মাতৃদুগ্ধ অমৃত সমান

5
(1)

Breast feeding (স্তন্যদুগ্ধ পান) ঃ

স্তন্যদান ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশে একটি চিরাচরিত প্রথা তবুও স্তন্যদান সম্পর্কে কিছু বার্তা আসন্ন সন্তান সম্ভবা মহিলাকে পৌছে দেওয়া বাঞ্ছনীয় যাতে প্রসবােত্তর কালে মা বাচ্চাকে সঠিক ভাবে ও সঠিক সময়ে স্তন্যদান করিতে পারে।এই উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর  ১-৭ ই আগষ্ট  স্তন্যদুগ্ধ পান সপ্তাহ পালিত হয়।

• স্তন্যদান শুরু করা

স্বাভাবিক প্রসবের আধঘণ্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ পান করাতে হবে। বিশেষ করে প্রসবের অব্যবহিত পরেই শিশুর স্তন টানার রিফ্লেক্সটা খুব বেশী থাকে। এই সাকিং রিফ্লেক্স সফল ভাবে স্তন পানের জন্য খুব জরুরী। তাছাড়া ইহা স্তন্যদান পদ্ধতিকেও সহজতর করে তােলে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই রিফ্লেক্স কমে যায়। ফলত স্তন্যদানে সমস্যা দেখা দেয়।

• মাকে বােঝাতে হবে তিনি যেন স্তন্যদুগ্ধ শুরু করার আগে অর্থাৎ কিছু শিশুর মুখে না দেন যেমন মধু বা গ্লুকোজের জল ইত্যাদি।

Breastfeeding and SIDS - The Lullaby Trust
মাতৃদুগ্ধ অমৃত সমান

হলুদ রং এর তরলপদার্থ যে স্তন হইতে প্রথমে নির্গত হয় তা ফেলে দেওয়া উচিত নয়। এতে রােগ প্রতিরােধক ক্ষমতা বেশী থাকে। সন্তান প্রসবের পরে প্রথম ৩-৪ দিন  স্তন হইতে নির্গত হয়। এই হলুদ রঙের দুধ অত্যন্ত পুষ্টিদায়ক এবং নবজাতকের খিদে মেটানাের পক্ষে যথেষ্ট।

• বুকের দুধ খাওয়ানাের সময় মানে জন্মের পর ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে আলাদা করে জল খাওয়ানাের দরকার হয় না। শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ালেই সমস্ত রকম পুষ্টি শিশু পাবে। স্তন্য দুগ্ধে যা জলের পরিমাণ আছে তাহার দ্বারাই শিশুর জলের প্রয়ােজন মেটে।

• মাকে উৎসাহ দিতে হবে যাতে নবজাতককে শুধুমাত্র বুকের দুধই খাওয়ায় এক্সকুসিভ ব্রেষ্ট ফীড করালে, পাতলা পায়খানা, নিমােনিয়া, কানের সংক্রমণ প্রতিরােধ এবং একবছর বয়সের মধ্যে শিশু মৃত্যু প্রতিরােধ করা যায়। মায়ের বুকের দুধ পানে শিশুর উপকারীতা।

• মায়ের দুধ শিশু বৃদ্ধি ও বিকাশে সবচেয়ে বেশী প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকরা আহার । মায়ের বুকের দুধে শিশুর   প্রয়ােজন সমস্ত পুষ্টি সঠিক পরিমাণে থাকে। শিশুর  মস্তিষ্ক বৃদ্ধির জন্য,হারের বৃদ্ধির জন্যরক্ত তৈরীর
জন্য মায়ের বুকের দুধ খুবই প্রয়ােজন। বুকের দুধ টেনে খেলে শিশুর মুখের পেশি ও চোয়াল শক্ত হয়।

• মায়ের বুকের দুধ সহজপাচ্য জিবানুমুক্ত সহজলভ্য।

• মায়ের বুকের দুধ খাওয়া শিওদের অসুখবিসুখ কম হয়। অসুস্থ হলেও এর প্রভাব শরী্রে কম পড়ে। মায়ের বুকের দুধ খেলে শিশুদের জীবাণু সংক্রমণ ডাইরিয়া সংক্রান্ত রােগ সমুহ, জল শূন্যতা, নিউমােনিয়া বা শ্বাসনালীর সংক্রমণ কানের অসুখ অ্যালার্জি, চামড়ার সংক্রমণ, হাঁপানি ইত্যাদি রােগ প্রতিরোধ হয়।

• বুকের দুধ খাওয়া শিশুদের এইডস রােগে মৃত্যুর সম্ভাবনা এক তৃতীয়াংশ কম।

• নবজাত শিশু বুকের দুধ খাওয়ার সময় প্রথম তার মায়ের শরীরের সংস্পর্শে নিবিড় ও নিরাপদ সম্পর্ক অনুভব করে। মা ও শিশুর মধ্যে মানসিক ও আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শিশু মায়ের মমতা, উষ্ণতা ও ভালােবাসা পরিপূর্ণ ভাবে পায়।

• মাতৃদুগ্ধ শিশুর বুদ্ধির বিকাশে সহায়তা করে। শিশুর সর্বাঙ্গীন মানসিক ও সামাজিক বিকাশে সহায়তা করে।

• বুকের দুধ খাওয়া শিশুদের প্রথম বছরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আশঙ্কা ১০ গুণ কম থাকে।

• মায়ের দুধ খেয়ে বড় হওয়া শিশুদের ভবিষ্যতে প্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় রক্ত চাপ বৃদ্ধি, হৃৎপিণ্ডের অসুখ ডায়াবেটিস ইত্যাদি অসুখ হওয়ায় সম্ভাবনা কম থাকে।

মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ ঃ

প্রতি ১০০ মিলি দুধে ৬৬ ক্যালরী, ১.২ গ্রাম প্রােটিন ৩.৮ গ্রাম চর্বি জাতীয় পদার্থ ৭ গ্রাম ল্যাকটোজ, ১৭০-৬৭০ আই, ইউ ভিটামিন-এ ২-৬ মিগ্রা ভিটামিন-সি, ২.২ আই, ইউ ভিটামিন-ডি, ৩৫ মিগ্রা ক্যালসিয়াম, ১.৫ মিগ্রা ফসফরাস।

স্তন্য দুগ্ধ পান করানােয় মায়ের উপকারীতা ঃ

• মায়ের প্রসব পরবর্তী সময়ে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি কম থাকে।

• মায়ের জরায়ু তাড়াতাড়ি প্রাক্‌ গর্ভকালীন অবস্থায় ফিরে যায়।

• মায়ের জরায়ু তাড়াতাড়ি প্রাক্-তৎকালীন অবস্থায় ফিরে যায়।

• মায়ের গর্ভাবস্থায় জমা হওয়া অতিরিক্ত চর্বি ও ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং চেহারা সুন্দর হয়। ঋতুস্রাব বন্ধ থাকার জন্য আয়রণ জমা হয়ে রক্ত তৈরীর সহায়তা করে।

•  মায়ের বুকে দুধ জমে যাওয়া বা ফোড়া হওয়া প্রতিরােধ করে।

•  কেবলমাত্র বুকের দুধ খাওয়ালে পরবর্তী গর্ভধারণ দেরীতে হয়।

• বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের বিশ্রাম হয়, রাত্রে ভালাে ঘুম হয় এবং দুধ তৈরী করতে সময় লাগে না।

• বুকের দুধ পান করালে পরবর্তী কালে মায়ের স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় এবং হাড়ের ক্ষয়জনিত রােগ প্রতিরােধ করে।

• মা মানসিকভাবে অনেক বেশি সন্তুষ্ট থাকেন।

মায়ের দুধ শিশুকে পান করানাে পরিবার ও সমাজের উপকারীতা ঃ

• শিশুখাদ্য কেনার জন্য ব্যয় করতে হয় না।

• শিশুর অসুস্থতা কম হওয়ার ফলে চিকিৎসার জন্য খরচ কম হয় এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা কম লাগে।

• শিশুর অসুস্থতা ও মৃত্যুহার কম হয়।

• সুস্থ শিশু দেশের সম্পদ

বুকের দুধ খাওয়ানাের জন্য মায়ের প্রস্তুতিঃ

বুকের দুধ খাওয়ানাের জন্য মায়ের বিশেষ বিশেষভাবে প্রস্তুত হওয়া প্রয়ােজন। শিশুকে ছয়মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এবং দুই বছর পর্যন্ত অন্যান্য খাবারের সাথে বুকের দুধ খাইয়ে যেতে হলে এই মানসিকতা প্রতিটি মায়ের তৈরী করতে হবে।

এছাড়া নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মেনে চলতে হবে।

(ক) মাকে গর্ভাবস্থায় বুকের দুধ খাওয়ানাের গুরুত্ব সম্বন্ধে বুঝিয়ে বলতে হবে। গর্ভাবস্থায় মায়ের সঠিক পরিচয্যা ব্যবস্থা করা ব্যাবস্থা করতে হবে যেমন সঠিক পুষ্টি (স্বাভাবিকের থেকে অব আলরি বেশি) বিশ্রাম, ব্যায়াম, পরিষ্কার পরিচ্ছতা ইত্যাদি।

(খ) শিশু জমানের পর শিশুকে ও মাকে কখনাে আলাদা রাখা যাবে না, একঘরে ও একই বিছানায় রাখতে হবে।

(গ) প্রসূতি মাকে অতিরিক্ত ক্যালােরি (স্বাভাবিকের থেকে ৫৫০ কালােরি বেশি) এবং পর্যন্ত পরিমাণে পুষ্টিগুণ যুক্ত খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

(ঘ) মাকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। প্রতিদিন স্নান করার সময় স্তন ভালাে করে জল দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

(ঙ)বুকের দুধ খাওয়ানাের ব্যাপারে কোন সমস্যা জলে অভিজ্ঞজনের কাছ থেকে প্রয়ােজনীয় সাহায্য ও পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুকে সঠিক পদ্ধতিতে বুকের দুধ খাওয়ানাে

• শিশুর জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বা ১ ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানাে শুরু করা উচিত।

• শিশুকে প্রথম প্রথম ১ – ২ ঘন্টা ছাড়াছাড়াই বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। পরে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী সারাদিনে ও রাত্রে অন্তত ৮ বার খাওয়াতে হয়।

• শিশু যখনই ক্ষিদের জন্য কাঁদবে তখনই খাওয়াতে হবে। যদি শিশু আনেকক্ষণ ঘুমিয়ে থাকে তখন জাগিয়ে খাওয়াতে হবে।রাত্রেও দুধ খাওয়াতে হবে বন্ধ করা চলবে না।

• শিশুকে মায়ের প্রথম দুধ কোলেস্ট্রম অবশ্যই খাওয়াতে হবে।

• বুকের দুধ খাওয়ানাের আগে মধু, চিনির জল অথবা জল, গ্লুকোজ কিছুই খাওয়ালাে উচিত নয়।

কৌটার দুধ এবং বােতলে করে শিশুকে দুধ খাওয়ানাে খুবই ক্ষতিকারক।

• শিশুকে দুধ খাওয়ানাে সময় মা নিজে আরামে থাকবেন এবং শিশুকেও স্বাচ্ছন্দ্যে রাখবেন।

• মা শুয়ে বসে, আধশােয়া অবস্থা বা পাশে ফিরে শােয়া অবস্থায় থাকতে পারেন শিশুকে দুধ খাওয়ানাে সময়।

• মায়ের জন্য নির্জনতা ব্যবস্থা করতে হবে। যার ফলে মা দুধ খাওয়ানাের ব্যাপারে শিশুর প্রতি মনােযােগ দিতে পারেন। মায়ের কোন দুঃশ্চিন্তাও ব্যস্ততা থাকা ঠিক নয়।

• বুকের দুধ খাওয়ানাের সময় বাচ্চার শরীর মা-তার শরীরের সাথে লাগিয়ে রাখতে হবে।  শিশুকে হাতের মধ্যে দোলাতে রাখার মতাে করে ধরতে পারেন। শিশুর পুরাে শরীর মাথা পিঠ ও পা যেন সােজা থাকে।

• শিশুর মাথা সামান্য উঁচু করে বুকের সামনে ধরতে হবে।

• শিশু যখন সঠিকভাবে মায়ের স্তন মুখের মধ্যে নেবে তখন স্তনের পুরাে কালাে অংশ শিশুর মুখের ভিতর ঢুকে যাবে।

• শিশুর মুখ বড় করে খােলা থাকবে। নীচের ঠোট উল্টে থাকবে ও থুতনি মায়ের স্তন স্পর্শ করে থাকবে।

• শিশু যতক্ষণ টানবে ততক্ষণ খাওয়াতে হবে। একদিনের তন পুরাে খালি করে খাওয়ানাের পর অন্যদিকের স্তন টানতে দিয়ে হবে। পরের বারে খাওয়ানাের সময়। যেদিকের স্তন খাওয়ানাে হয়নি বা পরে খাওয়ানাে হয়েছে সেই দিকে আগে খাওয়াতে হবে।

