অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা দূর করার উপায়

poribes news
0
(0)

সারাবিশ্বে জুড়ে অস্তিত্ববান এমন কিছু রােগ ও অসুখের উপসর্গ আছে, যার প্রবল প্রকোপ, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের সমস্যা। যেমন-কুষ্ঠ , পােলিও, পুষ্টিজনিত সমস্যার মধ্যে লােহার অভাব বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশ্বের দেশগুলি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এই সমস্যা ব্যাপক। লোহার অভাবের কারণ মূলত সুষম খাদ্যের অভাব।

ভারতবর্ষের মানুষের খাদ্য গ্রহণ বড়ই বিচিত্র। প্রাকৃতিক পরিবেশ, ধর্মীয় নিদান, কুসংস্কার ইত্যাদি দৃষ্টিভঙ্গি খাদ্য গ্রহণে প্রভাব বিস্তার করে। ফলে বিজ্ঞান সম্মত দৃষ্টিভঙ্গিকে সব সময় খাদ্য গ্রহণের ওপর
সরাসরি প্রভাব ফেলে; তাই গরীব মানুষের খাদ্যাভাবের জন্য অপুষ্টিতে ভােগেন। এর সাথে যুক্ত হয় অশিক্ষার প্রভাব। খাদ্য বস্তু ও তার খাদ্য গুন সম্পর্কিত স্বাস্থ্যসম্মত জ্ঞানের অভাবেও হাতের নাগালের মধ্যে থাকামলৌহঘটিত খাবার নিছক অজ্ঞতার কারণে  মানুষ খায় না; ফলস্বরূপ অপুষ্টি ও তৎসম্পর্কিত উপসর্গ সমূহ আমাদের মধ্যে দেখা যায়।

Anemia : Overview, Symptoms, Causes, Types, and Dietary Guidelines ...

মানবদেহে যে সমস্ত মৌল থাকে তার দিকে একবার চোখ বোলানাে যাক। শতকরা হিসেবে উপস্থিত অক্সিজেন ৬৫%, কার্বন১৮%, হাইড্রোজেন ১০%, নাইট্রোজেন ৩%, ক্যালসিয়াম ২%, ফসফরাস ১.১%। এরপর কিছু মৌল আছে যেগুলাে শতাংশের হিসেবে সকলেই একের নিচে। যেমন পটাসিয়াম ৩·৩৫%, সালফার ০.২৫%, সোডিয়াম ০.১৫%, ক্লোরিন ০.১৫%, ম্যাগনেসিয়াম ০.০৫%, লােহা ০.০০৪%,
ম্যাঙ্গানিজ ০·০০০১৩ %, আয়োডিন ০,০০০০৪ শতাংশ। লক্ষ্য করুন প্রথম যে ছয়টি মৌলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারাই দেহের ওজনের ৯৯ শতাংশই দখল করে বসে আছে। পরের গুলি সব মিলিয়ে এক
শতাংশেরও কম। এবং এখানেই শেষ নয় আরও অন্তত কুড়িটি মৌল আছে যাদের পরিমাপ সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায় না।

যদিও এদের অস্তিত্ব মাঝে মধ্যে ধরা যায়। এদের মধ্যে আছে জিঙ্ক, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যাডমিয়াম, ব্রোমিন, বােরন, সেলিয়াম ইত্যাদি। লােহার পরিমাণ শরীরে মাত্র ০.০০৪% অর্থাৎ ওজন হিসেবে যা উপস্থিত মাত্র হাজার ভাগের চার ভাগ হিসেবে, তার অভাবেও সৃষ্টি হতে পারে অ্যানিমিয়া নামক রােগের একটি উপসর্গের।

অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা (Anemia) কি ?

অ্যানিমিয়াকে বাংলায় বলে ‘রক্তাল্পতা’। রক্তাল্পতায় শরীরের রক্ত কমে যায়—এরকম একটা ধারণা আছে। কিন্তু সেটি ভুল। ভুল ধারনাটা হয়েছে বােধকরি ‘রক্তাল্পতা’ (রক্ত+অল্পতা) শব্দটাকে নিয়ে। আসলে
রােগটার প্রকোপে পড়লে কিন্তু শরীরের রক্ত কমে যায় না বা অল্প থাকে না, কমে যায় রক্তের মধ্যে থাকা লােহিত কনিকা অথবা হিমােগ্লোবিন নামক শ্বসন সহায়ক রঞ্জন পদার্থের সংখ্যা অথবা দুটোই।

মানুষের রক্ত রক্তরস ও রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। রক্তকণিকা তিন ধরণের, তারমধ্যে লােহিত কণিকা একটি। ‘হিম’ নামক লৌহঘটিত রঞ্জক পদার্থ ও ‘গ্লোবিন’ নামক প্রােটিন দিয়ে গঠিত হয় ‘হিমােগ্লোবিন’—যা লােহিত কণিকায় দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে এবং যে জন্য রক্তের রং হয় লাল।

একজন সুস্থ প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ লােকের প্রতি ঘনমিলি মিটার রক্তে ৫০ লক্ষ ও একজন প্রাপ্ত বয়স্ক স্ত্রী লােকের প্রতি ঘন মিলি মি. রক্তে ৪৫ লক্ষ লােহিত কণিকা থাকে। লােহিত কণিকা রােজ স্বাভাবিক নিয়মে আমাদের শরীরে কিছুটা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর সমপরিমাণে তৈরি হয়ে যায়।

অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা কারণ

অর্থাৎ সুস্থ মানুষের রক্তের লােহিত কণিকা তথা হিমােগ্লোবিনের সংখ্যা সব সময় একটা নির্দিষ্ট মাত্রাতেই থেকে যায়। স্বাভাবিকভাবে, লােহিত কণিকার সাথে হিম্যেগ্লোবিনের সংখ্যা সাম্য অবস্থার তুলনায় ধ্বংস বেশি হলে বা তৈরি কম হলেই দেখা দেবে রক্তাল্পতা। তাই রক্তাল্পতা বন্ধ করতে হিমােফ্লোবিনের মাত্রা সঠিক রাখতে হবে অথবা শরীরের রক্ত কোন কারণে বেশি মাত্রায় যাতে বেরিয়ে না যায়, তা বন্ধ করতে হবে। এটা করা যেতে পারে উপযুক্ত খাদ্য নির্বাচনে এবং অভিজ্ঞ ডাক্তারের চিকিসা ও পরামর্শে।

হিমােফ্লোবিন তৈরির জন্য দরকার লৌহঘটিত যৌগ আর লােহিত কণিকা তৈরিতে দরকার ভিটামিন ‘বি’১২, (সায়ানােকোবালমিন) ও ফোলিক অ্যাসিড। এদের কোন একটা ঘাটতি হলে এক এক ধরণের
অ্যানিমিয়া হবে। আবার ভিটামিন ‘বি১২’ এর ঘাটতিতে যে অ্যানিমিয়া হবে, ভিটামিন ‘বি১২’ ও ফেলিক অ্যাসিড দুটোরই ঘাটতিতে অ্যানিমিয়া হবে অন্য ধরণের।

আমাদের দেশে ভিটামিন ‘বি১২’ ঘাটতিজনিত রােগীর সংখ্যা খুবই কম। যেটা বেশি দেখা যায়, তা হল লােহার ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়া এবং ফোলিক অ্যাসিড় ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়া। তবে প্রকোপ সবচেয়ে বেশি প্রথমটির।

মা ও মেয়েদের অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা

ভারতীয় উপমহাদেশ সহ পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ (সব বয়সের স্ত্রী-পুরুষ) লােহার অভাবজনিত পৌষ্টিক রক্তাল্পতার শিকার। গর্ভাবস্থায় এটি সাধারণ ও গুরুতর অসুখ। গর্ভস্থ শিশু তার দেহের গঠন ও বৃদ্ধির জন্য পুষ্টি সংগ্রহ করে মায়ের শরীর থেকে। তাই এই সময় মায়ের স্বাভাবিকের থেকে অতিরিক্ত পুষ্টির দরকার হয়। না হলে মা অপুষ্টি ও রক্তাল্পতায় ভুগবেন।Anemia in Pregnancy, Iron Deficiency, Anemia symptoms

 

এছাড়া আমাদের দেশের যেসব মেয়েরা সাধারণত অপুষ্টি ও রক্তাল্পতার শিকার হােন, গর্ভাবস্থায় তা বেড়ে যায়। এর প্রতিকারের জন্য ভাবী মাকে উপযুক্ত খাবার ও নিয়মিত লােহা ও ফোলিক অ্যাসিড গ্রহণ করে যেতে হবে। প্রতিদিন শরীরে লাল কণা ও হিমােগ্লোবিন ধ্বংস হয়ে যে যৌগ পাওয়া যায় সেটাই আবার নতুন হিমােগ্লোবিন তৈরিতে ব্যবহার হয়। যেটুকু লােহার লবন শরীর থেকে বের হয়ে যায় (প্রায় ১ মিলি গ্রাম) তা স্বাভাবিক খাবার থেকে পুষিয়ে যায়।

মহিলাদের ঋতুস্রাবের সময়, গর্ভধারণের সময় বা ঘন ঘন সন্তান প্রসবকালে, যেকোন মানুষের নিয়মিত অর্শপাতে,নানা ধরণের পেট খারাপে শরীর থেকে রক্তের সাথে হিমােগ্লোবিন তথা লােহা বেরিয়ে যায়। আমাদের শরীরে এক গ্রাম লােহা সঞ্চিত থাকে ভবিষ্যতে প্রয়ােজনের জন্য। দেহ থেকে লােহা বেরিয়ে যাবার পর সঞ্চিত লােহার খরচ হতে থাকে।

কৃমির জন্য অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা

এই খরচ আরাে দীর্ঘায়িত হলে হিমােগ্লোবিন সংশ্লেষণ বন্ধ হয়, দেখা দেয় রক্তাল্পত। এছাড়া লোহার
ঘাটতির আরেক কারণ হক কৃমির প্রকোপ। এদের প্রভাবে গ্রামে গঞ্জে ছােট বড় বেশির ভাগ সুস্থ মানুষই রক্তাল্পতায় ভােগে। অধিকাংশ মানুষ মাঠে ঘাটে মলত্যাগ করে। মলের সাথে নির্গত হক কৃমির ডিমের
লার্ভা পায়ের চামড়া ভেদ করে রক্তনালী বেয়ে ফুসফুসে পৌঁছয়। সেখান থেকে কাশির সাথে শ্বাসনালী বেয়ে গলায় আসে। আর খাদ্যের সঙ্গে পাকস্থলী হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে পৌঁছায়। ক্ষুদ্রান্ত্রের শ্লোষ্মাঝিল্লি কামড়ে
ধরে এৰা রক্ত শোষণ করে আর রক্তক্ষরণ ঘটায়। পথে-ঘাটে, ক্ষেতে খামারে গ্রামের মানুষেরা খালি পায়ে হাঁটেন বলে এই রােগ তাদেরই বেশি। সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞানের অভাবে এটি ঘটে থাকে।

অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা দূর করার উপায়

এখন প্রশ্ন হল, যেকোন লােহা সমৃদ্ধ খাবার খেলেই কি রক্তাল্পতা থেকে অব্যাহতি পাবো ? প্রতিদিন আমরা যেসব খাবার খাচ্ছি, তার মধ্যেই কিছুটা পরিমানে লােহার লবনের অস্তিত্ব আছে। তবে এই খাবার খেলেই যে কাজে লাগবে এ নিশিচত নয়।

আপনি কী ধরণের খাবার খাচ্ছেন (আমিষ না নিরামিষ) তার ওপরেই নির্ভর করছে ওই লােহা শরীরে গৃহীত হবে কিনা। আমাদের প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিলি গ্রাম লােহার দরকার। খাবারে যে লােহা থাকে তা দু’ধরণের।একটি ‘হিম’ গােত্রের আর অন্যটি ‘নন হিম’ গােত্রের। ‘হিম’ গােত্রের লােহাই (যা হিমােগ্লোবিন তৈরিতে কাজে লাগে) শরীরে শােষিত হয়ে সহজে রক্তে মিশতে পারে। সাধারণত আমিষ জাতীয় খাবারে এগুলাে মেলে। যেমন—মাছ, মাংস, ডিমের কুসুম, মেটুলি।

এছাড়া হিমের বড় উৎস হিমােগ্লোবিন সরাসরি এদের থেকে পাচ্ছি। আবার যেসব খাবারের উৎস উদ্ভিদ, তাদের লােহার যৌগ হল ‘নন হিম’ গােত্রের। সবুজ শাকসজি, শস্যদানা, শুকনাে ফল জাতীয় খাবার, গুড়, মুড়ি,চিড়ে ইত্যাদি সবেতেই যে হিম থাকে তা সাইটোজোম অণুর মধ্যে থাকে এবং এটি খাবার দাবারের ফাইটেট, অক্সালেট, কার্বোনেট বা খাদ্যতন্তুর জন্য অন্ত্রে শােষিত না হয়ে বেশির ভাগটাই মলের সাথে
বেরিয়ে যায়।

আমিষ খাবার থেকে যেখানে শতকরা ২০ থেকে ৩০ ভাগ লােহা শরীরে শােষিত হয়, সেখানে নিরামিষ খাবার থেকে মাত্র ২ শতাংশ থোড়, কঁচকলা নন হিম গােত্রের উদ্ভিদ খাবার। উপরন্তু এই দুটোতে যে পরিমাণ লােহা আছে তা অন্যান্য উদ্ভিদ খাদ্যের (যে সব খাবার রােজ খাই) চেয়ে অনেক কম।

নীচের সরণী দেখলেই বুঝবেন। সুতরাং ‘অ্যানিমিয়া হলে থােড়, কাঁচকলা খাও’—এই যে কথা, বাপ-মা-ঠাকুমার কাছ থেকে শুনতে শুনতে মনের মধ্যে একটা ধ্রুবসত্য হিসেবে মনের মধ্যে গেঁথে গেছে, তা একেবারেই ভুল। তাই রক্তল্পতা ঠেকাতে নিয়মিত আমিষ খাবার খেতেই হবে। থােড়, কাঁচকলা বা নিরামিষ খাবারে হবে না।

অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতায় ভিটামিন

খাদ্য থেকে লােহা শােষণ নিয়মিত করতে হলে ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার (যেমন—পাতিলেবু,
কমলালেবু, আমলকি, পেয়ারা, অঙ্কুরিত ছােলা, লঙ্কা, টমেটো ইত্যাদি) খেতেই হবে, না হলে হবে না। কারণ ভিটামিন ‘সি’ শরীরে লােহা শােষণে সাহায্য করে।

মা ও শিশুর অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা দূর করার উপায়

চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সব শিশুকে টানা মাতৃদুগ্ধ খাওয়াতে হবে। শিশুর প্রয়ােজনীয় লৌহ ধাতব মাতৃদুগ্ধই মেটাতে পারে। মাতৃদুগ্ধে লােহার পরিমাণ খুব কম হলেও তার দুই- তৃতীয়াংশ অন্ত্র থেকে শিশুর দেহে সহজে শােষিত হয়।খাদ্য প্রসঙ্গে একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, লৌহ সমৃদ্ধ বা মিশ্রিত খাদ্য খেলে সুস্থ মানুষদের দেহে রক্তাল্পতার প্রাদুর্ভাব ঠেকানাে যায় কিন্তু আক্রান্ত রােগীর চিকিৎসা হয় না। এর জন্য দরকার আলাদা লৌহ সম্পূরক যেমন IFA ট্যাবলেট (Iron, Folic Acid)। গর্ভবতীদের এই বড়ি প্রতিদিন জরুরি। মুখে ওষুধ ব্যবহার করে রোগের উপশম না হলে মাংসপেশিতে ইঞ্জেকশনের সাহায্যে লােহা নিতে হবে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরী।

বক্তাল্পতা মানেই যে মারাত্মক রােগের কারণে হয়েছে, এই ভেবে দুশ্চিন্তা না করে উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে বেশিরভাগে ক্ষেত্রে রােগ সেরে যায়। রক্তাল্পতা ভারতের একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা যে সমস্যা নিয়ে মানুষ এখনও অন্ধকারে থেকে গেছে। ভারত সরকার লােহার যৌগ ও ফোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবারের মাধ্যমে রক্তাল্পতা প্রতিরােধকল্পে এক বিশাল কর্মসূচী চালু করেছে।

প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষ ও নিরামিষ।
      খাদ্যে লােহার তালিকা।

কাচকলা                                ০.৬ মিলি গ্রাম

মুড়ি                                       ৬.৬ মিলি গ্রাম

নটে শাক                                ২৫.৫ মিলি গ্রাম

শুকনাে খেজুর                      ৭.৫ মিলি গ্রাম

গরুর দুধ                                ০.২ মিলি গ্রাম

কলা                                        ০.৯ মিলি গ্রাম

আখরোট                                ৪.৮ মিলি গ্রাম

রুই মাছ                                  ১.০ মিলি গ্রাম

চিংড়ি মাছ                             ৫.৩ মিলি গ্রাম

মুরগীর ডিম                          ২.১ মিলি গ্রাম

থোড়                                     ১.১ মিলি গ্রাম

চিড়ে                                    ২০.০ মিলি গ্রাম

সেদ্ধ চাল                              ১১.৪ মিলি গ্রাম
কাজু বাদাম                         ৫.০ মিলি গ্রাম

সয়াবিন                                ১১.৫ মিলি গ্রাম

আপেল                                ১.০ মিলি গ্রাম

বােয়াল মাছ                        ৬২.০ মিলি গ্রাম

শিঙ্গি মাছ                          ২.৩ মিলি গ্রাম

ইলিশ মাছ                          ২.১ মিলি গ্রাম

হাঁসের ডিম                      ৩.০ মিলি গ্রাম

লেখকঃ তুষার কান্তি গলুই

লেখাটি বিজ্ঞান অন্বেষক এর বর্ষ-৮,সঙ্খ্যা ১,জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী-২০১৪ থেকে সংগৃহীত।

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

ভারতের ইতিহাসে বিজ্ঞান (মধ্যযুগ)

0 (0) ভারতের তথাকথিত ইতিহাস বই-এ গণিতবিদ আর্যভট্ট কিংবা রসায়নবিদ নাগার্জুনের বৈজ্ঞানিক প্রতিভার পরিচয় ছাত্র-ছাত্রীরা পায় না। কিন্তু বিজ্ঞানের ইতিহাসে ভারতের বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে তাদের অবদান আছে। মধ্যযুগ পর্যায়ে ভারতের ইতিহাসে বিজ্ঞান চর্চার উপর সংক্ষেপে আলােকপাত করা হল বর্তমান নিবন্ধে। ১২০০ থেকে ১৮০০ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে মধ্যযুগ বলা যেতে পারে। ত্রয়ােদশ […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: