দু’হাত নিচে ওড়ে ধারাবাহিক শোক

এককালে, পশ্চিমে হস্তিনাপুর থেকে শুরু করে গঙ্গানদীর বামদিকের তীর বরাবর যে বিস্তীর্ণ ঘাসজমি ছিল পূর্বে অরুণাচলের মিশমি পর্বতমালা পর্যন্ত, সেই ঘাসজমিতে তারা হাজারে হাজারে বসবাস করত। তরাই-এর ঘাসজমির পাখি বেঙ্গল ফ্লোরিকান। ‘দ্য গেম বার্ডস্‌ অফ্‌ ইন্ডিয়া, বার্মা অ্যান্ড সিলন, ভল্যুম – ১’ (১৮৭৯) বইতে অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম সাহেব পাখিটার কথা প্রচুর লিখেছেন। সেই হিউম সাহেব,Continue reading “দু’হাত নিচে ওড়ে ধারাবাহিক শোক”

আজও বেঁচে আছি রোজ, বেনেবউ পাখি!

সদ্যপ্রয়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত তাঁর “নিষিদ্ধ কোজাগরী” কাব্যগ্রন্থে লিখেছিলেন – “তবু কি আমার কথা বুঝেছিলে, বেনেবউ পাখি,  যদি বুঝতে পারতে নারী হতে।   আমাকে বুঝতে পারা এতই সহজ? কারুকেই বোঝা যায় নাকি! শুধু বহে যায় বেলা, ঈশ্বর নিখোঁজ; কিংবা বুঝি এ-দুঃখ পোশাকি, না-হলে কি করে আজও বেঁচে আছি রোজ, বেনেবউ পাখি!” বেনেবউ। ইংরেজিতে Black-headed Oriole।Continue reading “আজও বেঁচে আছি রোজ, বেনেবউ পাখি!”

যে কয়েকটি বই না পড়লেই নয় যদি আপনি মানস জাতীয় উদ্যান-কে জানতে চান

  আসামের মানস জাতীয় উদ্যান সম্পর্কে যারা বিশদে জানতে চান, বিশেষত আমাদের ব্লগের পাঠকেরা, যারা দেশে বিদেশে ছড়িয়ে আছেন তাদের জন্য কতগুলি বিভিন্ন স্বাদের বই-এর হদিশ দিচ্ছি। আজকের বাঙালী পাঠক যেরকম বাংলা ভাষায় বই পড়েন, ব্লগ পড়েন তেমনই পাল্লা দিয়ে ইংরেজি ভাষাতেও পড়েন। বাংলা ভাষাতে মানস জাতীয় উদ্যান নিয়ে সেরকম বই লেখা হয়নি। যা লেখাContinue reading “যে কয়েকটি বই না পড়লেই নয় যদি আপনি মানস জাতীয় উদ্যান-কে জানতে চান”