• লক্ষ্য রাখতে হবে খাওয়ানাের সময় কোন ব্যাথা অনুভূতি হচ্ছে কিনা।

• শিশুকে খাওয়ানাের পর তার ডান দিকে পাশ ফিরিয়ে শােয়াতে হবে।

• যদি শিশু খাওয়ায় সময় বাতাস খেয়ে ফেলে তবে বাতাস ঢেকুর তুলিয়ে বার করে দিতে হবে।

• শিশুর ছয়মাস বয়েস পর্যন্ত কেবলমাত্র বুকের দুধই খাওয়াতে হবে। ছয় মাস বয়সের পর আধাশক্ত খাবার এবং অন্য খাবার পরিপূরক খাদ্য হিসাবে দিতে হবে। দুই বছর বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানাে উচিত বিশেষ করে রাত্রিবেলা। শিশুকে সঠিকভাবে দুধ খাওয়ানাের জন্য মাকে উৎসাহিত করতে হবে। মাকে বােঝাতে হবে মা যত বেশী দুধ খাওয়াবেন ততই বেশী দুধ তৈরী হবে।

• মায়ের অল্প অসুস্থতথাকলে বুকের দুধ খাওয়ানাে চালিয়ে যেতে হবে। বিশেষ কিছু অসুস্থতার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ বুকের দুধ খাওয়াতে হবে বা বন্ধ করতে হবে।

• শিশুর পেটের অসুখ হলে বুকের দুধ খুবই উপকারী। তাই বন্ধ করা উচিত নয়। বুকের দুধ অবশ্যই খাইয়ে যেতে হবে।

• শিশু বুকের দুধ টেনে খেতে না পারলে পরিষ্কার ভাবে মায়ের দুধ গেলে বাটি-চামচে করে খাওয়ানাের ব্যবস্থা করতে হবে।

• প্রথম বছরে প্রতিদিন ৪০০-৬০০ মিলি বুকের দুধ স্তন হইতে নির্গত হয়।

মায়ের দুধ শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে পাচ্ছে কিনা তা বােঝার উপায়।

১। সারাদিনে ছয় থেকে আটবার প্রস্রাব করিবে।

২। দুই বার দুধ খাওয়ানাের মাঝের সময় শিশু ঘুমাবে।

৩। শিশুর প্রতিদিন গড়ে ২০-৩০ গ্রাম ওজন বাড়বে।

৪। শিশু বারবার সামান্য পাতলা মলত্যাগ করবে।

৫। বুকের দুধ টেনে খাওয়ার সময় দুধ গিলে খাওয়ার শব্দ শােনা যাবে।

৬। মা অনুভব করতে পারবেন বুকের দুধ বেরিয়ে শিশুর মুখে যাচ্ছে।

৭। মা বুঝতে পারবেন খাওয়ানাে আগে স্তন ভর্তি ছিল এবং খাওয়ানাের পরে নরম ও খালি হয়ে গেছে।
শিশু পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ না পেলে নানাভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করবে। ঘুমােবে না কম ঘুমােবে, মাকে মানে জেগে যাবে। মেজাজ খিটখিটে হবে। কোন কিছুতেই তৃপ্তি হবে না এবং শিশুর ওজন বাড়বে না বুকের দুধ খাওয়ানাের জন্য।মাকে বারবার উৎসাহিত করতে হবে। আশঙ্কা গ্ৰন্ত মায়েদের আশ্বস্ত করা।

বােতলে দুধ খাওয়ানাের তীব্র বিরােধিতা করা এবং বুকের দুধ খাওয়ানাের উপকারীতা সম্বন্ধে বুঝিয়ে বলা প্রত্যেকটি মানুষের  অবশ্য কর্তব্য।মাতৃ দুগ্ধ পান করলেই সুস্থ শিশু এবং সুস্থ দেশ তৈরি হবে।

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 1

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

তাঁত বস্ত্রে ভেষজ রঙের প্রয়ােজনীয়তা

5 (1) অতি প্রাচীন কাল থেকে ভেষজ রঙ এর ব্যবহার হয়ে আসছে। গ্রীস, রােম, মিশর এবং ভারতবর্ষ সমেত পৃথিবীর অনেক প্রাচীন সভ্যদেশে ভেষজ রঙ নিষ্কাশন ও বস্ত্র রঞ্জনে তার প্রয়ােগ পদ্ধতি সুন্দর ছিল। এর উপকরণ হিসাবে বিভিন্ন গাছ-গাছড়ার ছাল, পাতা, ফুল, ফল, বীজ, শিকড়, নানাবিধ জৈব বর্জ্য এবং প্রাকৃতিক খনিজ […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: