প্যান্ডেমিক ও কুসংস্কার

4.9
(9)

প্যান্ডেমিক আর প্যানিক আজ সমার্থক ! আমরা এগোচ্ছি, মঙ্গলে পৌঁছেছে আমাদের দেশ । বিশ্বজয় করছে আমাদের মেয়েরা,ক্যাব চালাচ্ছে, সমকামিতা হয়েছে আইন সম্মত কিন্তু বন্ধু একটু যে ভাবতে হবে এক সপ্তাহ আগের ঘটনায়, বনগাঁ মারা গেলেন রোগী ; কেউ এগিয়ে এলেন না ! ধীরে ধীরে একটা মানুষ চলে গেলেন চিরোনিদ্রায়,কিছু মানুষ তার বাঁচার প্রতিটি চেষ্টা ধরে রাখলেন নিজেদের চলোভাষ যন্ত্রে, ছিঃ ! একেই বলে বুঝি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একবিংশ শতক ?

শুধু প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল আর প্যামপ্লেট বিলি করলেই বাড়ে না সচেতনতা । কিছুই বদলায়নি ভারতে, লালন ফরিক থেকে বনগাঁ ছবিটা একই রয়েছে,হয়তো একই থেকে যাবে আবহমান কাল যাবৎ । কারণ আমাদের অশিক্ষা এবং আমাদের অন্ধবিশ্বাস, আমরা যুক্তিতে নয় ম্যাজিকে বিশ্বাস করি । আমাদের ভিত্তি আর বিজ্ঞান নয়, আমাদের ভিত্তি এখন মাইথোলজি অর্থাৎ পৌরাণিক ইতিহাস যার সত্যাসত্য প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে ।

ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশে অতিমারী সহজেই ছড়িয়ে পড়ার কারণ হলো, আমাদের এই বিপুল জনসংখ্যা এবং ঘনবসতিপূর্ণ ঘিঞ্জি এলাকায় বসবাস আর এর সাথেই দোসর হিসেবে আছে আমাদের অশিক্ষা আর অন্ধবিশ্বাস (পাপর,মুত্র,বৃশঠা,গঙ্গাজল খেলে রোগ সারবে বা রোগ হবে না)

সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম রোগই সংক্রামক রোগ মূলত অণুজীব ঘটিত রোগ গুলোই সংক্রামক হয়, আমাদের পরিভাষায় যা ছোঁয়াচে রোগ নামে পরিচিত ।

জীবের সহজাত ধর্ম হলো সংখ্যা বৃদ্ধি করা আর অণুজীব যেহেতু এই বিপুল জীব পরিবারেরই একজন সদস্য তাই, তাদেরও সহজাত একটি জৈবিক ধর্ম হলো সংখ্যা বৃদ্ধি করা । সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন বাহক বা ভেক্টরের,প্রতিটি অণুজীবের ক্ষেত্রেই যা প্রযোজ্য । যে সকল অণুজীবের হোস্ট মানবদেহ সেই সকল অণুজীব ঘটিত রোগ গুলি মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ে । অনেক রোগ রয়েছে অন্যান্য স্তন্যপায়ী থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়,যেমন শুকরের দেহ থেকে টিনিয়াসিস আমাদের দেহে সংক্রমিত হয় ,এই জাতীয় রোগ গুলিকে জুনটিকে রোগ বলা হয় ।

ইতিহাসে একাধিক দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে শুধু মাত্র মানুষের কুসংস্কারের বশবর্তী হওয়া; ভুল থেকে একাধিক ঘটনা ঘটেছে । আচ্ছা ! লালন কি করে লালন সাই হলেন ? জানতে ইচ্ছা করে না ! এতো ঊনবিংশ শতকের ঘটনা,হিন্দু লালনের পদবি ছিলো কর, সে জমিদারের সাথে দেশ ভ্রমণে গিয়ে আক্রান্ত হলো বসন্তে ! আর তখন বসন্ত মানেই ভয়ানক রোগ, চিকিৎসা অসম্ভব ফলে স্বাভাবিক ভাবেই মৃত্যু । তাই জীবন্ত লালন কে ভাসিয়ে দিলেন জমিদারসহ পরিষদ বর্গ । জলে ভাসমান ভেলা থেকে তাকে উদ্ধার করলেন একদল জোলা অর্থাৎ গামছা বোনা যাদের পেশা,জাতিতে মুসলিম ; তাদের সেবা যত্নে সুস্থ হয়ে উঠলেন লালন । ফিরে এলেন গ্রামে,যে গ্রাম জানে লালন মৃত এবং জমিদার লালনের দেহ সৎকার করে এসেছেন । গ্রামের লোক খানিক চমকেও বিশ্বাস করলেন কিন্তু লালন কে তারা আর ফেরালেন না, সমাজে কারণ; সে যাবনের হাতের অর্থাৎ মুসলিমের ভাত খেয়েছে এবং হিন্দু শাস্ত্র মতে,তার পরলৌকিক ক্রিয়াও সমাপ্ত । লালন তার কণ্ঠের জোরে বেঁচে গেলেন ।

যেমন ভাওয়াল রাজ,যার পরিচয় নিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসের এক অন্যতম সেরা মামলা চলেছিল প্রায় দেড়যুগ । সে রোগ সারাতে জলবায়ু পরিবর্তনে গিয়েছিলেন কিন্তু, তিনি মৃত বলেই ঘোষিত হলেন ! যদিও এর পিছনে অন্য এক চক্রান্ত ছিলো । যাক সে অন্য কথা কিন্তু এই সংক্রামক রোগ আতঙ্ক এবং ভয় বরাবর আমাদের প্রভাবিত করেছে ।

সিনেমা সাহিত্যে , আমরা কলেরায় গ্রাম কে গ্রাম উজাড় হওয়ার যে সব উদাহরণ পাই,সেগুলি কেবল ভয় নামক বিষের বিষোদ্গারই করে চলেছে । কাজের কাজ কিছুই হয়না বা হচ্ছে না । মনে করে দেখুন উত্তম কুমারের ধন্যি মেয়ে ছবিটির কথা গ্রামে মড়ক লেগেছে শুনে,কলকাতার খেলোয়ার সব পালিয়ে গেলো ! ভেবে দেখুন ভয় জিনিস টা কতটা ভয়ঙ্কর । আর ভয় যখন চেপে বসে তখন যুক্তি আর বিজ্ঞান মাথা নীচু করে ফেলে তার সামনে ।

আমাদের ভারতবর্ষে এ দৃষ্টান্ত বহু রয়েছে । যেখানে রোগ নয় রোগীকে মানুষ মেরে ফেলেছে এই ভয়ের বশবর্তী হয়ে । যার মুলে রয়েছে অশিক্ষা । পূর্বে এই হার বেশি ছিলো সেটা মেনে নেওয়া যায় কিন্তু প্রযুক্তির এই অভাবনীয় একাধিপত্যে এই জিনিস খুবই বিপদ জনক । এখনো আমরা গ্রামে-গঞ্জে শহরে স্বঘোষিত গড ম্যানদের দেখতে পাই । আজও খবরের পাতায় ছোটো প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় “ডাইনি সন্দেহে পিটিয়ে মারা” শীর্ষক শিরোনামে । আসলে এই সব ঘটনাই এক সূত্রেই গাঁথা । যার পিছনে রয়েছে আমাদের অজ্ঞানতা । আমরা যতই রচনা লিখিনা কেন , দিনের শেষে আমরা কেউই সচেতন নই ।

১৮৯৯-এ প্লেগ দাপিয়ে বেরিয়েছে ব্রিটিশ শাসিত কলকাতায়, মানুষ পালাচ্ছে আর শাসক কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না । বিপুল সংখ্যায় মানুষ মরছে, হয়তো চিকিৎসা বিজ্ঞান তত উন্নত ছিলো না, কিন্তু ওই অত্যাধিক মৃত্যু হারের কারণ ছিলো অশিক্ষা ।

স্বামীজী স্বয়ং তৈরী করেছিলেন রিলিফ টিম,বঙ্গ বাসীর জন্য বেলুড়ের জমি জমি পর্যন্ত বিক্রি করতে তিনি পিছপা হননি । ওই সময় একটি দৃশ্যের বিবরণ আমরা পাই রাধা গোবিন্দ করের(R G Kar) লেখা থেকে এক বিদেশিনী হাতে ঝাঁটা আর চুনকামের বালতি নিয়ে চৌরঙ্গীর ঘিঞ্জি বস্তি এলাকায় কাজ করছেন , রোগীর শুশ্রুষা করছেন,সদ্য মাতৃহারা শিশু কে সামলাচ্ছেন ।বিদেশিনী হলেন ভগিনী নিবেদিতা ।

অন্য এক দৃশ্য খুবই সাধারণ ছিলো কোনো রকম মড়ক বা মহামারী দেখা দিলে অসুস্থ মৃত্যুশয্যায় থাকা মানুষকে ফেলে রেখেই পালাতেন পরিজনেরা,ফলে সেবা শুশ্রূষায় যে মানুষ হয়তো বেঁচে যেতো,সেই মানুষ ঢোলে পড়তো মৃত্যুর কোলে । শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত উপন্যাসে এই রকম একাধিক ঘটনা আমরা দেখেছি,বার্মায় অর্থাৎ আজকের মায়ানমারে দেখা দিয়েছে প্লেগ আর কোনো রকম চিকিৎসার চেষ্টা না করেই মানুষ রোগীকে ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে শুধু মাত্র আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে ।

ভারতে কুষ্ঠ রোগের ক্ষেত্রে এই একই জিনিস হতো,রোগীদের ফেলে পালাতো মানুষ । পলাশীর অন্যতম চক্রী মীরজাফরের কি হয়েছিল জানেন ? শেষ বয়সে তিনিও কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হন এবং তার পরিবার তাকে নির্বাসিত করে একটি জঙ্গলে সেখানেই তাকে খাবার দিয়ে আসা হতো, শুধু তিনিই নন কুষ্ঠ রোগীদের ক্ষেত্রে এই ছিলো তখনকার তথা কথিত নিয়ম সিদ্ধ ব্যবহার বিধি । চরক সুশ্রুত- এর নেতৃত্বে যে দেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি হয়েছিল,সেখানে এই করুন দৃশ্য কল্পনাতীত !

চিত্রটা বিন্দু মাত্র বদলায় নি এতো বছরে, একশো বছর আগে ভারতে স্প্যানিশ ফ্লু এর ফলে দেখা দিয়েছিলো অতিমারী,১৯১৮ সালে বিশ্ব যুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের সাথে সাথেই প্রবেশ করে সংক্রমণ যা ছিলো ভারতের ইতিহাসের সব ভয়ঙ্কর মহামারী । প্রায় এক কোটি ভারতীয় প্রাণ হারান । সেই সময়েও এই মানুষের মনের ভয় সংক্রমণের থেকে ভয়ানক হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে যেতে থাকে ।

কলেরার সময় একই জিনিসের অবতারণা, সেবা করার এবং পথ্য দেওয়ার লোকের অভাবেই বহু মানুষ মারা গিয়েছিলো । বারবার মড়ক নিয়ে কলেরা,বসন্ত ফিরে এসেছে আর মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে,সেই ভীতি থেকেই বহু মানুষ অবহেলা মারা গেছেন,কেউ এগিয়ে আসেননি পাছে রোগ ছড়িয়ে যায় ।
ম্যালেরিয়া,ডেঙ্গু ,কালাজ্বরের মতো রোগের ক্ষেত্রেও অনেক অশিক্ষা চোখে পড়ে,AIDS নিয়ে তো মিথের শেষ নেই,যার ফলে HIV আক্রান্ত মানুষেরা কোনো দিনই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন না ! ফলে এই হতাশা আরো অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায় ।

২০২০সাল,যেনো একটি রিভিশনের বছর আগের শতাব্দী গুলির মতোই ফিরে আসে মহামারী । covid -১৯ যাকে বলা যায় বিশ্বের ত্রাস ! কিন্তু একটু কি ভেবে দেখেছেন, পূর্ববর্তী অতিমারীর তুলনায় মৃত্যু হার কত কম !

পৃথিবীর অন্য দেশের কথা ছেড়েই দিলাম ভারতে ১৮ লক্ষ লোক আক্রান্ত কিন্তু সুস্থ হওয়ার সংখ্যা টাও কিন্তু নেহাত কম না ; প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই কাটিয়ে উঠেছেন সংক্রমণ ! ফিরে এসেছেন সুস্থ জীবনে । যুব ও শিশুদের মধ্যে সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান অত্যন্ত ভালো । বাংলায় প্রায় ৬৩% মানুষ সুস্থ হয়েছেন । আমরা প্রায় ৩৫০০০ মানুষ কে হারিয়েছি সরকারি হিসেবে অনুযায়ী কিন্তু একবার ভেবে দেখুন তো যেখানে প্রায় ৫০০০০ থেকে ৬০০০০ মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন সেখানে ৩৫০০০ সংখ্যাটা কিন্তু নগন্য । প্রতিটি মৃত্যুই দুঃখ জনক কিন্তু এই সংখ্যার মধ্যে অনেকেই আছেন, যাদের আরোগ্যের অন্তরায় হয়েছে বার্ধক্য , অনেকেই অন্য কোনো ক্রনিক রোগের রোগী ছিলেন,ঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারেননি, চিকিৎসা পাননি ।

করোনার ক্ষেত্রে কিন্তু এখন অনেকেই বাড়ি থেকেই সুস্থ হচ্ছেন ।  কিছু ভয় এবং আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরী করা হচ্ছে যা বাজার চলতি মিডিয়ার একপ্রকার গিমিক এবং টি আর পি’র হেতুতে করা । মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করে বিভিন্ন ভাবে ফায়দা তোলা । লকডাউনের সাধারণ উদ্দেশ্য হলো,মানুষের মধ্যে সংক্রমণ কমানো । রোগ কখনোই ভয়ঙ্কর নয় কিন্তু একসাথে বহু মানুষ আক্রান্ত হলে সেক্ষেত্রে ভেঙে পড়বে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো । কয়েক কোটি মানুষ এক সঙ্গে সংক্রমণের শিকার হলেই, ঘটবে বিপদ কারণ একই সঙ্গে বহু মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া ভারত কেন কোনো দেশের পক্ষেই সম্ভব না ! যেকোনো প্রথম বিশ্বের দেশও ব্যর্থ হবে ।

কিন্তু আমরা কি করছি,আমরা শত্রু বানাচ্ছি রোগগ্রস্থ মানুষদের; সাধারণ জ্বর সর্দিতে আক্রান্ত মানুষকে আমরা কোবিড আক্রান্ত বলে পরিচিতি দিচ্ছি । সেই অশ্বত্থামা হত ইতি গজ -এর মতো ভুল তথ্য বা বিকৃত তথ্য যে কতদূর ভয়ানক হতে পারে তার কোনো সীমা নেই ।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধের দাফন করলেন যুবদল নেতা

আক্রান্ত মানুষের বাড়ি আটকে দিচ্ছি ,সে সুস্থ হওয়ার পরেও রেহাই পাচ্ছেনা আমাদের সাবধানতা আর সচেতনতার গুঁতো থেকে । করোনা নিয়ে মিথ আর অপ্রচারের শেষ নেই, কথায় কথায় ইমিউনিটির পাঠ সবাই সবাইকে পড়াচ্ছি । এই এটা খাও,ওটা খেয়ো না ,অমুকটা করো না ,এগুলো অবশ্যই করতে হবে, এসবেই প্রায় ১৫০ দিন ধরে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত । সাপ বা কুকুর কামড়ালে ওঝার কাছে গেলে তো মরতে হবেই ! তাই রোগীর সাথে রোগীর মতোই ব্যবহার করুন, রোগ হতেই পারে আবার সে আরোগ্যও লাভ করবে ।

বিউবনিক প্লেগের সময় প্রাচীর তুলে দেওয়া হয়েছিল যাতে সংক্রমিত লোকেরা শহরে আসতে না পারে,আমাদের আতঙ্ক আমাদের মনে প্রাচীর তৈরী করেছে । রোগীর পরিবার কে আমরা জেলখানার কয়েদি বানাচ্ছি । মৃত করোনা রোগীর সৎকারে পর্যন্ত বাঁধা দিচ্ছে,এগুলো কি শিক্ষিতের পরিচয় ? আসলে আমরা সেই প্রাচীন যুগেই আটকে আছি, আমাদের সচেতনতা আর বিজ্ঞান মনস্কতা মেকি ।
মাস্ক, ফেস শিল্ড,দৈহিক দুরত্ব, হাত ধোওয়া ,চোখে মুখে হাত না দেওয়া এবং  নিয়মিত স্যানিটাইজারের ব্যবহার যথেষ্ট । নিজের ও সমাজের সচেতনতা আর সাবধান জীবন যাপন তো আছেই,তাহলেই কেল্লা ফতে !

আমরা রোগ কে নয়,বরং রোগী কে শত্রু বানাচ্ছি; সেই মানিক বাবুর গণশত্রুর মতো রোগী ও তার পরিবার কে বানাচ্ছি সমাজের শত্রু কিন্তু ভুলে যাচ্ছি আমাদের আসল লড়াই রোগের সাথেই অর্থাৎ অণুজীবের সাথে,আর রোগীকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়েই সে লড়াই জেতা সম্ভব । তাই সহানুভূতি আর মানবিকতাকে দয়া করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠাবেন না । রোগীকে সুস্থ জীবনে ফিরতে সাহায্য করুন,তাহলেই অর্ধেক যুদ্ধ জেতা হয়ে যাবে ।

সোজা কথায় সাধারণ মানুষ  ও সরকারের বিজ্ঞানমনষ্ক কাজই আটকাতে সক্ষম এই অতিমারি।

সৌভিক রায়

 

 

 

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.9 / 5. Vote count: 9

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র

4.9 (9) একের পর এক বিপত্তি। প্রথমত, মহাশূন্যে গিয়ে আবিষ্কর হল আটলান্টিসের ফাটল। দ্বিতীয়ত, হঠাৎ কম্পিউটার খারাপ হয়ে পড়া। তৃতীয়ত, ভূ-পৃষ্ঠে অবতরণের সময়ে আবহাওয়া জনিত জটিলতা। ২০০৭ এর ২২ জুন। রাতভর টিভির পর্দায় চোখ। প্রার্থনা মেয়েটি যেন ভালয় ভালয় ফিরে আসে। আসলে ২০০৩-এর কল্পনা চওলার অভিশপ্ত কলম্বিয়া অভিযানের স্মৃতি তখনাে […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: