দেয়। কেউটে, গােখরাে, কালাচ, চন্দ্রবােড়া প্রভৃতি সাপের বিষদাঁত সন্মুখদন্তী। আবার, শঙ্খিনী ও সামুদ্রিক সাপের বিষদাত পশ্চাৎ্দন্তী।বাংলাদেশের জীব বৈচিত্র্য : সর্প দংশন ...

বিজ্ঞানীরা গঠন ও প্রকৃতি অনুযায়ী বিষদাঁতকে দুভাগে ভাগ করেছেন। ভাইপার জাতীয় সাপের বিষদাঁত অনেকটা ইঞ্জেকশন সূঁচের মত ছিদ্রযুক্ত। এই জাতীয় দাঁত সাধারণতঃ স্বাভাবিক অবস্থায় মাংসাল পটি দিয়ে ঢাকা থাকে এবং গলার দিকে ভাজ করা থাকে।

এদের মাথায় একজোড়া বিষথলি থাকে চোখের ঠিক পেছনে যেখান থেকে একটি করে মােট দুটি বিষনালী বিষদাঁতের গােড়ায় উন্মুক্ত। ফলে, বিষথলিতে চাপ পড়লে নালী দিয়ে বিষ দশন স্থানে গিয়ে পড়ে। বার বার দংশনের ফলে কিংবা অন্য কোন কারণ বিষথলির বিষ’ নিঃশেষ হয়ে গেলে পুনরায় ৮-১০ দিনের মধ্যে বিষখলি ভরে যায়।

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখযােগ্য যে, ঝতুভেদে কিংবা একই জাতের ও বয়সের দুটি সাপের দুটি বিষথলির বিষের পরিমাণ, ঘনত্ব ও বর্ণ তারতম্যযুক্ত হয়। কি পরিমাণ বিষ ঢুকল, কোন ঋতুতে, সাপের
স্ত্রী-পুরুষ ভেদে, আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতা এবং  তাঁর বয়স  প্রভৃতি বিষয়গুলির উপর মানুষের মৃত্যু হার নির্ভর করে।

বলাবাহুল্য, সাপের বিষ মূলতঃ প্রােটিন ধর্মী হওয়ায় দেহের কোন অংশে লাগলে কিংবা কেউ খেলে কোন ক্ষতি হবে না যদি কিনা দাঁতের গােড়ায়, মুখে, খাদ্যনালী কিংবা বা অন্য কোন স্থানে কোনও ক্ষত
থাকে। এর বিষ একমাত্র রক্তের সংস্পর্শে এলেই বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।

নির্বিষ ও বিষধর সাপের ক্ষতচিহ্নের পার্থক্য

নির্বিষ কিংবা বিষধর সাপে কামড় দিলে ক্ষতস্থানের চিহ্ন দেখে সহজেই বােঝা যাবে যে, সাপটি বিষধর না নির্বিয এবং সেই বুঝে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

নির্বিষ সাপের ক্ষেত্রে : নির্বিষ সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কতকগুলি দাঁতের সারি সমান্তরালভাবে পাওয়া যায়। স্থানটি সহজে ফুলে ওঠে না।

নির্বিষ সাপের বেলায় ক্ষতচিহ্ন
বিষধর সাপের ক্ষেত্রে : বিষাক্ত সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানটি তৎক্ষণাৎ ফুলে উঠবে। ক্ষতস্থানে এক বা দুটি বড় বড় ক্ষতচিহ্ন থাকবে, রক্ত ঝড়বে। সাথে আনুষঙ্গিক উপসর্গ তাে থাকবেই। দাঁতের কোন
সমান্তরাল সারি পাওয়া যায় না। দুটি চিহ্নের মাঝখানে মােটামুটি ১ ইঞ্চি ফারাক থাকে

সাপে কাটার পর কীভাবে বোঝা যায় বিষধর ...

০ ০ বিষাক্ত সাপের বেলায় ক্ষতচিহ্ন
এটা খুব সত্য যে আজও সাধারণ মানুষ বিশেষ করে গ্রামীন এলাকায় বসবাসকারী মানুষ অজ্ঞানতার বশবর্তী হয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা (চিকিৎসা) গ্রহণ করতে পারেন না। নির্ভর করতে হয় ঝাড়ফুঁক,তুকতাক
প্রভৃতির উপর। পরিণতিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যু ঘটে।

সাপ কামড়ালে কি করবেন?

সবার প্রথমে RIGHT কথাটি মনে রাখার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ
    R- Reassure    (রােগীকে আশ্বস্ত করুন)
    I- Immobilize (অর্থাৎ, জায়গাটির নড়াচড়া বন্ধ)
    G- Go (যাও)
    H- Hospital (হাসপাতালে)
    T- Tell the Doctor (চিকিৎসককে পুরাে ঘটনাটি বলুন)

যেগুলাে করতে হবে

* রােগীকে ক্রমাগত আশ্বস্ত করুন।

* নিকটবর্তী সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র/হাসপাতালে যত দ্রুত সম্ভব নিয়ে যেতে হবে রােগীকে।

* যতটা সম্ভব নড়াচড়া করবেন না।

* তাড়াতাড়ি যেতে হলে মােটর সাইকেলও একজন ধরে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যায়।

* রােগী যেন হেঁটে/দৌড়ে না যায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

* চিকিৎসককে সাঠিক তথ্য দিন। সাপটি চিনতে পারলে নাম বলুন/বর্ণনা দিন।

*বিভিন্ন লক্ষণগুলি ঠিকমত জানান।

সাপের কামড়ের চিকিৎসার আচরণবিধি
(Snake bite Treatment Protocol)

সাপ কামড় বা যেকোন সন্দেহজনক কামড়ের রােগা হাসপাতালে
এলেই তাকে ভর্তি করে নিতে হবে।

প্রথমেই একটি সাধারণ স্যালাইন আস্তে আস্তে চালিয়ে দেওয়া হয়।আর দেওয়া হয় একটি টিটেনাস ভ্যাকসিন। রােগীর শ্বাসকার্য ঠিকমতে চলছে কিনা দেখে নিতে হবে। এ ব্যাপারটি সবার আগে দেখা দরকার।
এরপর আমাদের দেখা দরকার কোনরকম বিষের লক্ষণ আছে কি । প্রচন্ড ব্যথা আর ক্রমবর্ধমান ফোলা থাকলে নিশ্চিত ভাবে বলা যায় বিষধর সাপে কামড়েছে। দ্রুত ০.১৫ মিলি অ্যাড্রেনালিন ইনজেকসন চামড়ার তলায় দিতে হবে এবং বাকি অ্যাড্রেনালিন ইনজেকসন সিরিঞ্জে টানা থাকবে, সঙ্গে সঙ্গে ১০টি এ ভি এস ঐ চালু স্যালাইনের বােতলে মেশানাে হবে। এবার ঐ এ ভি এস যুক্ত স্যালাইন দ্রুত চালানাে হবে, এক ঘন্টার কম সময়ে ১০টি এ ভি এস রােগীর রক্তে ঢােকা চাই।

কোনরকম বাঁধন থাকলে এ ভি এস দেওয়ার সাথে সাথে তা খুলে দেবেন। পরবর্তী উন্নতি লক্ষ্য করে পরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধীর গতিতে স্যালাইন চলতে থাকবে ২৪ ঘন্টা। কালাচ কামড়ের ক্ষেত্রে ব্যথা ফোলা থাকবে না, চোখে পাতা পড়ে আসছে দেখলেই এ. ভি. এস দিতে হবে।

চোখের পাতা পড়ে আসছে

এটি একটি অত্যন্ত জরুরি লক্ষণ। এই লক্ষণ দেখলেই একটি
অ্যাট্রোপিন ইনজেকশন শিরায় (আই ভি) দিতে হবে, তারপর তিন সিসি
(৩ মিলি) নিওস্টিগমিন ইনজেকশন দিতে হবে। ১ ঘন্টা পর দরকার হলে
আবার দেওয়া যায়।

যা কখনই করবেন না

* কখনই মনসার থান বা ওঝা/গুনিন বা কোন ধর্মবাবা-এর কাছে রােগীকে নিয়ে যাবেন না। বিষাক্ত সাপের কামড়ের একমাত্র চিকিৎসা অ্যান্টিভেনাম সেরাম (AVS) যা কেবলমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই পাওয়া সম্ভব।
জোর করে রােগীকে বমি করাবেন না।

* ক্ষুতস্থান থেকে বিষ টেনে আনার রীতি-নীতি অবাস্তর-কখনই করবেন না।

*কামড়ানাে স্থানে বরফ দেওয়া কিংবা অন্য কোন ঔষুধ লাগানাের কোন প্রয়ােজন নেই-পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে।
*কামড়ানাে জায়গাটিতে কখনই কাটা বা চেরা করবেন না।

মন্তব্য : মনে রাখবেন ১ মিনিট সময় নষ্ট হওয়া মানে হল বৃক্কের ১ শতাংশ ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়া।

যা মনে রাখবেন

* প্রথমেই জায়গাটা ফুলে যাবেফোলা অংশটা ক্রমশ বাড়তে থাকবে সাথে ব্যথাও হবে।

* আবার, কালাচের কামড়ে কোনও ব্যথা বা ফোলা খুব একটা হয় না।

* চোখের পাতা পড়ে আসবে এবং রােগী ক্রমশ ঝিমিয়ে পড়বে।

* রােগী চোখে ঝাপসা দেখবে-কথা বলতে আড়ষ্ট লাগবে।

* গলার আওয়াজ ক্রমশ কমে আসবে।

চন্দ্রবােড়া সাপের কামড়ে নাক/কান/চোখ থেকে রক্ত ঝড়তে পারে।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : সাপের কামড় ও তার প্রতিকারIHFW/Govt, of W.B.

 ডঃ রাজা রাউত

লেখাটি বিজ্ঞান অন্বেষক পত্রিকার জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সংখ্যায় প্রকাশিত।

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 3.4 / 5. Vote count: 5

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

2 thoughts on “বাংলার বিষধর সাপেরা

Leave a Reply

Next Post

ঝড় ও ঝড়েদের নাম

3.4 (5) উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঝড়ের নাম ঠিক করে তীরবর্তী সংশ্লিষ্ট ১৩ টি দেশ পর্যায়ক্রমিক ভাবে, ১৬ বছর আগে ২০০৪ এ থাইল্যান্ড-এর দেওয়া ঝড়ের নাম হলো ‘আমফান’ যার অর্থ ‘আকাশ’ ,এর আগে ২০১৩ তে থাইল্যান্ড আরেক ঝড়ের নাম দিয়েছিলো ‘ফাইলিন’যার অর্থ ছিল নীলকান্তমণি। ভারত বেশ কয়েকটি ঝড়ের নাম […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: