পান্ডার কান্ডকারখানা

poribes news
5
(4)

পান্ডার কান্ডকারখানা : পান্ডা নাম টা শুনলেই আমাদের মনে পড়ে,নাদুস-নুদুস বিশালাকার স্তন্যপায়ী যার সাথে ভাল্লুকের বেশ মিল আপাত দৃষ্টি তে, এদের চাল যাকে বলে গদাই লস্করি,এমন অলস যে নড়তে চড়তে আঠারো মাসে বছর ।বাচ্চাদের সফ্টটয়েদের মধ্যেও এদের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে ।

কে কী কেন কিভাবে লাল পাণ্ডা

পান্ডার বর্ণ সাদাকালো এবং এদের বিজ্ঞানসম্মত নাম Ailuropoda melanoleuca ; মূলত,এদের আদি এবং প্রধান বাসস্থান হলো চীন । চীন মানেই এখনো অনেকের কাছে কমিউনিস্ট,চীন থেকে Chi-Chi মানে এক পান্ডাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো কিন্তু মার্কিন প্রশাসন,পান্ডাটিকে কমিউনিস্ট জিনিস প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় না । ফলে একে বেশ কিছু দিন লন্ডনে রাখা হয়,ঐখানে পান্ডা বেশ লোকপ্রিয় হয়ে ওঠে; পরবর্তী কালে এই পান্ডাই স্থান পায় WWF- এর লোগো তে ।

কালো-সাদার মিশেলে এই প্রাণীটি, বড় আকৃতির হওয়া সত্বেও এদের খাবারের 99 শতাংশই হলো বাঁশ। মাংসসহ অন্য খাবার হজমের ক্ষষমতা থাকা সত্ত্বেও পান্ডার খাদ্যাভ্যাসের এমন আমূল পরিবর্তন হলো কেন? এর উত্তরটা লুকিয়ে রয়েছে এদের শরীরের কোশের বিপাকীয় কর্মকাণ্ডে।

প্রজাতির বিপন্নের মুখে থাকা পান্ডা পৃথিবীর আটটি ভালুক প্রজাতির মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রমী প্রজাতি , যা কার্নিভরাস অর্থাৎ মাংসাশী নয়। তবে পান্ডার পূর্বপুরুষ কিন্তু মাংস খেত। এখনো মাংসসহ অন্য খাবার হজমের ক্ষমতা আছে পান্ডার শরীরে।

Topkeydara In Darjeeling: A Lifeline For Endangered Red Pandas ...

তবুও এরা শুধুমাত্র বাঁশ খায়, যা হজম করা কষ্টসাধ্য আর এর পুষ্টিগুণ নেই বললেই চলে, পুষ্টিগুণ কম থাকায় পান্ডাকে বেশি করেই বাঁশ খেতে হয়। চীনের গবেষকরা বলছেন, পান্ডার কোশে বিপাক হার ধীর প্রকৃতির ও থাইরয়েড হরমোনের স্বল্পতার কারণেই এমন হয় ।

পান্ডার শরীরের গঠন, স্বভাব, হজম ক্ষমতা ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে গবেষণা করছেন একদল গবেষক । এর নেতৃত্ব রয়েছেন চীনের বেইজিংয়ের একাডেমি অব সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট অব জুলজির শিক্ষক ফুওয়েন উয়ি। গবেষক উয়ি বলেন, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, স্বভাব, মানসিকতা ও জিনগত পরিবর্তনের কারণে বৃহদাকৃতির পান্ডার কোশের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড ধীর হয়ে পড়েছে।

চীনের শানঝি প্রদেশের ফোপিং সংরক্ষিত প্রাকৃতিক অঞ্চলের তিনটি বন্য ও বেইজিং চিড়িয়াখানায় খাঁচায় রাখা পাঁচটি পান্ডার ওপর গবেষণা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা যায়, একই সমান আকৃতির অন্য প্রাণী যতটুকু শক্তি খরচ করে, পান্ডা খরচ করে তার অর্ধেকেরও কম—মাত্র 38 শতাংশ।

পান্ডার কোশের বিপাকীয় ক্রিয়া শ্লথ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো থাইরয়েড হরমোনের অতি স্বল্প ক্ষরণ। এছাড়াও ডিইউওএক্সটু নামক জিনে মিউটেশন অর্থাৎ পরিবর্তনের কারণে পান্ডার শরীরের থাইরয়েড হরমোনোর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। থাইরয়েড গ্রন্থি মেটাবলিজমের হার ও শক্তির উৎপাদন বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে।
শরীরের বিপাক হার ধীর হওয়ায় পান্ডা কিছুটা আলসে স্বভাবের হয় । শক্তি কম প্রয়োজন হয়, তাই অন্য খাবার হজমের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কম পুষ্টিগুণ বাঁশই পান্ডার প্রধান খাদ্য ।বাঁশের কঞ্চি ধরার জন্য জায়ান্ট পান্ডার পাঁচটি সাধারণ আঙুল ছাড়াও হাতের তালু ও কব্জির সংযোগস্থলে একটি বুড়ো-আঙুলের (বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের) মত অংশ দেখা যায়।

7 Nts Kalimpong Darjeeling Gangtok Pelling

এটি আঙুল নয়, বর্ধিত রেডিয়াল সিসাময়েড অস্থি মাত্র। বৃহৎ পান্ডার নিকট আত্মীয় লাল পান্ডা ও ভালুকেরও এ অঙ্গটি খানিকটা বড়, তবে এতটা না। এরা যে বাঁশ পাতা খাওয়ার জন্য পুরোপুরি বিবর্তিত নয় তার অন্যতম প্রমান এদের খাদ্যনালী।

তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্যনালী লম্বা হয় এবং পাকস্থলীর আগে অথবা বৃহদান্ত্রের সিকাম বা কোলনে আঁশ পাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার ব্যবস্থা থাকে। পান্ডার এর কোনটাই নেই। শুধুমাত্র অন্যান্য সমপ্রজাতির মত কেবল ছোট ক্ষুদ্রান্ত্র। তাই এদের খুব বেশি পরিমাণ বাঁশ পাতা খেতে হয়। এ কারণে এরা গাছ ছেড়ে মাটিতে কাটানোর সময় খুব কম পায়। একটা পূর্ণবয়স্ক পান্ডা প্রায় 35 থেকে 40 কেজি বাঁশপাতা খেয়ে থাকে প্রতিদিন।

গবেষণায় দেখা গেছে, বড় আকৃতির পান্ডা এমন খাবার গ্রহণ করে, যা এর প্রতিদিনের কাজের জন্য যতটুকু শক্তি দরকার, ঠিক ততটুকুই জোগান মিটায়। পান্ডা কাজকর্মে কতটা ধীরজ ও অলস প্রকৃতির , এই বিষয়ে গবেষকরা বলেন, দিনের অর্ধেক সময়ই পান্ডা বিশ্রামে কাটায়। এরা ঘণ্টায় সাকুল্যে গড়ে মাত্র 65 ফুট মতো (20 মিটার) হাঁটে।

কাজকর্ম বেশ কম হওয়ায় এর শক্তি প্রয়োজনও হয় কম। আর এর কোশের মধ্যকার কার্যক্রমও বেশ ধীর প্রকৃতির । শরীরবিদ্যা অনুযায়ী, অন্য ভালুকের প্রজাতির তুলনায় পান্ডার মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি তুলনামূলকভাবে ছোট। এ কারণেও শক্তি খরচ হয় কম। খাদ্য নয়, বরং ঘন লোম-এর আস্তরণ এদের শরীরকে উষ্ণ রাখে।

বিশ্ব বন্য প্রাণী (ডব্লিউডব্লিউএফ ) এর পরসংখ্যান অনুযায়ী , পৃথিবীতে বন্য অবস্থায় মাত্র এক হাজার আটশো বৃহদাকৃতির পান্ডা আছে।তবে গ্লোবাল ওয়ার্মিং তাদের জীবনপথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কুংফু পান্ডা’ সিনেমাটি নিশ্চয়ই অনেকেই দেখেছন।

শীতের আগেই ঢুঁ মেরে আসুন ...

সিনেমাটির প্রধান চরিত্র হলো ‘পো’ নামের একটি পান্ডা যে, ধীরে ধীরে কুংফু মাস্টারে পরিণত হয়। ক্যারাটে আর কুংফুর রকমারি সব ধরণ পো’র দখলে চলে আসে। তবে তার আগে পো কিন্তু খানিকটা গোবেচারা, লাজুক এবং বোকা একটি প্রাণী হিসেবেই সবার সাথে পরিচিত হয় এবং খুবই অলসও সে। খাওয়া-দাওয়া ছাড়া যেন আর কোনোকিছুরই গুরুত্ব নেই তার কাছে। কেবল পো নয়, আসলে সব পান্ডার এটাই বৈশিষ্ট্যই ।

কৃষি কাজ এবং বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্য বন-জঙ্গল ধ্বংস করে দেওয়ার কারণেই আর সব জায়গায় পান্ডারা বাস করতে পারে না। কারণ পান্ডারা বাসস্থল হিসেবে সেই বনগুলোকেই বেছে নেয় যেখানে বড় বড় পাতাওয়ালা গাছ থাকে।

এদের পা, ঘাড়, কান আর চোখের চারপাশ ঘন কালো লোমে আবৃত থাকে। এদের শরীরের বাকি অংশগুলো সাদা লোমে ভরা। এদের শরীরের ঘন লোম এদেরকে প্রবল শীত থেকেও রক্ষা করে। বিশাল শরীরের একেকটি পান্ডা দেখতে যেমন নিরীহ, তেমনি এরা ব্যবহারেও খুব নিরীহ। চীনে তাই পান্ডাকে ‘শান্তির প্রতীক’ হিসেবেও মনে করা হয়ে থাকে।

চীনের সাথে বন্ধুত্বের প্রতীকও পান্ডা ! তবে পান্ডা আগ্রাসী নয় এবং এরা সহজে নিজেরা কাউকে আক্রমণ না করলেও অন্যরা কেউ পান্ডাদের আক্রমণ করলে বা বিরক্ত করলে এরা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে। আকার আকৃতিতে পান্ডারা ছোট নয়। চার পায়ের ওপর দাঁড়ানো পূর্ণবয়সী একটি পান্ডার উচ্চতা 2 থেকে 3 ফুট পর্যন্ত আর দৈর্ঘ্যে 4 থেকে 6 ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে।

পুরুষ পান্ডারা তুলনামূলকভাবে মেয়ে পান্ডাদের চেয়ে বড়সড় হয়। পুরুষ পান্ডাদের ওজন তাই 250থেকে 300 পাউন্ড পর্যন্ত হলেও মেয়ে পান্ডাদের ওজন সর্বচ্চো 220 থেকে 230 পাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছায়। পান্ডারা সাধারণত 20 থেকে 30 বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচে। তবে মজার বিষয় হলো—চিড়িয়াখানায় থাকা পান্ডারা 35থেকে 40 বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

পান্ডারা এমনিতে মাংসাশী প্রাণীদের অন্তর্ভুক্ত হলেও এদের খাবারের ৯৯ শতাংশই হলো উদ্ভিদ । একেকটি পান্ডা প্রতিদিন গড়ে 25 থেকে 30 পাউন্ড বাঁশ খেয়ে থাকে! এত বিপুল পরিমাণ খাওয়ার জন্য দিনের প্রায় 16 ঘণ্টা সময়ই এদের কাটে খাওয়ার কাজে।

বাঁশ ছাড়াও কিছু লতাপাতা, ঘাস, ফলমূল, পোকা ইত্যাদিও খায় পান্ডা। চিড়িয়াখানাতে অবশ্য পান্ডাদের আখ, গাজর, আলু, আপেল এবং বিশেষ ধরনের বিস্কুটও খাওয়ানো হয়ে থাকে। তবে সেখানেও তাদের মূল খাবার বাঁশ।

ফলে সেইকারণেই চিড়িয়াখানাতে পান্ডাদের লালন-পালন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পান্ডারা তাদের দাঁতের মাধ্যমে বাঁশের ওপরের দিকের শক্ত আবরণ ছাড়িয়ে ভেতরের নরম অংশটি বের করে নিয়ে আসে খাওয়ার জন্য।

পান্ডাদের বাচ্চা প্রসব হয় সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে। একটি অথবা দুটি বাচ্চা একসাথে জন্ম নেয় পান্ডাদের। বাচ্চা জন্মগ্রহণের সময় ওজন হয় মাত্র 90 থেকে 150 গ্রাম। এসময় তাদের গায়ের রঙ থাকে গোলাপী। নবজাতক চোখে দেখতে পায় না, আবার এদের দাঁতও থাকে না। এরা কেবল মা পান্ডার বুকের দুধ খেয়েই বড় হতে থাকে।

দুই তিন সপ্তাহের মধ্যেই এদের শরীরের রঙ হয় ধূসর। জন্মের মাসখানেক পর এদের শরীরের রঙ বড় পান্ডাদের মতো হয়ে থাকে। আড়াই মাসের মধ্যেই শিশু পান্ডা হামাগুড়ি দিতে শেখে আর ছয় মাসের মধ্যেই অল্প অল্প করে বাঁশ খাওয়া শুরু করে পান্ডারা। এক বছর বয়সের মধ্যেই পান্ডার ওজন প্রায় 50 কেজি হয়ে যায়। জন্মের পর থেকে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত তারা মা পান্ডার অধীনেই থাকে।পান্ডাদের ঘ্রাণশক্তি অত্যন্ত প্রখর।World's Weirdest Cute Animals : Red Panda | Himalayan Zoological ...

একটি পান্ডা অন্য একটি পান্ডাকে চিনে থাকে তার গায়ের গন্ধ দিয়েই। তাছাড়া রাতের বেলাতেও খাবার বাঁশকে চিনে নিতে সে গন্ধের সাহায্য নেয়। এছাড়াও এরা নানারকম ডাকও দিতে সক্ষম। প্রায় 11 ধরনের ডাক পান্ডারা দিতে পারলেও এগুলোর কোনো অর্থ বিজ্ঞানীরা এখনো খুঁজে বের করতে পারেননি। পান্ডারা চার পায়ে চললেও কখনও কখনও মানুষের মতো করে দুই পায়ে দাঁড়াতে পারে।

যদিও পেছনের দুইটি পায়ে খুব বেশি জোর না থাকায় এরা বেশি সময় এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। এরা ভালো সাঁতারও জানে। আর গাছে চড়তেও বেশ পারদর্শী পান্ডারা। খেলা ধুলার অংশ হিসেবে এরা ঢাল বেয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে। আবাসস্থল কমে আসার কারণে পান্ডাদের সংখ্যাও দিন দিন পৃথিবী থেকে কমে যাচ্ছে।
2008 সালের এক সমীক্ষায়, বিশ্বব্যাপী মাত্র দেড় হাজারের কিছু বেশি পান্ডা জীবিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পান্ডাদের সংখ্যা যেভাবে কমতে শুরু করেছে, তাতে করে হয়তো আর দুই-তিন দশক পরে পান্ডাদের দেখা পাওয়াই মুশকিল হয়ে যাবে।

লাল পান্ডা সম্পূর্ণ ভিন্ন,অনেকেই এদের মিলিয়ে ফেলেন l লাল পান্ডা যার বিজ্ঞান সম্মত নাম Ailurus fulgens যা ক্ষুদ্র পান্ডা এবং কিছু স্থানীয় ভাষায় এরা লাল ভাল্লুক নামেও পরিচিত, এদের প্রধানত দেখা মেলে হিমালয় অঞ্চলে এবং দক্ষিণ চিন অঞ্চলে। এদের সংখ্যা 10000 এরও অনেক কম এবং সংখ্যা কমে আসার প্রধান কারণ হল বাসস্থানের ক্ষতি হয়ে এদের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, চোরাশিকারীর উৎপাত, প্রজননের বিষন্নতা ইত্যাদি।

যদিও বর্তমানে লাল পান্ডারা কঠোর আইন দ্বারা সুরক্ষিত থাকে ।

পান্ডাদের নিয়ে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য :

1) চীনে পান্ডাদের ‘শান্তির প্রতীক’ হিসেবে মনে করা হয়।

2) পান্ডার শরীরের সাদা ও কালো রঙকে চীন দেশে বিশ্বব্যাপী সমতার প্রতীক মনে করা হয়।

3) 20 থেকে 30 লক্ষ বছর ধরে পৃথিবীতে রয়েছে পান্ডারা।

4) পান্ডার শরীরের হাড়ের ওজন একই আকৃতির অন্য প্রাণীদের হাড়ের তুলনায় দ্বিগুণ।

5) হাঁটার সময় পান্ডার সামনের পায়ের আঙুলগুলো পেছনের দিকে মুখ করে থাকে।

6) পান্ডাদের গায়ের লোম দেখতে নরম মনে হলেও এগুলো বেশ রুক্ষ। পূর্ণবয়স্ক পান্ডাদের গায়ের লোম      4 ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়।

7) পান্ডাদের 42 টি দাঁত থাকে। মানুষের মতোই এদের দাঁতও সাজানো থাকে দুই সারিতে।

8) পান্ডারা গ্রীষ্মকালে 4 হাজার মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে যেতে পারে।

9) পান্ডাদের লেজের পেছনে একটি গ্রন্থি থেকে বিশেষ ধরনের গন্ধযুক্ত তরল নিঃসৃত হয়। লেজের মাধ্যমে এই তরল দিয়ে পান্ডা এলাকা চিহ্নিত করে থাকে।

10) পান্ডারা প্রবল শীতে গাছের কোটর বা গুহায় আশ্রয় নেয়।

সৌভিক রায়

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 4

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

গুইসাপ

5 (4) এক সরীসৃপের গল্প: সরীসৃপ বলতেই প্রথমেই আমাদের কেমন এক গা ছম ছমে ব্যাপার !নাম টা শুনলেই ভয় কিন্তু সরীসৃপ এক নিরীহ শ্রেণীর প্রাণী বই অন্য কিছু না; সেই সুকুমার রায়ের বাবুরাম সাপুড়ে তো আমাদের সবার মনে আছেই,কিন্তু আজ বলবো অন্য সাপের কথা যার হাত পা চোখ সব আছে,তবে […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: