পরিবেশ আন্দোলন ও পাখি বাঁচানাের আন্দোলনের কথা পর্ব ১

3.7
(3)

১৯৭২ এর জুন মাসে আন্তর্জাতিক শহর স্টকহােমে মানব পরিবেশ সম্মেলন গােটা বিশ্বের কাছে বিশ্ব পরিবেশ আন্দোলন হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। স্টকহােম বা রিও ডি জেনেরিও সম্মেলনে পৃথিবীর প্রায় সবকটি দেশেরই রাষ্ট্রনায়করাই অংশগ্রহণ করেছিলেন।

উক্ত সম্মেলনে একটি সনদ প্রকাশিত হয়েছিল, যার ২৬টি অনুচ্ছেদের প্রত্যেকটিই মানুষের জীবন-জীবিকা ও সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার প্রশ্নে পৃথিবীর জল, বায়ু , খনিজ উৎস ও বনাঞ্চল (গাছপালা বন্যপ্রাণী ও পাখি) প্রভৃতি পাকৃতিক সম্পদ তথা পরিবেশের উপর প্রতিটি মানুষেরই সম অধিকার দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেছে।

প্রতিটি দেশই নিজ নিজ দেশে এই সনদ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গীকার করেছিল । উনবিংশ শতাব্দিতে শিল্প বিপ্লবের ফলে পরিবেশে বায়ু দূষণ বাড়তে শুরু করে ও রাসায়নিক বর্জ্য পরিবেশে মিশতে থাকে। এর ফলে পরিবেশ বিপর্যয় হতে শুরু করে।

পাশাপাশি ইউরােপে পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে সচেতনতা বাড়তে থাকে। ১৮৫৫ সালে বন সংরক্ষণ নিয়ে কাজের সূচনা হয়। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার ডায়াট্রিচ ব্যানড্রিস (Sir Dietrich Brandis) ১৮৫৬ সালে বন সংরক্ষণের জন্য আইন প্রণয়ন গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করেন। এ সময়ে দেরাদুনে The Imperial Forest School পরবর্তী কালে এটি নামে বিখ্যাত হয়।

ফরেস্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউট
Forest Research Institute

 

এই শতাব্দিতে শেষের দিকে ১৮৮৯ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা তৈরি হয় প্রাণী বিজ্ঞানী অ্যালফ্রেড নিউটন বন্য প্রাণীদের সংরক্ষণ নিয়ে নিয়মকানুন তৈরি করেন । সংস্থাটির নামকরন করেন The Royal Society for the Protection of Birds এরা মূলত পাখিদের সংরক্ষণ নিয়ে , প্রচার আন্দোলন শুরু করেন। পাখিদের চামড়া ও গালক ব্যবহারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরে প্রচার করেন ।১৮৬৯সালে সর্বপ্রথম প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য Sea Birds Preservation Act, 1869 আইন তৈরি হয়। প্রকৃতি ও পাখি সংরক্ষণের
ক্ষেত্রে পৃথিবীর সর্বপ্রথম এই আইনটি প্রণয়ন করাহয়।

পরিবেশকে বাচিয়ে রাখার ক্ষত্রে ইউরােপিয়ান বুদ্ধিজীবী জন্ রাসকিন (John Ruskin) সারা ইউরোপ জুড়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। পরিবেশ দূষণ নিয়ে নানা ধরনের কার্যকলাপ প্রচার করেন। পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে রাসকিনের উল্লেখযােগ্য ভূমিকার কথা পৃথিবী জুড়ে বিখ্যাত।

বিংশ শতাব্দির শুরুতে বন্যপ্রাণী রক্ষার ক্ষেত্রে পরিবেশ আন্দোলন বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই সময়ে যাত্রী পায়রার Passenger Pigeon (Ectopistes migratorius)বিলুপ্তির ঘটনা পরিবেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সাধারণের মধ্যে আলােড়নের সৃষ্টি করে।

যাত্রী পায়রার Passenger Pigeon
যাত্রী পায়রার Passenger Pigeon
[এরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দল হিসেবে চিহ্নিত ছিল ।এমনকি রকি পর্বতমালার পঙ্গপালের দলের থেকেও বড়। যাত্রী পায়রার পুরুষরা ৪২ সেমি. স্ত্রীরা ৩৮ সেমি. লেজটি ২০-২৩ সেমি ওজন ৩৪০ গ্রাম। ১৯০০ সালের মধ্যে যাত্রী পায়রার পৃথিবী থেকে মুছে গেল । উ: আমেরিকার উইসকিন মিলে একটি প্রজনন ক্ষেত্রে ৮৫০ বর্গ মাইল জুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ বাসা ছিল। এদের দলের চওড়া প্রায় কোটি মাইল, লম্বা ছিল ৩০০ মাইল। একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অতিক্রম করতে সময় লাগত প্রায় ১৪ ঘন্টা ।]

২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর সারা বিশ্বে বায়ু ও জল দূষণ ব্যপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বে বহু অঞ্চলেই পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে থাকে। পরিবেশ আন্দোলনে রাচেল কার্সনের (Rachel Carson) সাইলেন্ট স্প্রিং (Silent
Spring) বইটি সারা পৃথিবীতে খুবই উল্লেখযােগ্য। কার্সনের বইতে ডিডিটি ব্যবহারের ফলে পাখিদের অস্তিত্বের বিপন্নতার কথা বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে। এছাড়া পরিবেশ দুষণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের কি করা উচিত এনিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বইটি ঐ সময়ে সারা ইউরােপে প্রায় ২০ লাখ কপি বিক্রি হয়েছিল। মানুষকে পরিবেশ আন্দোলনে প্ৰভবিত করেছিল। সাইলেন্ট স্প্রিং (Silent Spring)বইয়ের লেখিকা রাচেল কার্সন (Rachel Carson)
১৯৭২ -‘১০ সালে ইউরােপে প্রায় প্রতিটি দেশে গ্রীন পার্টি বা অনুরুপ নাম দিয়ে নুতন রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়েছে। শুধুমাত্র পরিবেশ বাঁচাও কর্মসূচি নিয়ে এরা সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।

তাদের উপলব্ধি ছিল রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকরে রাষ্ট্রকে পরিবেশ বান্ধব পথে চালিত করা যাবে । গ্রীন পিস, ফ্রেন্ডস্ অব দি আর্থ সংস্থাগুলি ১৯৮০-৯০দশকে বিপুল জনপ্রিয়তা পেল। পরিবেশর বহু কুকর্ম এরা উদঘাটন করেছেন। প্রশমিত করেছেন। সারা পৃথিবী এদের চেনে।

এরপর ১৯৮০এর দশকে পরমাণু অস্ত্র বর্জন (ক্যাম্পেইন ফর নিউক্লিয়ার ডিস আরমামেন্ট) আন্দোলন পৃথিবী জুড়ে সারা ফেলে দিয়েছিল ১৯৮২ সালের ৬আগস্ট কলকাতায় পরমাণু অস্ত্র ও পরমাণু যুদ্ধ বিরােধী পদযাত্রা পরিবেশ আন্দোলনে এক নুতন মাত্রা এনে দিয়েছে। আমাদের দেশের কয়েকটি সফল পরিবেশ আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হল।

১. চিপকো আন্দোলন।

২. সাইলেন্ট ভ্যালি

৩, নর্মদা ভ্যালি বাঁচাও আন্দোলন।

৪, ছােট নদী আরভারী বাঁচাও আন্দোলন।

৫) বিপন্ন পরিযায়ী আমুর বাজ সংরক্ষণের ইতিহাস।

৬) জলাশয় , পরিবেশ ও পাখি রক্ষার জন্য প্রচার আন্দোলন।

১) চিপকো আন্দোলন

চিপকো অর্থাৎ গাছকে জড়িয়ে ধরাে। স্থানীয় সাধারণ মানুষরা, নারী ও শিশুরা পুরােভাগে আক্ষরিক অর্থেই গাছকে জড়িয়ে ধরে, কন্ট্রাকটরদের কুডুলকরাত থেকে গাছকে রক্ষার আন্দোলনে নেমেছিলেন।

ভারতের পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের ইতিহাস : চিপকো ও তার পরবর্তী পরিবেশ আন্দোলন  দ্বিতীয় পর্ব - পরিবেশ ডট কম
চিপকো আন্দোলন

হিমালয়ের কোলে উত্তর প্রদেশের ( বর্তমানে উত্তরাখন্ড | টেহরি গাড়ােয়াল [ কুমায়ুন অঞ্চলে ১৯৬৪ সালে গড়ে ওঠে দাসােলি গ্রামীন স্বরাজ্য মন্ডল [DGSM] একটি গ্রামীন সংগঠন। [DGSM এর সদস্যরা অরণ্য নির্ভর ক্ষুদ্র শিল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। গ্রামবাসীরা জানতে পারেন বাইরের কন্ট্রাকটরা খুব সহজেই সরকারের কাছ থেকে কাঠ ও বনজ সম্পদ পায় অথচ তাদের পক্ষে সেগুলি পাওয়া খুবই কঠিন ।

সুন্দরলাল বহুগুনার নবজীবন আশ্রম DGSM এর সঙ্গে হাত মেলাল। ১৯৬৮ সালের ৩০ মে অরণ্য দিবস পালন করা হল । ১৯৭১ সালে বন দপ্তরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং রেজিন সরাহের দাবীর সমর্থনে সভা -মিছিল করা হয়। ১৯৭৩ সালে গাছকে জড়িয়ে ধরে রক্ষার গণ শপথ নেওয়া হল। এবং অরণ্য প্রশাসন পরিচালনায় স্থানীয় মানুষের অন্তভূক্তির দাবি জানানাে হল।

দলবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল গ্রামবাসী সমনে হাজার হাজার মহিলা কন্ঠে সমবেত লােকসঙ্গীত মার্চ করে গিয়ে গাছকে জড়য়ে ধরছে এবং একের পর এক ফরেস্ট কন্ট্রাকটরদের গাছ কাটার পরিকল্পনা বানচাল করে দিচ্ছে, এই সংবাদ দাবানলের মত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল । ১৯৭৪ সালে সরকার সাময়িবভাবে গাছ কাটার নিলাম স্থগিত রাখলেন।

১৯৭২ সালের আন্তর্জাতিক স্টকহােম কনভেনশনের বার্তা টেহরি গাড়ােয়ালের চিপকো আন্দোলনকে উজ্জীবিত করল।

১৯৭৫ সালের ৫ জুন ব্যাপক সমাবেশের মধ্যে দিয়ে পরিবেশ দিবস উদ্যাপিত হল।

১৯৭৭ সালে শ্রী বহুগুনা , চন্ডীপ্রসাদ ভাট সহ বহু পরিবেশ কর্মী চিপকো আন্দোলনর বার্তা ছড়িয়ে দেবার উদ্দেশে কাশ্মির থেকে কোহিমা পদযাত্রায় বেড়ােলেন। পরিবেশ রক্ষায় চিপকো একটি সফল জন-আন্দোলন।সর্বস্তরের মানুষ এতে অংশগ্রহন করেছিলেন ।

২. সাইলেন্ট ভ্যালি

সুন্দর কাব্যিক নাম সাইলেন্ট ভ্যালি। ১৯৭০ সাল পর্যন্ত প্রায় অজানাই ছিল। ১০০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে ছােট উপত্যকা। স্থানীয় মানুষরা [ শােলা অরণ্যবাসী একটি উপজাতি :Cholanaickans] অবশ্য এই গভীর অরণ্য ও তৃণভূমির কথা জানতেন সাইলেন্ট ভ্যালির বুক চিরে সূ-উচ্চ শৈলশিরা পরিবেষ্টিত হয়ে স্রোতস্বিনী কুস্তি নদী প্রবাহিত হয়েছে।

এই শান্ত আদিম উপতাকা হঠাৎই উত্তপ্ত ও বির্তকের কেন্দ্রে চলে এল। যখন কেরালা স্টেট ইলেকট্রিসিটি বাের্ড (Kerala State Electricity Board ) এখানে ১২০ মেগাওয়াট (MW) ক্ষমতাসম্পন্ন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তােলার উদ্যোগ নিল । ১৯৭৬ সালে বেশ কিছু বন সাফা করে তৈরি হল শ্রমিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের অস্থায়ী আবাসন । এতেই কেন্দ্রীয় সরকারের এক অফিসার আপত্তি তােলেন এবং সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুত কমিটি গড়া হল । কমিটি জানাল সাইলেন্ট ভালি অত্যন্ত বিশেষ ধরনের একটি আরণ্যক পরিবেশ। কোনভাবেই এর পরিবর্তন করা উচিত নয়। নেহাতই যদি পরিকল্পনা নিতে হয় তবে যথােপযুক্ত সাবধানতা অবশ্যই নিতে হবে।

এবার একটু গভীরে যাওয়া যাক। সাইলেন্ট ভ্যালি অত্যন্ত স্পেশাল বা বিশেষ ধরনের। আসলে কি ?

১. গ্রেট ইন্ডিয়ান হর্নবিল একটি বিরল প্রজাতির পাখি । এর যে কটি আবাস টিকে অছে সাইলেন্ট ভ্যালি তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য। বােম্বে ন্যাচারেল হিস্ট্রি সসাসাইটির প্রতীক চিহ্ন এই হর্নবিল।

২. বিশেষধরনের কিছু বন্য প্রাণীদের বাসস্থান এই সাইলেন্ট ভ্যালি যথা ক) সিংহ পুচ্ছ বানর (Lion Tailed macaque) বানরের এক প্রজাতি। পৃথিবীর সবচেয়ে বিপন্ন বানরের ২য় স্থানে এর অবস্থান।
খ) নীলগিরি তাহর নামে একটি ক্ষীয়মান বুনাে ছাগল। এর চামড়া ও মাংস
শিকারীদের পরম প্রিয়।

৩. এছাড়া বহু প্রজাতির বিশেষ উদ্ভিদ এই ভ্যালিতে পাওয়া যায়। যেমন-ক) বুনাে মরিচ, ক) এলাচ গ)কুলেনিয়া গাছ আর কাঁটাযুক্ত ফল যেগুলি আবার সিংহ পুচ্ছ ম্যাককের প্রিয় খাবার।

তদন্ত কমিটি শর্ত সাপেক্ষে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে তােলার সিদ্ধান্ত নিল ।

কেরল শাস্ত্র সাহিত্য পরিষদ (Kerala Sastra Sahitya Parishat KSSP)একটি সক্রিয় বিজ্ঞান প্ৰসার সমিতি বিজ্ঞান মনস্কতা প্রসারের উদ্দেশে মালায়ালাম ভাষায় পত্র-পত্রিকা ও বই প্রকাশ করেন। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান মনস্কতা প্রসারের কাজ কেরলের সমস্ত জেলায় ছড়িয়ে আছে।

বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান , বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা কেরল শাস্ত্র সাহিত্য পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এরা সকলেই সাইলেন্ট ভ্যালির উপর জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরােধিতা করলেন । রাজ্য সরকারের কাছে এই পরিকল্পনা বাতিলের দাবি জানালেন। আন্দোলন সর্বত্র দানা বাঁধতে লাগল।

বােম্বে ন্যাচারেল হিস্ট্রি সােসাইটি (Bombay Natural History Society or BNHS) , ফ্রেন্ডস্ অব দি ট্রিজ, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনসারভেশন অফ নেচার অ্যান্ড Utolson PARTICT (Internatioanal Union for Conservation of Nature &Natural Resources or IUCN ) সমর্থন জানালেন। আইইউসিএন কেন্দ্রীয় সরকারকে পশ্চিমঘাট- অরণ্যকে (সাইলেন্ট ভ্যালি) সংরক্ষিত রাখার অনুরােধ জানালেন৷ ওয়ার্লড- ওয়াইলড় লাইফ (ডবলু, ডবলু এফ ) এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানাল।

আন্তর্জাতিক বহু বিজ্ঞানী এই ভ্যালিকে সংরক্ষণ করার উপর জোর দিতে বলেন। অবশেষে সাইলেন্ট ভ্যালির জয় হল৷ ১৯৮৫ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী সাইলেন্ট ভ্যালিকে সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘােষণা করলেন। এখানে জলবিদ্যুৎ বা আর কোন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া যাবে না।

সাইলেন্ট ভ্যালি আন্দোলন সারা ভারতে অরণ্য সম্পদ ও বন্যপ্রাণী সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে এক উল্লেখযােগ্য ভূমিকা পালন করেছে ।এর প্রভাব সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে।

পরিবেশ আন্দোলনকারীদের কাছে চিপকো আন্দোলন ও সাইলেন্ট ভ্যালি রক্ষার আন্দোলন বিরাট জয় এনে দিয়েছে সারা বিশ্বে এর প্রভাব ফেলতে সমর্থ হয়েছে ।

জয়দেব দে 

১৯৮০ থেকে পরিবেশ ও বিজ্ঞান আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী।

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 3.7 / 5. Vote count: 3

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

ঢ্যাড়শ / ভেন্ডি

3.7 (3) নামান্তরে ও অসমীয়া, ওড়িয়া-ভেড, বাংলা- ঢেড়শ, হিন্দী,পঞ্জাবী-ভিন্ডি, গুজরাতি- ভিণ্ডা,কন্নড় -ভেন্ডেকায়ী, মালয়ালম,তামিল – ভেড়াক্কা, মারাঠী- ভেণ্ডা,ভেলুণ্ড-ভেড়া সংস্কৃত-রােমশ, গন্ধমূলা, ইংরাজী Ladies finger ভেন্ডির উৎপত্তি ও বিস্তার ঃ আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে ইথিওপিয়াতে নাকি ঢেড়শ নামক এই সবজিটির জন্ম। মিশর, জর্ডন লেবালন, তুরস্ক, ইরান ও ইয়েমেন এর […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: