চুলের যত্ন

 

চুলোচুলি অনেক হয় ? আজ না হয় একটু চুলের পাঁচালি হোক ! মন্দিরের রেভিনিউ বাড়ানোর আগে একটু পড়ে যান ।

চুল যা স্তন্যপায়ী প্রাণীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং কার্যত বলা যায় শনাক্তকারী একটি বৈশিষ্ট্য ! বহিঃত্বক অথবা অন্তস্ত্বক এর ফলিকল থেকে এটি উৎপন্ন হয় । কেরাটিন প্রোটিন দ্বারা নির্মিত ।
চুল পড়ে যাওয়া কি ?

মার্কিন মুলুকে প্রায় 80 মিলিয়ন মানুষ, নারী পুরুষ নির্বিশেষে এই সমস্যার শিকার । যার অন্যতম একটি কারণ হলো বংশগতি । যদিও একাধিক কারণ রয়েছে । হেয়ার লস অর্থাৎ কয়েক কোটি চুলের মধ্যে 50 বা 100টি চুল কোনো দিন, উঠে গেলো ক্ষতি নেই ! নতুন চুল ওই উঠে যাওয়া চুলের জায়গা পূরণ করবে ।

কিন্তু কেউ যদি প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমানে চুল হারাতে,শুরু করেন ; সেক্ষেত্রে বিষয়টি চিন্তার ! এই হেয়ার লস সাময়িক হতে পারে আবার বরাবরের জন্যও হতে পারে । চুল পড়ে যাচ্ছে এই জিনিস উপলব্ধি করা বা হিসেবে রাখা অসম্ভব ।

প্রতিবার চিরুনি ব্যাবহারে,আমাদের কয়েকটি হলেও চুল কম বেশি সকলের হারাতে হয় । কিন্তু যদি দেখেন নিয়মিত বেশ ভালো পরিমানে চুল মাথা ছেড়ে হেয়ার ব্রাশ অথবা চিরুনিতে ঠিকানা খুঁজছে তবে ,আপনি ডার্মাটোলজিস্টের চেম্বার খুঁজুন ! কারণ আপনার হেয়ার লস শুরু হয়েছে ।

চুল পড়ার কারণ :

বংশগত কারণঃ  চুল পড়ে যাওয়ার একটি প্রধান কারণ হলো , পেডিগ্রি (pedigree) অর্থাৎ যার চুল পড়ে যাচ্ছে তার বাবা অথবা মায়ের জিনগত কোনো কারণ হতে পারে । বংশগতিগত কারণেই চুল অনেক ক্ষেত্রে উঠে যায় ।

দীর্ঘ রোগভোগঃ কোনো কোনো ক্ষেত্রে গুরুতর এবং দীর্ঘ রোগভোগ, সার্জারি, কোনো ঘটনার ফলে ট্রমা দেখা দিলে চুল উঠে যেতে পারে ।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতাঃ দেহে অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের অর্থাৎ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সাময়িক হেয়ার লস ডেকে আনতে পারে এবং এই ঘটনা স্থায়ীও চুল উঠে যাওয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে ।

উদাহারণ স্বরূপ বলা যায় মহিলাদের অন্তঃসত্বা অবস্থায়

• সন্তান জন্ম দেওয়ার পর

• মোনোপোজ

• বিভিন্ন জন্ম নিরোধক বড়ি ইত্যাদি ব্যবহার চুল পড়ে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ ।

রোগের ফলেঃ  অনেক ক্ষেত্রেই কোনো রোগের ফলে চুল উঠে যায় । যেমনঃ থাইরয়েড, গোল কৃমির সংক্রমণ, আটো ইমিউন রোগ যা হেয়ার ফলিকলকে আক্রমণ করে ।

কিছু কিছু রোগের চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ   কিছু কিছু রোগের চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে,হেয়ার লস ঘটে । সেগুলির মধ্যে প্রথম আসে

ক্যান্সারের কথা, এছাড়াও

• হাই ব্লাড প্রেসার,

• আর্থরাইটিস

• হৃদরোগের চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ফলে চুল পড়ে যায় ।

শারীরিক এবং মানসিক আঘাতঃ  শারীরিক এবং মানসিক উভয় প্রকার আঘাত থেকে চুল পড়ার সম্ভবনা থাকে । বিশেষ করে পরিবারের নিকট কোনো মানুষ মারা গেলে, প্রচুর পরিমান ওজন হ্রাস , খুব জ্বর হলে ইত্যাদি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে চুল পড়ার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় ।

ম্যানিয়া থাকলেঃ ট্রাইচোটিলো ম্যানিয়া থাকলে তো কোনো কথাই নেই ! এই ম্যানিয়ায় আক্রান্ত মানুষ বরং ম্যানিয়া গ্রস্থ মানুষ বলাই ভালো ; নিজেই নিজের ভ্রু ,মাথা এবং চোখের পাতা থেকে চুল টেনে ছিড়তে থাকেন অকারণেই ।

হেয়ার স্টাইলঃ  অনেক সময় হেয়ার স্টাইল হেয়ার লসের কারণ হয়ে দাঁড়ায় !

সুষম খাদ্য না খাওয়াঃ  খাদ্য তালিকায় প্রোটিন আয়রন এবং বিভিন্ন পুষ্টিপদার্থের অভাবও হেয়ার লস ডেকে আনে এবং চুল পাতলা করে দেয় ।

হেয়ার লস কি করে নির্ণয় করা হয় ?

হেয়ার লস হয়েছে কি না, সেটা নির্দিষ্ট করে নির্ণয় করতে ডার্মাটোলজিস্ট পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক । হেয়ার লস নিম্নগামী শারীরিক (মেডিকেল কন্ডিশনকেই ) অবস্থাকেই নির্দেশ করে । স্বাথ্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত ইতিহাস এবং শারীরিক অনুসন্ধানের পরই নিশ্চিত করে বলা যায় যে, হেয়ার লস হয়েছে ।
অনাক্রম্যতা অর্থাৎ আটো ইমিউন সংক্রান্ত হেয়ার লস নির্ণয় করতে স্ক্যাল্প অর্থাৎ মাথার ত্বকের বায়োপসি করতে হয় ।

 

চুলের জন্য কি খাওয়া যেতে পারে ?

একটি নির্দিষ্ট ডায়েট কিন্তু অনেকটাই আটকে দিতে পারে হেয়ার লস । খাদ্য তালিকার যে জিনিস গুলো আপনার চুল ড়া রুখতে পারে,সেগুলি হলো –

•  ডিম্ হলো বায়টিন এবং প্রোটিনের উত্তম উৎস যা চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে । বায়োটিন কেরাটিন উৎপাদনে সাহায্য করে ।

• চুনোমাছ এ প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে। ক্যালসিয়াম চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক।

• বিভিন্ন প্রকার বেরি জাতীয় ফল খাওয়া যেতে পারে । যা ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করবে ।

• পালং শাক খুবই উপকারী এবং এটি প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ও এ সরবরাহ করে ।সব শাকেই কিছু না কিছু ভিটামিন থাকে যা চুলের পক্ষে ভাল।তাই সব শাকই খেতে হবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে।

• মাছ প্রধানত সলমন,হেরিং এবং ম্যাকরেল ইত্যাদি ওমেগা -3 সরবরাহ করে যা চুলের পুষ্টি যোগায় ।

• মিষ্টি আলু প্রচুর পরিমানে বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ যা ভিটামিন এ উৎপাদন করে ।

• চুলের জন্য বাদাম অত্যন্ত উপকারী,যা ভিটামিন ই সরবরাহ করে ।

• এছাড়াও জিংক ,কিছু প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড,ভিটামিন বি যা চুলের বৃদ্ধি তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ; সবই পাওয়া যেতে পারে বাদাম থেকে ।

• সুইট পেপার, বিনস,সোয়া বিনস, শ্রিম্প এবং যেকোনো রকম মাংস চুলের বৃদ্ধির জন্য খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ।

• চুলের বৃদ্ধি তে সাহায্য করে আয়রন,জিংক,প্রোটিন, ভিটামিন এ,বি,সি,ডি এবং ই ;অতএব,চুলের বৃদ্ধির জন্য এই জিনিস গুলো রয়েছে এমন খাবার কে আমাদের খাদ্য তালিকায় অগ্রাধিকার দিতে হবে ।

চুল ঘন করার উপায়  :

চুলের বৃদ্ধি অনেক গুলি শারীরিক প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । যেমন বয়স,লিঙ্গ,কোনো বিশেষ রোগ ইত্যাদি থাকলে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় । মার্কিন গবেষকদের মতে, চুল প্রতিমাসে এক থেকে দুই ইঞ্চি বৃদ্ধি পায় এবং বছরে গড়ে 6ইঞ্চির মতো । এই পরিসংখ্যানের ব্যাতিক্রম হলেই বলতে হবে যে,চুলের বৃদ্ধি ব্যাহত !

চুল দ্রুত বাড়াতে বা ঘন করতে,আপনাকে যা যা করে হবে – শরীরে ভিটামিন এবং পুষ্টি পদার্থের সরবরাহ সঠিক হারে বজায় রাখতে হবে ।

  চুল না পড়ার তেলঃ  প্রয়োজনীয় তেল নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে খাবারে। চুলে তেল খুব বেশী কার্যকারি নয়। আপনার চুলের গোঁড়ায় গাছের মত শিকড় থাকে না।তাই চুলের গোড়া দিয়ে মণ্ডা মিঠাই তেল কিছুই শোষিত হয় না।তবে সপ্তাহে একদিন চুলে তেল দিয়ে চুলের গোড়া বা মাথা ভাল্ভাবে ম্যাসাজ করলে চুল ভাল হয়।

চুলের বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রকারের ওয়েনমেন্টস ( মেলাটোনিন সমৃদ্ধ ) ,কেরাটিন সাপ্লিমেন্টস ব্যবহার না করে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। চুনোমাছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে।চুলের যত্নর জন্য আপনার খাদ্যে সপ্তাহে তিন দিন চুনোমাছ অবশ্যই থাকতে হবে।

প্রোটিন  জাতীয় খাবার চুলের বৃদ্ধি কে ত্বরান্বিত করে ।

ইয়োগার্ট বা টক দই কিন্তু ভীষণ উপকারী চুল কে দৃঢ়তা প্রদান করে ।তবে টক দই খেতে হবে,মাথায় টক দই লাগিয়ে কিচ্ছু হবে না।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

হেয়ার লস কমাতে আপনি কি করতে পারেন :

• প্রথমত, ব্যালান্সড ডায়েট যার মধ্যে প্রোটিন ও ভিটামিনের পর্যাপ্ত উপস্থিতি থাকবে ।

•  দ্বিতীয়ত, হেয়ার ব্যান্ড বা অন্য ওই জাতীয় জিনিস, পনিটেল বাঁধা, চুল নিজে থেকেই টানা,পেঁচানো এই গুলো বন্ধ করতে হবে চুল ওঠার সময়ে ।

• তৃতীয়ত, শ্যাম্পু সাবান সাবধানে ব্যবহার করতে হবে এবং সেই জিনিস গুলির রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে সচেতন হতে হবে ।

• চতুর্থত, চুল পড়ার সময় বেবি শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন ।

• পঞ্চমত, হেয়ার ড্রায়ার, হেয়ার স্ট্রেইটনার প্রভৃতির ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে । যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করা ততই মঙ্গল ।ব্যবহার করলেও সেটা শুকনো চুলে করতে হবে ,ভেজা চুলে কথনোই নয় ।

চুল পড়ার চিকিৎসা :

চুল উঠে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করার জন্য ডাক্তারে পরামর্শ নেওয়া উচিত ।

চিকিৎসার প্রধানতঃ দুটো ধাপ রয়েছে, প্রথমত ; মেডিকেশন অর্থাৎ মেডিক্যাল ড্রাগ এর মাধ্যমে কিন্তু এর যথেষ্ট পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে । যেহেতু ওষুধ হিসেবে কর্টিকোয়েড জাতীয় স্টেরোয়েড ব্যবহার,করা হয় যা একাধিক রোগ ডেকে আনতে পারে । যেমন ক্যাটারাক্ট, গ্লুকোমা ইত্যাদি ।

 

চুল প্রতিস্থাপন বা হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন 

এটি একটি শল্যচিকিৎসা নির্ভর প্রক্রিয়া । শরীরের কোন অংশ থেকে হেয়ার ফলিকল তুলে অন্য কোন চুলবিহীন অংশে (গ্রহীতা স্থানে) প্রতিস্থাপন করা হয়। এটি সাধারণভাবে পুরুষদের চুল পড়ে যাওয়া বা টাকের সমস্যার প্রচলিত চিকিৎসা মাধ্যম । এই প্রক্রিয়ায় চুলযুক্ত অঞ্চল থেকে হেয়ার ফলিকল তুলে চুলহীন অংশে লাগানো হয়। চোখের ভ্রু,দাড়ি,বুকের চুল এবং দুর্ঘটনায় সৃষ্ট চুলবিহীন অংশেও এটি ব্যবহৃত হয়।

সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি একটি গ্রাফট প্রতিস্থাপন অপারেশন । বর্তমানে চুল প্রতিস্থাপনের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি হল “ফলিকুলার ইউনিট ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন”।

• অপারেশনের পূর্বে, কিছু প্রি-অপারেটিভ প্রক্রিয়া রয়েছে ।

• প্রথমত, রোগীর স্কাল্প বিশ্লেষণ করে ,রোগীর পছন্দ ,তাদের কোন পদ্ধতিতে চুল প্রতিস্থাপন করলে ভাল হবে এবং সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয় , অনেকটা কাউন্সিলিং সেশানের মতো ।

• ফলিস্কোপির মাধ্যমে চুলের ঘনত্ব নির্ণয় করা হয় , যার ফলে নতুন রূপান্তরিত চুল গ্রাফটের এর পোস্ট অপারেটিভ ফলাফল সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যায়। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সাময়িক প্রাক অপারেটিভ মিনোক্সিডিল জাতীয় ওষুধ এবং ভিটামিন প্রয়োজন হতে পারে।

• পোস্ট সার্জারি রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় যা সাধারণভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
প্রতিস্থাপন অপারেশনের আগে রোগীকে হালকা ট্রাঙ্কুলাইজিঙ ঔষধ(সিডেটিভ) সঙ্গে এবং স্থানীয় অ্যানাস্থেশিয়ার ইনজেকশন দেওয়া হয়।এরপর স্কাল্পে শ্যাম্পু এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ঔষধ দিয়ে চুল প্রতিস্থাপনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

• চুল প্রতিস্থাপনের একাধিক পদ্ধতি আছে,যেগুলোর প্রত্যেকেরই নিজস্ব সুবিধা-অসুবিধা আছে।যে পদ্ধতিই অবলম্বন করা হোক না কেন,সঠিকভাবে হেয়ার ফলিকল সংগ্রহ করা প্রতিস্থাপিত চুলের স্থায়িত্ব রক্ষা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । হেয়ার ফলিকল যেহেতু ত্বকের সাথে সামান্য কৌণিকভাবে অবস্থান করে,প্রতিস্থাপিত টিস্যুকেও সেই কোণ অনুযায়ী অপসারণ করা হয়।

বর্তমানে দুই উপায়ে চুল প্রতিস্থাপন করা হয় – স্ট্রিপ এক্সসিসন এবং ফলিকুলার ইউনিট এক্সট্রাকশন । ট্রান্সপ্লান্টেশনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও রয়েছে, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের সবচেয়ে প্রচলিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। যদিও এটি সাময়িক। অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথার ত্বক ও কপালের কিছু অংশ ফুলে যাওয়া।

• পাশাপাশি,মাথা চুলকালেও রোগীকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।প্রতিস্থাপিত চুল কিছুদিন পড়েই ঝরে যায়,যা স্বাভাবিক ঘটনা।এর দুই তিন মাস পরেই চুল গজানো শুরু হয়।পুরোপুরি ফলাফল পেতে প্রায় ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

তাই চুলোচুলি করে কোন লাভ নেই।সুষম খাওয়া দাওয়া করুন ও মস্তিতে থাকুন আপনার চুল ভাল হবেই। আর চুল কম থাকলেই ক্ষতি কি ? পৃথিবীতে বহু মানুষই কম চুলেই বিখ্যাত হয়েছেন।

সৌভিক রায়

Leave a Reply

%d bloggers like this: