বৈজ্ঞানিক নাম বা দ্বিপদ নামকরণ

poribes news 2

নাম তো শুনাহি হোগা ! পৃথিবীর প্রত্যেকটি জিনিসের এমনকি মানুষের পর্যন্ত নিজস্ব একটি নাম ছাড়াও একাধিক নাম থাকে । সেই নামে অন্য মানুষ তাকে না চিনতেও পারে,আবার নির্দিষ্ট কিছু মানুষের কাছে সেই নামেই সে  পরিচিত । দেবতারাও এই নামের বাহুল্যতার শিকার । ১০৮টি নামের মাঝে তাঁদের ভক্তকূলও বিভ্রান্তিতে ! কিন্তু […]

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  
3.9
(16)

নাম তো শুনাহি হোগা !
পৃথিবীর প্রত্যেকটি জিনিসের এমনকি মানুষের পর্যন্ত নিজস্ব একটি নাম ছাড়াও একাধিক নাম থাকে । সেই নামে অন্য মানুষ তাকে না চিনতেও পারে,আবার নির্দিষ্ট কিছু মানুষের কাছে সেই নামেই সে  পরিচিত । দেবতারাও এই নামের বাহুল্যতার শিকার । ১০৮টি নামের মাঝে তাঁদের ভক্তকূলও বিভ্রান্তিতে ! কিন্তু আমাদের সাধারণ একটি পদ্ধতিতে নামকরণ করতেই হবে নয়তো ভ্রান্তি কিছুতেই কাটবে না । জীব জগতের সদস্যদের ক্ষেত্রে নামাঙ্কন হতে হবে বিজ্ঞান সচেতনতার কথা মাথায় রেখে আর নামকরণের পদ্ধতিটিকে হতে হবে বিজ্ঞানসম্মত ।
সুভাষ চন্দ্র বোস, নেতাজি নামে জগৎ বিখ্যাত ! আবার তিনিই কোথাও মহম্মদ জিয়াউদ্দিন ,জিয়াউদ্দিন খান আবার কথনো তিনি অর্ল্যান্ডো মেট্টোজা কিন্তু আসলে মানুষটি আমাদের নেতাজি । ঠিক তেমনই উদ্ভিদ বা প্রাণী বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন আমরা বাঙালিরা যাকে বলি ‘ধান’ , ওড়িশায় তাকে বলা হয় ‘ধানা’ , বিহারে ‘চাউল’ , মাদ্রাজে ‘নিলু ইংরেজিতে প্যাডি। বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর যদি একটি নাম থাকত তাহলে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিকদের মতবাদ আদান-প্রদানে অনেক সুবিধা হত। শনাক্তকরন প্রক্রিয়া অনেক সহজ হতো । এই প্রয়োজনীয়তা থেকেই সৃষ্টি করা হয় দ্বিপদ নামকরন নামের এক বিশেষ নামকরণ পদ্ধতির ।

জীব সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে এবং জীবের শনাক্তকরণের জন্য প্রতিটি প্রজাতির জীবের একটি করে বৈজ্ঞানিক নামের প্রয়োজন হয় । জীবেদের বৈজ্ঞানিক নাম করনের পদ্ধতি ও নিয়ম সম্বন্ধে ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ক্যারোলাস লিনিয়াস ই-প্রথম দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রচলন করেন।
পৃথিবীজুড়ে বিজ্ঞানীরা জীবের নামকরণের জন্য একটি সাধারণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন, এই পদ্ধতিটি  বৈজ্ঞানিক নামকরণ বা দ্বিপদ নামকরণ হিসাবে পরিচিত ।

এই দ্বিপদ নামকরণ ব্যবস্থায় দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশটি গণ এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি। যেমন: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens. একত্রে জীবের জেনোসের নাম ও প্রজাতির নামকে বৈজ্ঞানিক নাম বলা হয়।(Homo হলো গণ এবং sapiens হলো প্রজাতি )

দ্বিপদ নামকরণ এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব এবং অন্যান্য জীবন্ত প্রাণীদের সহ পৃথক পৃথক বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়। এই বৈজ্ঞানিক নামগুলি অনন্য এবং বিশ্বের যে কোনও জায়গায় জীব শনাক্ত করতে এবং তার সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে।

বৈজ্ঞানিক নামকরণ বা দ্বিপদ নামকরণ-এর জনক : ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম এই পদ্ধতিটি প্রবর্তন করেছিলেন। তাকে আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে বিবেচনা করা হয় । দ্বিপদ নামকরণ ব্যবস্থা আবিষ্কার করার জন্য তাঁকে দ্বিপদ নামকরণের জনক বলা হয় । তিনি ছিলেন একজন সুইডিস প্রাণী ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসক ।

বৈজ্ঞানিক নামকরণ বা দ্বিপদ নামকরণ কি ?

আন্তর্জাতিক নিয়মাবলী অনুযায়ী প্রথমে গণ পরে প্রজাতির নাম দুটি পদে যুক্ত করে জীবের নামকরণের পদ্ধতিকেই দ্বিপদ নামকরণ বা binominalclature বলে।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, Mangifera indica’ হলো আমের বৈজ্ঞানিক নাম। এক্ষেত্রে ম্যাঙ্গিফেরা (Mangifera) হলো আমের গন বা জেনাস এবং ইন্ডিকা (indica) হলো আমের প্রজাতি ।
দ্বিপদনামকরণের নিয়ম নির্ধারণ : আন্তর্জাতিক সংস্থা , ICBN (ইন্টারন্যাশনাল কোড অফ বোটানিক্যাল নোমেনক্লেচার) ও ICZN (ইন্টারন্যাশনাল কোড অফ জুলজিক্যাল নোমেনক্লেচার) যথাক্রমে উদ্ভিদ ও প্রাণীদের ক্ষেত্রে নামকরণের নিয়ম তৈরি করে।১৯৩০ সালের অধিবেশনে প্রথম এই নিয়ম প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয় ও নিয়মাবলী নিয়ে নির্ধারণ করা হয় এবং ICBN সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৬৬সালের অধিবেশনে গৃহীত হয় ।

নামকরেনের ভিত্তি হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে “INC” যেখানে । অর্থাৎ আইডেন্টিফিকেশন বা শনাক্তকরন, N অর্থাৎ নোমানক্লেচার বা নামকরণ এবং C অর্থাৎ ক্লাসিফিকেশন অর্থাৎ শ্রেণীবিভাগ,এই তিন স্তম্ভের উপর নির্ভর করেই দাঁড়িয়ে আছে আমাদের জীববিদ্যা ।

বৈজ্ঞানিক নামকরণ বা দ্বিপদ নামকরনের নিয়ম গুলি হল :

১)প্রতিটি প্রজাতির একটি মাত্র বিজ্ঞানসম্মত দ্বিপদ নামকরণ থাকবে। যার দুটি অংশ থাকে প্রথমটি       গণের     নাম এবং পরেরটি প্রজাতির নাম ।

২)দ্বিপদ বিশিষ্ট বৈজ্ঞানিক নামটি কে সর্বদা ল্যাটিন ভাষায় হবে।অন্য ভাষায় নাম সিদ্ধ নয় ।

৩)গণের নামকরণে একটিমাত্র পদ ব্যবহৃত হবে এবং এর প্রথম অক্ষর টি বড় হরফে লিখতে হবে। অন্যদিকে প্রজাতির নামটিও একটি মাত্র পদ বিশিষ্ট হবে এবং এক্ষেত্রে প্রথম অক্ষর টি ছোটো হরফে লিখতে হবে । যেমন ‘Mangifera indica’ এর ক্ষেত্রে ‘M’ বড়ো হরফে এবং ‘i’ ছোট হরফে লেখা হয়।

৪) বিজ্ঞানসম্মত নাম বাঁকা হরফে (italics) লিখতে হবে। অন্যথায় গণ ও প্রজাতি কে পৃথক পৃথকভাবে নিম্নরেখ (underline) করতে হবে।

৫) যে বিজ্ঞানী নামকরণ করেছেন, দ্বিপদ নামের শেষে তার পুরো নাম, সংক্ষিপ্ত নাম বা নামের আদ্যক্ষর লেখা উচিত। উদাহরণ: Panthera leo Linn. (Linn হলেন আবিষ্কারক লিনিয়াস )

৬)নামকরণের বিধি অনুযায়ী, লিনিয়াসের ‘স্পিসিজ প্লান্টারুম’ এর প্রকাশকাল অর্থাৎ ১৭৫৩ সালের আগে কোন উদ্ভিদের নাম গ্রহণযোগ্য হবে না। তেমনি লিনিয়াস এর লেখা ‘সিস্টেমা ন্যাচুরি’ অর্থাৎ ১৭৫৮-এর দশম সংস্করন এর প্রকাশকাল এর আগে কোন প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম গ্রহণযোগ্য হবে না ।

৭) কোনো একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর গণের নাম একই হতে পারে l সেক্ষেত্রে এই প্রথা যতদূর সম্ভব বর্জন করাই শ্রেয় ।

৮) কোনো গোত্রের অন্তর্ভুক্ত একাধিক গণ বা একই গণের অন্তর্ভুক্ত একাধিক প্রজাতির নাম ভিন্ন হবে ।

৯) উপপ্রজাতির নাম থাকলে সেক্ষেত্রে জীবের নামটি হবে ত্রিপদযুক্ত এবং ওই তৃতীয় পদটি উপপ্রজাতির নাম বর্ণনা করে l

১০) যদি কোনো জীবের একাধিক নাম থেকে থাকে,বা একাধিক জীবের নাম যদি একই হয়ে থাকে; তবে সর্বপ্রথম দেওয়া নামটি গৃহীত হবে l একে অগ্রাধিকার আইন বলা হয় l এক্ষেত্রে ১৭৫৩-এর পূর্বে দেওয়া নাম গ্রাহ্য হবে না ।

১১) জীবের বর্ণনা এবং নামকরণ কোনো বিশিষ্ট বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশ করতে হবে,যার ফলে বিশ্বের বিজ্ঞানীমহল উক্ত জীবটি সম্পর্কে জানতে পারে ।

১২) সর্বোপরি সংশ্লিষ্ট জীবের নমুনা সংরক্ষণে রাখতে হবে, সংরক্ষিত অংশ টাইপ স্পেসিমেন নামে পরিচিত ।

১৩)কোনো প্রজাতির নাম পরিবর্তন বা সংশোধন করা হলে প্রথম আবিষ্কর্তার নাম বন্ধনীর মধ্যে রাখা হবে এবং নতুন বিজ্ঞানীর নাম বন্ধনীর পরে থাকবে l যেমনঃ Albizzia lebbeck (linn.) Benth .

১৪) গোত্র বা উপগোত্রের নামকরণ সাধারণত কোনো গুরুত্বপূর্ণ নাম অনুসারে হয়ে থাকে l যেমনঃ গণ Aster থেকে Asteraceae ।

দ্বিপদ নামকরণের গুরুত্ব :

১)দ্বিপদ নামকরণের ফলে, পৃথিবীর যেকোনো দেশের বিজ্ঞানীরা কোন একটি জীবকে একটি নির্দিষ্ট নামে অতি দ্রুত এবং অতিসহজে চিনে নিতে পারেন।

২) জীবের নামকরণের কোন পরিবর্তন হলে তৎক্ষণাৎ তারা সেই বিষয়ে জানতে পারেন।

৩) বৈজ্ঞানিক নামের ফলে অনুরূপ বৈশিষ্ট্যযুক্ত ও একই গণভুক্ত জীবের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক প্রভৃতি নির্দেশ করা ক্রমশঃ সহজ থেকে সহজতর হয়েছে । বৈজ্ঞানিক নামের ফলে সমগ্র বিশ্বজুড়ে জীবটিকে একই নামে জানে, যার ফলে এটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়।বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী জীবের বা নির্দিষ্ট বংশের বিভিন্ন প্রজাতির জীবের পৃথক পৃথক নামকরণ করা যায় । বৈজ্ঞানিক নামে গণের নাম সর্বদা একটি বড় অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এবং প্রজাতির নাম সর্বদা একটি ছোট অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।যার ফলে জীবের গণ চিনে তার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা যায় ।

৪) একটি নির্দিষ্ট জীবের শ্রেণীবিন্যাস, বিশেষ বৈশিষ্ট্য, অর্থনৈতিক এবং ব্যাবহারিক গুরুত্ব, অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বৈজ্ঞানিক নাম আবশ্যক।

বিজ্ঞানসম্মত নামকরণের উদাহরণ নিচে দেওয়া হল।

বাংলা ইংরেজি উচ্চারণ বৈজ্ঞানিক নাম
মানুষ man হোমো স্যাপিয়েন Homo Sapien
কুকুর Dog ক্যানিস ফ্যামিলিয়ারিস Cannis Familiaris
হরিণ Deer আর্টিওডাকটিল কার্ভিডা Artiodactyl cervidae
ডলফিন Dolphin ডেলফিনিডা ডেলফিস Delphinidae delphis
হাতি Elephants প্রোবোসিডা এলিফ্যান্টিডা Proboscidea elephantidae
Fox ক্যানিস ভালপিস Cannis vulpes
ব্যাঙ Frog আনুরা রানিডা Anura ranidae
জিরাফ Giraffe জিরাফা কামালোপারাদালিস Giraffa camalopardalis
জায়ান্ট পান্ডা Giant Panda অ্যাইলুরোপোডা মেলানোলিউসা Ailuropoda melanoleuca
ছাগল Goat কাপরা হিরকাস Capra hircus
সিংহ Lion প্যান্থেরা লিও Panthera leo
ঘোড়া horse ইক্কুস ক্যাবালাস Eqqus caballus
জেব্রা Zebra ইকুইডা বারশেলি Equidae burcheli
খরগোশ Rabbit ল্যাপোরিডা কুনিকুলাস Leporidae cuniculas

 

ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম

বাংলা নাম ইংরেজি নাম বৈজ্ঞানিক নাম
জুঁই Jasmine Jasminum
গোলাপ Rose Rosa
পদ্ম Lotus Nelumbo nucifera
গাঁদা ফুল Marigold Tagetes
সূর্যমুখী Sunflower Helianthus annuus
চন্দ্রমল্লিকা Chrysanthemum Chrysanthemum sp.
মাশরুম Mushroom Agaricus Bisporus
টিউলিপ Tulip Tulipa
পলাশ Palash Butea monosperma
বনমল্লিকা Wild Jasmine Jasminum angustifolium

 

ফলের বৈজ্ঞানিক নাম

বাংলা নাম ইংরেজি নাম বৈজ্ঞানিক নাম
আনারস Pineapple Ananas comosus
আম Mango Mangififera indica
আমলকি Amla Phyllanthus emblica
কমলা Orange Citrus sinensis
কলা Banana Musa paradisiaca
কাঁঠাল Jackfruit Artocarpus heterophyllus
খেজুর Date palm Phoenix dactylifera
গোলাপজাম Malabar plum/Rose apple Syzygium jambos
জাম Blackberry Syzygium cumini
ডালিম Pomegranate Punica granatum
তরমুজ Watermelon Citrullus lanatus
নারিকেল Coconut Cocos nucifera
পেঁপে Papaya Carica papaya
পেয়ারা Guava Psidium guyava
বরই Jujube Ziziphus zizyphus
বেল Wood apple Aegle marmelos
লিচু Litchi Litchi chinensis
  Lemon Citrus limon
স্ট্রবেরী Strawberry Fragaria ananasa

 

সবজির বৈজ্ঞানিক নাম

বাংলা নাম ইংরেজি নাম বৈজ্ঞানিক নাম
করলা Bitter gourd Momordica charantia
কলমি শাক Water Spinach Ipomoea aquatica
কাঁকরোল Crank Momordica dioica
চাইনিজ বাঁধাকপি Chinese Cabbage Brassica rapa
চাল কুমড়া Rice pumpkin Benincasa hispida
চিচিঙ্গা Trichosanthes cucumerina
ঝিঙ্গা Luffa Acutangula
টমেটো Tomato Solanum lycopersicum
ডাটা Amaranth Amaranthus tricolor
ঢেঁড়স Rubbing Abelmoschus esculentus
পটল Trichosanthes dioica
পালংশাক Spinacia oleracea
পুঁইশাক Basella rubra
ফুলকপি Cauliflower Brassica oleracea var. botrytis
বাঁধাকপি Cabbage Brassica olieraceae
বেগুন Solanum melongena
মিষ্টি কুমড়া pumpkin Cucurbita moschata
লাউ Bottle gourd Lagenaria siceraria
লালশাক Red Spinach Amaranthus oleraceus
লেটুস Lettuce Lactuca sativa var. capitica
শশা Cucumber Cucumis sativus
শিম Bean Lablab niger

মসলার বৈজ্ঞানিক নাম

বাংলা নাম ইংরেজি নাম বৈজ্ঞানিক নাম
আদা Ginger Zingiber officinale
কালো জিরা Black cumin Nigella sativa
ধনিয়া Coriander Coriandrum sativum
পেঁয়াজ Onion Allium cepa
মরিচ Chilli/Pepper Capsicum annuum
রসুন Garlic Allium sativum
হলুদ Turmeric Curcuma long

ডাল ও অর্থকরী ফসলের বৈজ্ঞানিক নাম

বাংলা নাম বৈজ্ঞানিক নাম
খেসারী Lathyrus sativus
ছোলা Cicer arietinum
মটর Pisum sativum
মসুর Lens culinaris
মাসকলাই Vigna mungo
মুগ Vigna radiata
আখ Saccharum officinarum
চা Thea sinensis
তুলা Gossypium spp
পাট Corchours capsularis
পান Piper betle
সুপারি Areca catechu

তেল ও দানাদার ফসল এর বৈজ্ঞানিক নাম

বাংলা নাম ইংরেজি নাম বৈজ্ঞানিক নাম
তিল Sesame Sesamum indicum
গর্জন Niger/Rantil Guizotina abyssinica
চীনাবাদাম Groundnut Arachis hypogaea
সোয়াবিন Soybean Glycine max
গম Wheat Treticum asetavum
চীনা Proso Millet Pannicum miliaceum
ধান Rice Oryza sativa
ভুট্টা Maize or Corn Zea mays
যব Barley Hordeum vulgare

বাংলা নাম ইংরাজি নাম  বিজ্ঞানসম্মত নাম বা দ্বিপদ নামকরণ
অপরাজিতা Convolvulus pluricaulis
অশ্বগন্ধা Ashwagandha Withania somnifera
অর্জুন Arjun tree Terminalia arjuna
অনত্মুল Indian sarsaparilla Hemidesmus indicus
আকন্দ Giant calotrope  Calotropis gigantea
আলু Potato  Solanum tuberosum
ইলিশ Ilish  Tenualosa ilisha
ইউক্যালিপটাস Gum trees Eucalyptus sp.
উট Camel Camelus dromedarius
এলভেরা/ অ্যালভেরা Medicinal aloe Aloe vera
এলাচ black cardamom  Elettaria cardamomum
শাপলা (সাদা) 

 

Water Lily Nymphaea nouchali
বাগদা চিংড়ি Prawn Penaeus monodon
করবী Oleander Nerium oleander
কাঠ বাদাম  Terminalia catappa
কদম Burflower tree Anthocephalus indicus
কুলেখাড়া Marsh barbel Hygrophila auriculata
খরগোশ(সাদা) Rabbit Sylvilagus audubonii
খেজুর Date palm  Phoenix dactylifera
গম Wheat(common) Triticum aestivum
গাজর Carrot Daucus carota subsp. Sativus
ঘরিয়াল/ঘড়িয়াল Gharial Gavialis gangeticus
ছাগল (কালো ) Black Bengal goat Capra aegagrus hircus
ছাতিম Blackboard Tree Alstonia scholaris
জবা China rose Hibiscus rosa-sinensisL.
জাম্বুরা Pomelo Citrus maxima
জাম Java Plum Syzygium cumini
টগর Tabernaemontana Tabernaemontana divaricata (L.) Br.
টিকটিকি Common house gecko Hemidactylus frenatus
টমেটো Tomato Solanum lycopersicum
টুনটুনি Common tailorbird Orthotomus sutorius
ডলফিন Ganges Dolphin Platanista gangetica
ডূমুর Fig trees Ficus sycomorus
ডালিয়া Dahlia Type species Dahlia pinnata Cav.
ডেউয়া Artocarpus lacucha  Artocarpus lacucha
তুলসি Holy Basil Ocimum tenuiflorum
তেলাকচু Ivy gourd  Coccinia grandis
তেলাপকা Cockroach Type species Periplaneta americana
থানকুনি Centella asiatica Centella asiatica
দারুচিনি Cinnamon Cinnamomum verum
দয়েল Oriental magpie-robin  Copsychus saularis
দোলনচাঁপা  White Ginger Lily Hedychium coronarium
 ধনিয়া/ধনে পাতা Coriander Coriandrum sativum
ধুতরা Thorn apple Datura metel
ধনেপাতা  Coriander  Coriandrum sativum
নয়নতারা Cape periwinkle Catharanthus roseus
নিম Neem Tree Azadirachta indica
নাগেশ্বর Ceylon ironwood Mesua ferrea
নিশিন্দা Chinese chastetree Vitex negundo
ফনিমনসা Opuntia spp.
বেল Indian bael Aegle marmelos
ভুট্টা Maize Zea mays
ভেড়া Sheep  Ovis aries
শাপলা  Water lilies Nymphaeaceae
শত্মুল  Garden asparagus Asparagus officinalis
শিলিখা Myrobalan Terminalia chebula
লাল শিমুল Bombax Bombax ceiba L.
সরিষা Mustard plant  Brassica campestris
সর্পগন্ধা Rauvolfia Rauwolfia serpentina
সিংহ Lion Panthera leo
বাসক Justicia adhatoda
লজ্জাবতী  Sensitive plant Mimosa sp.
 

বানর

নাম  ইংরাজী নাম  বৈজ্ঞানিক নাম
সাধারণ বানর  (Rhesus Monkey) Macaca mulatta
বনেট বানর (Bonnet Macaque) Macaca radiata
অসমীয়া বানর Assamese Macaque Macaca assamensis
হ্রস্বপুচ্ছ বানর Stumptailed Macaque Macaca speciosa
সিংহপুচ্ছ বানর Liontailed Macaque Macaca sinus
শুকর পুচ্ছ বানর Pigtailed Macaque Macaca nemestrina
কাকড়াভুক বানর Crab-Eating Macaque Macaca irusumbropa
চশমা বানর Spectacled Monkey Presbytis phayrei
সাধারণ হনুমান Common Langur Presbytis cntcilus
টুপি হনুমান Capped Langur Presbytis pileatus
সোনালী হনুমান Golden Langur ‎ Trachypithecus geei

সৌভিক রায়

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 3.9 / 5. Vote count: 16

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

2 thoughts on “বৈজ্ঞানিক নাম বা দ্বিপদ নামকরণ

Leave a Reply

Next Post

বিজ্ঞান সাধক গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য

3.9 (16) জন্ম ও পরিচয়ঃ প্রয়াত গােপালচন্দ্র ভট্টাচার্য জন্মেছিলেন অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর মহকুমার লােনসিংহগ্রামে ১ আগষ্ট ১৮৭৫ সালে। বাবা অম্বিকাচরণ, মা শশীমুখী দেবী। বাবা ছিলেন গ্রামের দরিদ্র পুরােহিত। প্রাথমিক জীবনঃ মাত্র ৫ বছর বয়সে তাঁর বাবার অকাল মৃত্যু ঘটে। ফলে জ্যেষ্ঠ গােপালচন্দ্রকে ঐ বয়সেই পরিবারের ভার গ্রহণ করতে […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: