গভীর জলের মাছ

@@
2
(1)
এ গভীর জলের মাছ!
ক্যাপশন দেখে আবার অন্য কিছু ভাববেন না যেন! কারণ, ‘গভীর জলের মাছ’ বলতে খুব ধুরন্ধর ব্যক্তি কে বোঝানো হয় । কিন্তু এখানে আক্ষরিক অর্থেই এক গভীর জলের মাছের কথা বলতে যাচ্ছি। স্নেইল ফিশ নামে এক প্রজাতির(Pseudoliparis swirei) মাছের বিচরণক্ষেত্র সমুদ্রপৃষ্ঠের ২৭ হাজার ফুট গভীরে!
বিষয়টি বিজ্ঞানীদের বেশ অবাক করেছে। কারণ,জলের অত্যধিক চাপের কারণে এমন গভীরতায় যে কোনো প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব। অথচ প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাদে দিব্যি বাস করছে এ মাছ। যে কিনা ১৬০০ টি হাতির ভরের সমান চাপ বহন করছে!
স্কটল্যান্ডের এবারডিন ইউনিভার্সিটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে স্নেইল ফিশের আবিষ্কারক। দেখতে ব্যাঙাচির মতো এ মাছের দেহে কোনো আঁশ নেই! ৩০ সেমি দৈর্ঘ্যের স্নেইল ফিশের মাথাটা বেশ বড়সড় হলেও চোখ ছোট।
সর্বাধিক গভীরতায় বসবাসরত প্রাণীদের নতুন প্রজাতি খোঁজার সময় এগুলোর দেখা পান অভিযাত্রীরা। এর আগে সবচেয়ে গভীরে বসবাসকারী মাছ মাত্র ১৬শ’ ফুট অর্থাৎ পাঁচশ’ মিটার তলদেশে পাওয়া গিয়েছিল।
একশ’ ৫ ঘণ্টা ধরে ক্যামেরায় এর গতিবিধি লক্ষ্য করেন গবেষকরা। হ্যাডাল ল্যান্ডার নামে বিশেষ এ ক্যামেরাটি এবারডিনে তৈরি। এ জন্য ফ্যালকর নামক জাহাজে ৩০ দিন ঘোরেন তারা। প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বদিকের ফিলিপাইন থেকে দক্ষিণের জাপান পর্যন্ত ৯২ স্থানে ডুবুরি নামানো হয়। এ সময় ১৬ হাজার থেকে ৩৪ হাজার ফুট পর্যন্ত গভীরে তল্লাশি চালান ডুবুরিরা।
অভিযাত্রী দলেরই একজন ড. অ্যালেন জেমিসন বলেন, গভীরের এ মাছটির আকার খুবই অদ্ভুত। আগে কখনও এমন প্রাণী আমরা দেখিনি। কার্টুনের কুকুরের মতো মাথাওয়ালা স্নেইলের পাখনাগুলো অনেক লম্বা। আগেও ১৩ বার এবারডিন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা খাদের প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করেছেন। তবে এবারই প্রথম ৩৪ হাজার ফুট গভীরে পেঁৗছাতে পারেন তারা, যা ব্রিটেনের ইতিহাসে সর্বাধিক।
সূত্র কমেন্টে
No photo description available.

পঞ্চানন মণ্ডল

লেখাটিকে কতগুলি ট্রফি দেবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 2 / 5. Vote count: 1

No votes so far! Be the first to rate this post.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Next Post

কেমন আছে মহুয়াডাঁড়ের নেকড়েরা !

2 (1) লেখা – স্বাগতা সরকার “জঙ্গল জঙ্গল বাত চলি হ্যায় পাতা চলা হ্যায়” – গুলজার সাহেবের এই সুরের ম্যাজিক মাতিয়ে দিয়েছিল আমাদের – আমাদের যাদের শৈশব ও কৈশোর কেটেছে নব্বই-এর দশকে। মোগলি, বালু, বাঘিরা, শের খান আর সেইসাথে অ্যানিমেশনের যাদু মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখত আমাদের। আমরা ‘জঙ্গল বুক দেখব’ বলতাম […]
error: কপি নয় সৃষ্টি করুন
%d bloggers like this: